মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৫

তাবেলা নয়, টার্গেট ছিল শ্বেতাঙ্গ যে কেউ: পুলিশ

তাবেলা নয়, টার্গেট ছিল শ্বেতাঙ্গ যে কেউ: পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট:
 
ইতালির নাগরিক সিজার তাবেলা হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এঁরা হলেন ভাগনে রাসেল, শুটার রুবেল, চাকতি রাসেল ও শরীফ। প্রথম তিনজন ভাড়াটে খুনি। আর শরীফ হত্যায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক। আজ সোমবার ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এসব তথ্য দেন।
আছাদুজ্জামান মিয়ার ভাষ্য, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা বলেছেন, সাদা চামড়ার (শ্বেতাঙ্গ) যেকোনো একজন বিদেশিকে হত্যার জন্য “কথিত” এক বড় ভাই তাঁদের টাকা দিয়েছেন।’
এই হত্যার পেছনে উদ্দেশ্য ছিল দেশ ও সরকারকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপে ফেলা। বিদেশিদের এটা দেখানো যে বাংলাদেশে তাঁরা নিরাপদ নন।
সিজার তাবেলা হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন চার ব্যক্তি ও জব্দ করা মোটরসাইকেল। ছবিটি আজ সোমবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টার থেকে তোলা। ছবি: সাজিদ হোসেনগত ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় গুলশান ২-এর ৯০ নম্বর সড়কের গভর্নর হাউসের সীমানাপ্রাচীরের বাইরের ফুটপাতে সিজার তাবেলাকে (৫১) গুলি করে হত্যা করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা দুই তরুণকে গুলি ছুড়ে অপেক্ষমাণ এক ব্যক্তির মোটরসাইকেলে করে পালাতে দেখেছেন। সিজার নেদারল্যান্ডসভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা আইসিসিও কো-অপারেশন প্রুফসের (প্রফিটেবল অপরচুনিটিজ ফর ফুড সিকিউরিটি) প্রকল্প ব্যবস্থাপক ছিলেন।
হত্যার এ ঘটনার ২৭ দিন পর গতকাল রোববার রাতে সন্দেহভাজন তিন খুনিসহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিন খুনি পুলিশকে জানিয়েছেন, একজন ‘বড় ভাইয়ের’ দেওয়া টাকার বিনিময়ে তাঁরা তাবেলাকে খুন করেছেন। তবে তাবেলা তাঁদের কোনো লক্ষ্যবস্তু (টার্গেট) ছিলেন না। তাঁদের শ্বেতাঙ্গ যেকোনো একজন বিদেশিকে হত্যা করতে বলা হয়।
মোটরসাইকেলের মালিক শরীফ পুলিশকে বলেছেন, পূর্ব পরিচয়ের কারণে তিনি মোটরসাইকেলটি ব্যবহার করতে দেন।
ডিএমপির কমিশনার বলেন, ‘তাবেলার হত্যার পর আইএসের দায় স্বীকার প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করতে করা হয়েছে। এটি একটি সাজানো নাটক। যে বড় ভাইয়ের কথা সন্দেহভাজন তিন খুনি বলেছেন, তাঁকে পুলিশ শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের রিমান্ডে নেওয়া হলে আরও অনেক কিছু জানা যাবে।
Share:

ধুম ফোর’–এ বাহুবলীর প্রভাস!

.ভারতে ব্যয়বহুল ছবি ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’ নতুন নানা রেকর্ড গড়েছে। মুক্তির প্রথম দিনে ৫০ কোটি রুপি আয়, অল্প সময়ে ১০০ থেকে ৩০০ কোটি আয়, বড় পোস্টার বানিয়ে গিনেস রেকর্ডও গড়েছে ছবিটি। এস এস রাজা মৌলি পরিচালিত তামিল ও তেলেগু দুই ভাষায় মুক্তি পাওয়া ওই ছবিতে অভিনয় করেন আনুশকা শেঠি, রানা দাগুবতী, তামান্না ও প্রভাস। এবার খবর হলো হিন্দি ‘ধুম ফোর’-এ অভিনয় করবেন প্রভাস। এনডিটিভি, জিনিউজ ও ইন্ডিয়া ডটকমে আজ সোমবার এ কথা বলা হয়েছে।
কয়েক দিন আগে খবর বেরিয়েছিল প্রভাস হিন্দি শিখছেন। এরপরই নতুন খবর শোনা গেল ‘ধুম ফোর’-এ অভিনয় করবেন প্রভাস। প্রকাশিত খবর সত্য হলে যশরাজ ফিল্মসের ‘ধুম ফোর’-এ দেখা যেতে পারে জনপ্রিয় সিনেমা বাহুবলী তারকা প্রভাসকে।
আদিত্য চোপড়ার ‘ধুম’-এর প্রথম সংস্করণের চেয়ে ‘ধুম-টু’ বেশি ব্যবসা করেছে। আবার ‘ধুম-থ্রি’ আগের দুটির চেয়ে বেশি ব্যবসা করে। তাই ‘ধুম-ফোর’ নিয়ে সাবধানে পা ফেলতে চান আদিত্য। দিন কয়েক আগে গুঞ্জন ছিল ‘ধুম ফোর’-এ ধুম মাচাতে আসছেন অমিতাভ বচ্চন। ছবিতে একটি বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে বিগ-বিকে। তবে এ ছবিতে অভিনয় করবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কিছু বলেননি তিনি। ‘ধুম টু’-এ ভিলেন ছিলেন হৃতিক রোশন। তিনি ধুমের সর্বশেষ ছবিতে থাকবেন একজন প্রোটাগনিস্টের চরিত্রে।
বলিউডের বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ‘ধুম ফোর’-এ অমিতাভ ও হৃতিকের সঙ্গে বাহুবলী তারকা প্রভাস থাকলে আদিত্য এবার বেশ চমকেই দেবেন।
Share:

রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৫

“আমি কি খারাপ হয়ে গেছি?”

“আমি অনার্স ১ম বর্ষের একজন ছাত্রী। আমার বয়স ২০। আমি জানি না যে আমি কেন আমার কথাগুলো লিখছি। আমি এও জানি না যে এটা আমার কেমন সমস্যা। যাই হোক,মুল কথায় আসি।
আমার সাথে একটা ছেলের প্রায় সাড়ে তিন বছরের সম্পর্ক। ছেলেটা খুব সৎ। অন্য কোনো মেয়ের প্রতি তার কোন আগ্রহ নেই। কোনো নেশাও করেনা। ওর মত ছেলে খুব কমই আছে। আমাদের সম্পর্কে কোন সমস্যা ছিল না। ভালই চলছিল সব। দেড় বছর আগে ওর বাসায় ঝামেলা শুরু হয়। ওর বাবা মায়ের মাঝে সম্পর্কের টানাপোড়ন চলেত থাকে। ও আপ্রান চেষ্টা করতে থাকে সব ঠিক করার। কিন্তু উলটো সব ঝামেলা ওর দিকে আসতে থাকে। ও অনেক ভাল ছাত্র। কিন্তু পারিবারিক এই ঘটনার জন্য ওর পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যায়। ওর খুব ইচ্ছা ছিল পড়ালেখা করার,কিন্তু পারে নি। এরপর এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা পৈশাচিক। এমনকি ওর বাবা মা ওকে মেরেও ফেলতে চায়। পরে ও অনেক ভেঙে পড়ে।

ওকে প্রথম থেকেই আমি সাপোর্ট দিয়ে আসছি। এরপর আমার দায়িত্ব আরো বেড়ে যায়। এক কথায় আমিই ছিলাম ওর চালিকা শক্তি। ও অনেক রাগী। তাই ওকে সামলানো সহজ ছিল না। কোনোমতে ও বেঁচে থাকে আর কি। শেষে ওকে কোন কারণ ছাড়াই ত্যাজ্য করা হয়। জিগ্যেস করলে ওর বাবা বলে তার ইচ্ছা তাই সে করছে। ওর মা নীরব দর্শক হয়ে থাকে। আমার এগুলো লিখতেও কাণ্ণা পাচ্ছে। এমন কোনো কিছু বাদ নেই যেটা আমরা করি নাই। অনেক চেষ্টার পর এখন সব কিছু কোনোরকম আছে। ও ব্যবসা করে। আর বাসায় জেদ করে টিকে আছে। ও এখন মানিসক ভাবে অসুস্থ। আমি ওকে জোর করে মানসিক ডাক্তার দেখাই। ইনশাআল্লাহ ও ভাল হয়ে যাবে। কিন্তু এতদিন যে চাপ ওর উপর দিয়ে গেছে তার ভাগ আমিও পেয়েছি। আমার অনেক কিছুই করতে হয়েছিল ওকে ঠিক রাখার জন্য।
বলতে লজ্জা লাগছে যে আমার বাবাও আর একজনকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। এতে আমার বাসায়ও ঝামেলা শুরু হয়। এমন না যে আমার আর আমার প্রেমিকের পরিবার অগোছালো। আমাদের পরিবার অনেক গোছানো ছিল। আমি আমার বাবাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতাম। তাকে দিয়ে এরকম আশা করিনি। আমার মা এতে ভেঙে পড়ে। বড় সন্তান হওয়ায় মাকে আমারই সামলাতে হয়। আমি প্রতিবাদ করায় আমার বাবা আমাকে অনেক কথা শুনায়, তার মাঝে আমার প্রেমিক নিয়েও কিছু কথা ছিল। আরও বলে তার সাথে যেন আমি আর কথা না বলি। আজ চার মাস হল আমি কথা বলি না। টাকা পয়সা নেই না।
আমার বাবা অনেক ভাল। সে জীবনে অনেক কষ্ট করে বড় হয়েছে। সে আমার আইডল। কিছু মানুষের প্ররচনায় সে এগুলো করেছে। কিন্তু সে যে ভুল করছে এটা মানতে নারাজ। আমি ভিতরে ভিতরে মরে যাচ্ছি। কিন্তু সবার সাথে ভালো থাকার অভিনয় করি। তারা হয়ত বুঝে কিন্তু বুঝেও লাভ না। আমি কারও কথায় সন্তুষ্ট হতে পারি না। আমার শুধু মনে হয় অনেক হয়েছে। আর পারিনা। আমার কিছু ভাল লাগে না। আমার প্রেমিকের সাথেও খারাপ ব্যবহার করি। পরে কষ্ট হয়। আমি ছাড়া তো ওর কেউ নাই। সে ওর বাবা মাকে দেখতে পারে না,আমি অনেক বুঝিয়েছি। কিন্তু ও বোঝে না,বলে যে আমার জন্যই ও বেঁচে আছে। কিন্তু এটা তো ঠিক না। আমি ক্লাসে যাই না। পড়ালেখা করতে পারছি না। একটুতেই রাগ উঠে যায়। আপনজনদের সাথে মাঝে মাঝে রাগারাগি করি। মনে হয় এত সমস্যা আমার সাথেই কেন। কারও সাথে কষ্টের কথা বলি না। আপনজনকে কীভাবে বলব,তারাই তো কষ্টে আছে। বাইরের কাউকে বললে খারাপ ভাবে নিবে। ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার অবস্থা আমার নেই। আমার শুধু মনে হয় মরলেই সব সমস্যা শেষ।
আমার প্রেমিকের এখন আমাকে অনেক দরকার। আর আমি কিনা ওকে সহ্য করতে পারছি না!! আমি কি খারাপ হয়ে গেছি, আপু? আমি কী করব?”
পরামর্শ:
আপু, খুব কষ্ট হলো আপনার চিঠি পড়ে। কিন্তু খুব নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে চাই যে আপনি খুব ভালো একটি মেয়ে। কুব ভালো এবং খুব সাহসী। এমন একটা মেয়ের কি ভেঙে পড়লে চলে?
হ্যাঁ, আপনার সাথে যা হয়েছে তারপর ভেঙে পড়বে যে কোন মানুষ। আপনি অনেক লড়েছেন, অনেক। এটার পড় ভেঙে পড়াটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু এতকিছু লড়ার পড় যখন জয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে, তখন ভেঙে পড়লে তো চলবে না বোন। আপনি যুদ্ধে ক্লান্ত হয়ে ভেঙে পড়েন নি আপু। আপনি ভেঙে পড়েছেন কারণ আপনার বাবার সাথে আপনার সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গেছে বলে। কিন্তু এই ব্যাপারটি মেনে নিতেই হবে। যে মুহূর্তে আপনি এটা মেনে নিতে পারবেন, আস্তে আস্তে আপনার সাহস ফিরে আসতে শুরু করবে।
আমার কথা শুনে রাগ করবেন না আপু। কিতু বাবাকে যতটা ভালো মানুষ আপনি মনে করছেন, ততটা ভালো তিনি নন। আপনি খুব ভালো মনের একটি মেয়ে, তাই সবাইকেই ভালো মনে করেন। তাই তো প্রেমিকের পিতা এত কিছু করার পরও তাঁদের সম্পর্কে ভালো কথাই বোঝান প্রেমিককে। কিতু আপনার পিতা যা করেছেন, এটা নিতান্তই স্বার্থপরতা। আপনার জন্য এই বয়সে তিনি বিয়ে করতে পারেন নি বলে আপনার সাথে কথা বলাই বন্ধ করেছেন। একটা মানুষ কতটুকু  স্বার্থপর হলে এটা হতে পারে। জীবনে কেউ কষ্ট করে বড় হলেই ভালো মানুষ হয়ে যায় না আপু। আপনি যা করেছেন একদম ঠিক কাজ করেছেন। আপনি নিজের মায়ের সংসার বাঁচিয়েছেন। তাতে তো পিতার সাথে আপনার সম্পর্ক স্যাক্রিফাইস করতে হয় তো হোক। অন্তত আপনার মায়ের ঘর তো বেঁচে গিয়েছে, তাই না? ব্যাপারটিকে এভাবেই দেখুন…
আর আপু, আপনি নিজের প্রেমিকের সাথে সব শেয়ার করবেন। আরেকজনের দুঃখের কথা শুনলে নিজের দুঃখও কমে, কারণ মানুষ সহমর্মিতা দেখাবার সুযোগ পায়। আপনারা দুজনেই যেহেতু দুঃখী নিজের পরিবার নিয়ে, পরস্পরের দুঃখ শেয়ার করুন। পরস্পরকে এমনভাবে আঁকড়ে ধরুন যেন কেউ আপ্নাদে আলাদা করতে না পারে। বড় যুদ্ধগুলো আপনারা করেই ফেলেছেন আপু। শেষপ্রান্তে এসে হাল ছাড়বেন না যেন। আপনি কেন রাগারাগি করে ফেলেন, সেটা প্রেমিককে বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন তিনিই আপনার মনকে সাহস দিয়েছেন।
অনেক শুভকামনা আপনাদের জন্য। যখন আপনারা দুজন মিষ্টি একটা সংসার বুনবেন, আমাদের জানাবেন নিশ্চয়ই। আমরা সেই সুখবরের অপেক্ষায় রইলাম।
Share:

পৃথিবীর সবেচেয়ে ঘৃণিত ঘটনার অন্যতম!


পৃথিবীর সবেচেয়ে ঘৃণিত ঘটনার অন্যতম!
চরম ঘৃণ্য এ ঘটনার সাক্ষী হয়েছে পূর্ব ইতালির উপকূলীয় শহর পেসকারা। একের পর এক শিশু থেকে নাবালকের সঙ্গে দিনের পর দিন যৌন সম্পর্ক করে গেছে মহিলা। যথেচ্ছ যৌন অত্যাচার চালানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই সব শিশু, নাবালকদের চাইল্ড পর্নোগ্রাফিতে অভিনয় করতে বাধ্য করেছে সে। আর সবথেকে আশ্চর্যের যেটা, তা হল তার বিকৃত যৌন কামনা ও নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই মেলেনি নিজের পাঁচ বছরের ছেলেরও। ওই মহিলার কীর্তিকলাপ সামনে আসার পর তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খবর ভারতীয় গণমাধ্যম।
মহিলার ঘরে তল্লাশি চালানোর সময় ফোটো, ভিডিও সহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গ্যাজেটস বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। সেখান থেকে যে সব ছবি পাওয়া গেছে তাতেই মহিলার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ রয়েছে। নিজের ছেলের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের ছবিও হাতে এসেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
ওই মহিলার সঙ্গে তাঁর এক আত্মীয়কেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃত মহিলার ছেলে ও অন্য নাবালকদের আপাতত স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

Share:

ঢাকা ডাইনামাইটসের অধিনায়ক হচ্ছেন বিদেশি ক্রিকেটার

ঢাকা ডাইনামাইটসের অধিনায়ক হচ্ছেন বিদেশি ক্রিকেটার

ঢাকা ডাইনামাইটসের অধিনায়ক হচ্ছেন বিদেশি ক্রিকেটার
স্পোর্টস ডেস্ক: প্লেয়ার্স ড্রাফটে লটারি ভাগ্যটা সহায় হয়নি ঢাকা ডায়নামাইটসের। পছন্দের সেরা ক্রিকেটার সংগ্রহ করতে না পারলেও যথেষ্ট ভালো দল গড়েছে তারা। আর প্রতিপক্ষকে টেক্কা দিতে শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তী সাঙ্গাকারার হাতে অধিনায়কত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন দলটি। শুক্রবার দলটির কারিগরি উপদেষ্টা খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, এতোদিন ও (সাঙ্গাকারা) চাপ নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছে। তাই আমরা চাই এবার বিপিএলেও সেই চাপটা থাকুক ওর ওপরই। এদিকে দলটি কোচ নিয়োগ দিয়েছে দ.আফ্রিকার সাবেক প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার এবং অস্ট্রেলিয়া ও দ.আফ্রিকার সাবেক কোচ মিকি আর্থারকে। ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার হাই প্রোফাইল এই কোচকে পেয়ে দারুন উচ্ছ্বসিত ঢাকা ডায়নামাইটস। ঢাকা ডায়নামাইটস দল : কুমার সাঙ্গাকারা (শ্রীলঙ্কা), মোহাম্মদ ইরফান, নাসির জামশেদ, সোহেল খান, শাহজিব হাসান (পাকিস্তান), ডেভিড মালান (ইংল্যান্ড) ও রায়ান টেন ডয়েসকাট (নেদারল্যান্ড), নাসির হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, মোশাররফ হোসেন রুবেল, মোসাদ্দেক হোসেন, শামসুর রহমান, সৈকত আলী, ফরহাদ রেজা, নাবিল সামাদ, আবুল হাসান, ইরফান শুক্কুর। ২৫ অক্টোবর,২০১৫/এমটি নিউজ২৪/আল-আমিন/এএস
Share:

জেনে নিন কোন রাশির মানুষেরা সবসময় বিজয়ী হয়


জেনে নিন কোন রাশির মানুষেরা সবসময় বিজয়ী হয় রাশি নিয়ে অনেক মানুষের মাঝে বিভিন্ন জল্পনা-কল্পনা প্রায়ই বিরাজ করে। সবার মাঝে এ বিষয় নিয়ে উৎসুক থাকতে দেখা যায়। ১২ টি রাশির ভিন্ন ভিন্ন প্রতীক ও কাহিনী রয়েছে। তবে একটি রাশি এমন রয়েছে যা মানুষকে বিজয়ী হতে সাহায্য করে।
শাহরুখ খান, ঐশ্বরিয়াসহ আরও কিছু গুণী ব্যক্তি রয়েছে যারা বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকা। তারা জীবনে সবসময় জয়ী হবার চেতনায় সামনের দিকে এগিয়ে যায়। তাদের মাথায় জয়ের মুকুট থাকার কিছু কারণ নিয়ে আজ আলোচনা করা হল-
১. বৃশ্চিক রাশির মানুষেরা নিজেকে উৎসর্গ করতে ভালবাসেন। তারা অনুভব থেকে যে কোন কাজ করতে পছন্দ করেন। যে কাজের সাথে তাদের অনুভূতির কোন সংযোগ হয় না, সে কাজ তারা করেন না বা করতে পছন্দ করেন না।
২. হেরে যাওয়া শব্দটি মনে হয় বৃশ্চিক রাশির মানুষের ডিকশনারিতে নেই। তারা যে কোন কিছু করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন। যার ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা সফল হন।
৩. এই রাশির জাতক-জাতিকারা অনেক বেশি স্বাধীনচেতা হয়ে থাকে। তারা তাদের কাজের জন্য অন্যের উপর ভরসা করে বসে থাকেন না। তারা তাদের নিজের মত করে সকল কাজ সম্পাদন করতে পছন্দ করেন।
৪. তারা কোন কাজ করতে ভয় পান না। তারা সামনে থেকে নেতৃত্বদানেও অনেক আগ্রহী। তারা তাদের সকল কাজ দায়িত্বের সাথে পালন করেন।
৫. তারা অনুগত্যের সমার্থক। তারা সকল সম্পর্কে সততার পরিচয় পরিবহন করেন। হোক তা পরিবারের সাথে সম্পর্ক, বন্ধুদের সাথে বা নিজের জীবন সাথীর সাথে।
৬. আপনি যদি কখনও এই জাতির রাশির সাথে চ্যালেঞ্জ করার সাহস করেন, তাহলে আপনার জয়ের জন্য অনেক বেশি চেষ্টা করতে হবে। কারণ, তারা তাদের শত্রুদের সবসময় পর্যবেক্ষণে রাখেন।
৭. যারা এই রাশির মানুষের যে কোন ভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেন, তাদের প্রতি তারা সবসময় হৃদয়বান থাকেন। অর্থাৎ, সাহায্যকারীর যে কোন খারাপ সময়ে বৃশ্চিক রাশির মানুষ অবশ্যই সাহায্য সহযোগিতা করেন।
৮. বন্ধুদের জন্য তারা অনেক কিছু করতে পারেন। আপনি রাতের যে কোন প্রহরে সাহায্যের জন্য তাকে মাত্র একবার খবর দিলে সে আপনার দ্বারপ্রান্তে এসে হাজীর হয়ে যাবে।
৯. সঙ্গীকে ভালবাসার ক্ষেত্রেও তারা অতুলনীয়। তারা কখনও তাদের ভালবাসা প্রকাশের কোন উপায় হাতছাড়া করেন না। তারা তাদের সত্যিকার ভালবাসা সবসময় প্রকাশ করতে ভালবাসেন।
১০. এই রাশির জাতক-জাতিকারা খুব দ্রুত যে কোন বিষয় বুঝতে পারেন। তাই খুব অল্প কথায় আপনি তাদের যে কোন বিষয় বুঝাতে পারবেন। আপনি কখনও তাদের সাথে সময় অতিবাহিত করলে বিরক্ত হবেন না। তারা মানুষের সাথে খুব ভালভাবে মিশতে পারেন।

Share:

কবর থেকে নারীর লাশ তুলে গণধর্ষণ!


কবর থেকে নারীর লাশ তুলে গণধর্ষণ! আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কবরেও সুরক্ষিত নয় মেয়েরা! যদিও ভারতে গণধর্ষণের ঘটনা নতুন কিছু নয়। কিন্তু তাই বলে কবর থেকে তুলে মৃতদেহের সঙ্গে সেক্স! হ্যাঁ, সভ্যতার নিষ্ঠুরতম এই ঘটনাটিও ঘটেছে ভারতেই।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় সংবাদপত্র আনন্দবাজার লিখেছে, এদেশে (ভারত) কবরেও সুরক্ষিত নয় মেয়েরা। সেখানেও তাদের তাড়া করে বেড়ায় পুরুষদের বিকৃত যৌন লালসা। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ জেলার তহলকা গ্রামে কবর থেকে নারীর দেহ তুলে গণধর্ষণ করল তিন দুষ্কৃতী।
ঘটনার তিন দিন আগে সন্তানের জন্ম দিতে গিয়ে মৃত্যু হয় ২৬ বছরের ওই নারীর। ঘটনার দিন কবর থেকে ২০ ফুট দূরে তাঁর বিবস্ত্র মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরে তারা স্থানীয় পুলিশকে খবর দেন।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা দায়ের করা হবে তা নিয়ে দ্বিধাদন্দে পুলিশ। ভারতীয় দণ্ডবিধিতে মৃহদেহের সঙ্গে যৌন মিলন বলে স্পষ্টভাবে কোন কিছুর উল্লেখ না থাকায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ২৯৭ ধারায় (কবরে অবৈধ খনন) মামলা করা হতে পারে।
এ ছাড়াও দায়ের হতে পারে ৩৭৭ ধারাও (অস্বাভাবিক সঙ্গম) এর মামলা।

Share:

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Recent Posts

Unordered List

Definition List