সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৫

2020 সালে ইন্টারনেট হবে সবার জন্য!!

2020 সালে ইন্টারনেট হবে সবার জন্য!!জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন উপলক্ষে মার্ক জাকারবার্গ ও বোনো দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ এই লেখাটি লেখেন। মার্ক জাকারবার্গ ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। বোনো নামে খ্যাত পল ডেভিড হিউসন ‘ইউ ২’ ব্যান্ডের প্রধান গায়ক এবং অ্যাডভোকেসি গ্রুপ ‘ওয়ান’ ও এর অঙ্গসংগঠন ‘রেড’-এর প্রতিষ্ঠাতা।
‘পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ এখনো ইন্টারনেট সংযোগের আওতার বাইরে। এটা তাদের জন্য যেমন ভালো নয়, তেমনি বাকি অর্ধেকের জন্যও চিন্তার বিষয়।
এই শতাব্দীতে বৈশ্বিক উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক সংযোগ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। আমরা যদি বিশ্বের মানুষকে ভালোভাবে খেয়েপরে বেঁচে থাকা, শিক্ষা গ্রহণ করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজে নেওয়ার জন্য সাহায্য করতে চাই তাহলে সবার মধ্যে সংযোগ নিশ্চিত করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। ইন্টারনেট শুধু তিন বিলিয়ন মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। উন্নয়নের এক অপরিহার্য উপকরণ হিসেবে একে বিবেচনা করতে হবে, যা অনেক বড় বড় কাজকে সম্ভব করে তুলতে পারে।
৭০ বছর আগে যখন জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, তখন তার মূল উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধের বদলে শান্তি ও সহযোগিতাপূর্ণ এক পৃথিবী গড়ে তোলা। মানবজাতি দারিদ্র্য, রোগ-শোক ও সংঘর্ষের মতো ব্যাপারগুলোর বিরুদ্ধে এক হয়ে কাজ করবে, সবার মতামত ও অংশগ্রহণের গুরুত্ব থাকবে। এটিই ছিল পরিকল্পনা।
এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বিশ্বনেতারা কিছু নতুন বৈশ্বিক লক্ষ্য প্রস্তাব করেছেন। আমরা যদি সবাইকে নিয়ে এমন একটি পৃথিবী গড়তে চাই যেখানে সবাই উন্নয়নের অংশীদার হয়ে নিরাপদে জীবন যাপন করতে পারবে, তাহলে আমাদের এখনো অনেক দূর যেতে হবে। জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের যে রূপরেখা তৈরি করেছে, তাতে এটিই পরিষ্কার হয়ে ওঠে। এই রূপরেখায় ১৭টি উদ্দেশ্য ও ১৬৯টি লক্ষ্যমাত্রা আছে। এর মধ্যে ৯(গ) লক্ষ্যমাত্রাটি অন্য সব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যা হলো ২০২০ সালের মধ্যে সবার জন্য ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা।
সেখান থেকে আমরা অনেক পথ পাড়ি দিয়েছি। আমরা প্রাণঘাতী অনেক রোগের মহামারি থামাতে সক্ষম হয়েছি। মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে, একই সঙ্গে আয়ও বেড়েছে। কিছু বড় ধরনের বৈশ্বিক সংঘর্ষ ও দুর্যোগের কবল থেকে আমরা নিজেদের বাঁচাতে পেরেছি। কিন্তু এত উন্নয়নের সুফল সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছাতে পারিনি। মানুষের সাফল্যের গল্প এখনো অনেকটাই উন্নত দেশ ও শহরকেন্দ্রিক। বেশির ভাগ মানুষ এখনো এই উন্নয়নের বাইরে।
যেমন ইথিওপিয়া ও তানজানিয়ায় কৃষকেরা ফসলের ভালো দাম পেতে, মজুতের সর্বশেষ তথ্য জানতে এমনকি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইনস্যুরেন্সের পেমেন্ট করতে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। নাইজেরিয়ার নাগরিকেরা ‘বাজিট’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করছে, যা সে দেশের সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাজেটের অর্থ ব্যয় করছে কি না তা যাচাই করতে সহায়তা করছে। নারীদের জন্য সম্ভাবনাগুলো আরও বেশি।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে নারীদের চেয়ে পুরুষেরা ইন্টারনেটে বেশি সংযুক্ত আছে, তবে নারীরা যখন ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়, তখন তারা এই প্রযুক্তিকে আরও ভালো শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক সুযোগ এবং সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করে। গুয়াতেমালায় নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করার জন্য মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নারীদের বিভিন্ন তথ্য দেওয়া হচ্ছে। কেনিয়াতেও এম-পেসা ক্ষুদ্রঋণ ব্যবহার করে মোবাইল ফোনে নারীরা বিভিন্ন আর্থিক সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।
গত কয়েক সপ্তাহে আমরা দেখেছি শরণার্থীরা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমাচ্ছে। স্মার্টফোন থাকায় তাদের পক্ষে কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে থাকা প্রিয় মানুষদের সঙ্গে, আত্মীয়-পরিজনদের সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে। তুরস্কের সমুদ্রসৈকতে এক সিরিয়ান শিশুর মৃতদেহের ছবি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে গেছে। লাখ লাখ শরণার্থীর প্রতীক হিসেবে সেই ছবি গোটা বিশ্বের মানুষকে কাঁদিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো মানুষের মতামতের প্রতিফলন ঘটানোর পাশাপাশি জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ ও পরিবর্তনের ব্যাপারেও অবদান রাখে।
সারা পৃথিবীকে এক সুতোয় গাঁথার স্বপ্ন দেখা সহজ, তবে তার বাস্তবায়ন করাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। এর কোনো সরল সমাধান নেই। অনেক অঞ্চলে সংযোগের পূর্বশর্ত হিসেবে জ্বালানি ও বিদ্যুতের নিশ্চয়তা প্রয়োজন। আফ্রিকার গ্রামগুলোতে প্রতি দশজন মানুষের মধ্যে নয়জনের ঘরে বিদ্যুৎ নেই। সরকার এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। এ জন্যই আমরা প্রেসিডেন্ট ওবামার ‘পাওয়ার আফ্রিকা’ পরিকল্পনা, কংগ্রেসের ‘ইলেকট্রিফাই আফ্রিকা অ্যাক্ট’ এবং আফ্রিকান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগের মতো কাজগুলোকে সমর্থন করি।
সরকারগুলোর প্রতিষ্ঠিত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে বেসরকারি খাত আরও নানা উদ্যোগ নিতে পারে। বিদ্যমান ডিজিটাল বিভাজন ঘুচিয়ে আনার লক্ষ্যে অনেক সম্ভাবনাময় উদ্যোগ এর মধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় ইন্টেল ফাউন্ডেশন কাজ করছে, মাইক্রোসফট প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করেছে, গুগলের প্রজেক্ট লুন প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে। এসব কিছুই প্রমাণ করে প্রযুক্তি ক্ষেত্রের নেতারা কতটা গুরুত্বের সঙ্গে ইন্টারনেটে গোটা পৃথিবীকে সংযুক্ত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। ফেসবুকের ইন্টারনেট ডট ওআরজি উদ্যোগও এর অংশ।
প্রযুক্তি-সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও উদ্যোক্তাদের আরও দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হবে। সিলিকন ভ্যালিকে নিজের ভৌগোলিক সীমানা ছাড়িয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং শরণার্থী সংকটের মতো বিষয়ের সমাধানে অবদান রাখতে হবে। সবচেয়ে দরিদ্র, অবহেলিত জনগোষ্ঠী, যারা নেটওয়ার্কের বাইরে, তাদের হাতের নাগালে প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমরা প্রযুক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি। বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রার সবগুলোই অর্জিত হতে হবে, কিন্তু সবখানে সবাইকে ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় নিয়ে আসতে পারলে তা অন্য লক্ষ্য সফলভাবে অর্জনের দিকে আমাদের দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাবে।
Share:

রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৫

হোম ডেলিভারি: পণ্য থেকে পর্ন

sex-racketপণ্যের পাশাপাশি পর্নও হাত ধরেছে হোম ডেলিভারির। হাজারো ওয়েবসাইট প্রতিদিন হাজারো খদ্দেরের কাছে সাপ্লাই দিচ্ছে এধরনের হোম ডেলিভারি। ইন্টারনেটের ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে ট্রিপল ডবলু লিখেই হোম ডেলিভারি পাওয়া যাচ্ছে রাত রঙিন করার সমস্ত রসদ! এখন হাড়কাটা গলি কিংবা সোনাগাছির দালালদের নামও বদলে হয়েছে ‘এসকর্ট সার্ভিস’৷ এক্কেবারে প্রকাশ্যে এবং সব্বাইকে জানিয়েই এই সার্ভিস প্রতিদিন হাজারো হোটেল এবং ফ্ল্যাটে পৌঁছে দিচ্ছে হোম ডেলিভারি।
টিং টং…………
অভিজাত হোটেলের আধো আলোছায়া রুমে বেজে উঠল কলিং বেল! ব্যবসার কাজে আসা নামী কোম্পানির পদস্থ কর্তা দরজাটা খুলতেই, দেখতে পেলেন এক সুন্দরী মহিলা। মহিলা বলাটা হয়তো ভুলই হবে, ঠোঁটে গাঢ় লিপস্টিক মাখা, শরীর থেকে নেশা মাখা দামি পারফিউমের গন্ধ। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা সুন্দরী চোখে চোখ রেখে মুচকি হেসে শুধু বললেন, ‘আপনার জন্য হোম ডেলিভারি হাজির।’
এতদিন হোম ডেলিভারি বলতে আমরা দুপুর-রাতের খাবারকেই বুঝতাম। দিন বদলের সঙ্গে সঙ্গে হোম ডেলিভারির সংজ্ঞাটাও বদলে গিয়েছে। সস্তা ইন্টারনেটের কল্যাণে এখন আলু-মুড়ি থেকে পাজামা-কুর্তা, সবই হোমে ডেলিভারি হচ্ছে। আর মুদিখানার দোকানে গিয়ে ফর্দ দিয়ে মাসকাবারি কিনতে হয় না। ডেক্সটপ, ল্যাপটপে হাজারো অনলাইন শপিংয়ের সাইটে গিয়ে কেনাকাটা করা যাচ্ছে। হোমে ডেলিভারি নিয়ে দাম মেটানোর মার্কেটিং করার সংজ্ঞাটাও এখন হাইটেক হয়েছে। ছবি দেখে পণ্য পছন্দ করে হোম ডেলিভারির কল্যাণে ক্যুরিয়র সার্ভিস কোম্পানিগুলির কদর বেড়েছে।
তবে, ডাব্বায় খাবার কিংবা অনলাইন শপিংয়ের পাশাপাশি এখন সব কিছুই হোমে ডেলিভারি পাওয়া যাচ্ছে। চিরচরিত হোম ডেলিভারি শুধু পেটের খিদেই মেটাচ্ছে তা কিন্তু নয়। মনে ও যৌনক্ষুধা মেটাতেও এবারে আসরে নেমেছে হোম ডেলিভারি। ফেল কড়ি মাখো তেল, এই দাওয়াইয়ে এবার কড়ি ফেললেই ঘরের দোরে হাজির হবে হোম ডেলিভারি ষোড়শী কন্যা!
সোস্যাল নেটওয়ার্ক সাইট এবং ইন্টারনেটের দৌলতে জেন-যুগে পণ্যের পাশাপাশি পর্ণও হাত ধরেছে হোম ডেলিভারির। লাজ-লজ্জার মাথা খেয়ে এই হোম ডেলিভারিতে নাম লেখাচ্ছেন অনেক স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী থেকে গৃহবধূ, আপকামিং মডেল, অভিনেত্রী৷ এমনকি, এয়ার হোস্টেসদেরও ডিমান্ড প্রচুর।
কীভাবে চলছে এই জাতীয় হোম ডেলিভারি? ইন্টারনেট ঘাঁটলেই খোঁজ মিলবে হাজারো এসকর্ট সার্ভিস প্রোভাইডারের ঠিকানা। যারা আপনার ফ্ল্যাট কিংবা হোটেল রুমে পৌঁছে দেবে হোম ডেলিভারি কন্যা। কোনও ক্যাটাগরির সুন্দরী চাই, তা স্থির করে করা যেতে পারে ফোন কিংবা ইমেল। হাতে গরম রেসপন্স মিলবে। এসকর্ট সার্ভিস পছন্দের সুন্দরীদের ছবিও পাঠিয়ে দেবে। সব দিক বিচার করলে অর্ডার দিলেই ফ্ল্যাট-হোটেল রুমে হাজির আপনার হোম ডেলিভারি। যত কড়ি ততটাই ফান হাইটেক এই হোম ডেলিভারি সার্ভিসের।
এছাড়া সোস্যাল মিডিয়ার কল্যাণে এই হোম ডেলিভারি সার্ভিসে অন্য একটি উপায় আছে। অনেক ক্ষেত্রেই স্বাধীনভাবে অনেক মেয়ে সরাসরি ফেসবুকে পেজ এবং প্রোফাইল করে হাইটেক হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালাচ্ছেন। ওয়াল এবং অ্যাবাউট ভালো করে ঘাঁটলেই ফেসবুকেই প্রচুর কলগার্লের সন্ধান লক্ষ করা যায়। ইনবক্সে মেসেজের মাধ্যমেই ঠিক হয় দরদাম। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলেই নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে যাবে হোম ডেলিভারি। অনেক এসকর্ট সার্ভিসও চলছে এই ফেসবুকের ওয়ালেই।
এই হোম ডেলিভারি সার্ভিসকে বেশ কয়েকটি ক্যাটাগিতে ভাগ করা হয়েছে। একদম সস্তার ডেলিভারির জন্য কমপক্ষে আট থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ করতে হবে প্রতি দেড় থেকে দু’ঘণ্টার জন্য। একরাতের জন্য খরচ পড়বে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। ৩ নম্বর ক্যাটারিতে দেড় থেকে দু’ঘণ্টার জন্য কড়ি গুনতে হবে ১৬ থেকে ২৫ হাজার টাকা। হাইফাই এই ক্যাটাগরিতে সারারাতের জন্য পকেট খসাতে হবে ২৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা। এর বাইরেও রয়েছে লাক্সারি, সেলিব্রিটি-ভিআইপি ক্যাটাগরি। এর জন্য কোনও নির্দিষ্ট রেট চার্ট নেই। গোটাটাই স্থির হয় এসকর্ট সার্ভিস এবং ক্রেতার আলোচনা এবং ডিমান্ডের উপর। তবে প্রতিটি ক্যাটাগরিতেই কিন্তু, কমপক্ষে চার থেকে পাঁচতারা হোটেল হতে হবে। তার খরচ আপনাকেই গুনতে হবে। সার্ভিস প্রোভাইডারকে রুম নম্বর জানিয়ে দিলেই হোম ডেলিভারি হয়ে যাবে সঠিক স্থানে। অনেক সময় বিজনেস ক্লায়েন্ট সন্তুষ্ট করতেও হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা থাকে। প্রতিদিন রাতে এমনভাবেই রমরমিয়ে চলছে হোম ডেলিভারি।
Share:

সানি লিওনকে হেফাজতের হুমকি!

sunny-leoneপর্নস্টার খ্যাত ও বলিউডের ‘বিতর্কিত’ নায়িকা সানি লিওনের বাংলাদেশ সফর ঠেকাতে রক্ত দিতে প্রস্তত হেফাজতে ইসলাম। প্রয়োজনে যে বিমানবন্দর দিয়ে সানি লিওনকে আনা হবে সেই বিমানবন্দরে আক্রমনের হুমকি দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের খুতবার আগে বয়ানে হেফাজতে ইসলামের নারায়ণগঞ্জ জেলা আমির ও শহরের বৃহৎ মসজিদ ডিআইটি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুল আউয়াল এ হুমকি দিয়েছেন।
মসজিদে উপস্থিত কয়েকজ হাজার মানুষকে আহ্বান জানিয়ে মাওলানা আবদুল আউয়াল বলেন, ‘বাংলার জমিনে কোনো নর্তকীকে বেহাল্লপনা করতে দেয়া হবে না। তৌহিদী জনতাকে উপেক্ষা করা হলে প্রয়োজনে যে বিমানবন্দর দিয়ে সানি লিওনকে আনা হবে সেই বিমানবন্দরেও আক্রমণ করা হবে।’
ইসলামী বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে ওঠা মাওলানা আবদুল আউয়াল তাৎক্ষণিকভাবে মসজিদে উপস্থিত কয়েক হাজার লোকজনের প্রতি আহ্বান জানালে তারা হাত তুলে সমর্থন করে।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে হেফাজতের এ নেতা বলেন, ‘আমি আবদুল আউয়াল হয়তো হজের কারণে দেশে থাকতে পারব না। তবে আমার ঘোষণা হলো, যে কোনো মূল্যে ওই অনুষ্ঠান ঠেকাতে হবে। সাংবাদিকদের মাধ্যমে আমি সে আহ্বান আয়োজকদের কানে দিতে চাচ্ছি। এতেও তাদের হেদায়েত না হলে নারায়ণগঞ্জের তৌহিদী জনতা রুখে দাঁড়াবে। রক্ত দিয়ে হলেও বেহাল্লপনা নর্তকীদের রুখবে।’
মাওলানা আবদুল আউয়াল বলেন, ‘আমাদের উপার্জিত টাকা এভাবে নর্তকীর পায়ে ঠেলে দেয়া যাবে না। দেশে এখনো মুসলমানরা বেঁচে আছে। এখনো হাজার হাজার মসজিদ আর হাফেজে কোরআন, মাওলানাসহ আল্লাহর বান্দারা আছে।
তাদের উপেক্ষা করে যদি এমন আয়োজন করা হয় তাহলে যেন আল্লাহ তাদের হেদায়েত দেয়। আর তাতেও কাজ না হলে যেন আল্লাহ তাদের তুলে নেয়। তবুও দেশের যুব সমাজকে যেন আল্লাহ ও রাসূল বিরোধী করা না হয়।’
উল্লেখ্য, আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ঢাকার বসুন্ধরার কনভেনশন হলে সানি লিওনের কনসার্ট আয়োজনের কথা রয়েছে। বলিউডের আলোচিত ওই অভিনেত্রীর নিজস্ব কনসার্টের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠানকে অফিসিয়াল কনসার্টের অনুমোদন দিয়েছে। নাচের পারফর্মেন্সের জন্য তার পুরো দলও ঢাকায় আসবে।
তার পারফর্মেন্সের আগে গান গাইবেন আতিফ আসলাম। এর মধ্যে প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষও হয়েছে। আয়োজক প্রতিষ্ঠান খুব শিগগিরই নির্ধারিত তারিখ অফিসিয়ালি জানাবে। কনসার্টে চার ক্যাটাগরির আসন বিন্যাস রাখা হয়েছে। সর্বমোট চার হাজার টিকিট থাকবে। টিকিটের সর্বনিম্ন মূল্য পনের হাজার টাকা রাখা হয়েছে।
Share:

আর শোনা যাবে না কাবিলার কণ্ঠস্বর!

হ্ণ
kabilaজাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেতা কাবিলা। তার প্রকৃত নাম নজরুল ইসলাম শামীম। এ কৌতুক ও খল অভিনেতা সুখ্যাতি পেয়েছেন চলচ্চিত্রে বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় সংলাপ বলে। তবে দুঃখের বিষয় সেই কণ্ঠ আর শোনা যাবে না নতুন কোনো চলচ্চিত্রে। জানা গেছে, তিনি নিজে আর কোনো সিনেমায় কণ্ঠ দিতে পারবেন না।
কাবিলা দীর্ঘ দিন ধরে কণ্ঠনালি সমস্যায় ভুগছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো খুব বেশি জরুরী না হলে তিনি কথা বলতে পারবেন না। এরপর থেকেই তিনি আর কোনো সিনেমার ডাবিং করছেন না। এখন তার অভিনীত চরিত্রে কণ্ঠ দিচ্ছেন অন্য কেউ। এমনটাই জানিয়েছেন এ অভিনেতার ঘনিষ্ঠ এক সূত্র।
সম্প্রতি কাবিলা অভিনীত সিনেমা ইনোসেন্ট লাভ-এর ডাবিং করছেন অন্য এক ব্যক্তি। এমনটাই জানান সিনেমাটির পরিচালক রানা।
কাবিলা ১৯৮৮ সালে যন্ত্রণা চলচ্চিত্রেরমাধ্যমে অভিনয় জীবন শুরু করেন। প্রথম দিকে তিনি নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন করলেও পরবর্তীতে কমেডিয়ান হিসেবে আরও বেশী জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। এক টাকার বউ, সবার উপরে তুমি, এবাদত, আমার প্রাণের প্রিয়া, জন্ম তোমার জন্য, আমাদের ছোট সাহেব, তুমি আমার প্রেম, বাবা আমার বাবা, তুমি স্বপ্ন তুমি সাধনা, তোমাকে বউ বানাবো, প্রেমিক নাম্বার ওয়ান, ফুল অ্যান্ড ফাইনালসহ অসংখ্য সিনেমায় অভিনয় করেছেন এ অভিনেতা।
কাবিলা অন্ধকার চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব-অভিনেতা ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এ ছাড়া ভালোবাসা আজকাল সিনেমার জন্য ২০১৩ সালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির পুরস্কার লাভ করেন।
Share:

আখিঁ আলমগীরের অজানা তথ্য

আখিঁ আলমগীর। নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। তাকে মিডিয়ায় গ্লামার গায়িকা হিসেবেই সবাই চেনে। তিনি দেশের একজন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী। শিল্পী পরিবারেই জন্ম। বাবা অভিনেতা আলমগীরের নামটি পাশে থাকার কারণে হয়তো মানুষ তাকে ভালভাবে চেনে। তবে নিজের প্রতিভা গুণেই তিনি পরিবারের বলয় থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছেন। গানের পাশাপাশি ফ্যাশন সচেতন নারী হিসেবে তিনি শ্রোতাদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়। কখনো উপস্থাপনা, অভিনয় অথবা বিজ্ঞাপন করেছেন। ব্যস্ত থাকেন দেশে বিদেশে বিভিন্ন শো নিয়ে। সব মাধ্যমেই তিনি সমান উৎফুল্ল। গান নয়, নিজের অজানা কিছু বিষয় নিয়েই গায়িকা আখিঁ আলমগীর কথা বলেছেন একটি সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে। প্রশ্ন: এবারের কোরবানীর ঈদ কেমন কাটলো? আখিঁ: বৈশাখি, আর টিভি, জিটিভি ও বিটিভিতে বিভিন্ন শোতে লাইভ কনসার্ট নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম। এছাড়া আমার একটি এ্যালবাম নিয়েও ব্যস্ত ছিলাম। তাই বলা যায় ব্যস্ততার মাঝেই ঈদ পার করেছি। প্রশ্ন: আপনি তো অনেক ফ্যাশন সচেতন। কোন ধরনের পোশাক পরতে স্বাচ্ছন্দবোধ করেন? আখিঁ: আমি শাড়ি পরতেই বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করি। বিভিন্ন টিভি প্রোগ্রাম, অনুষ্ঠানগুলোতে শাড়ি পরতে হয়। নইলে বাসা বা বাইরে গেলে ওয়েস্টার্ণ ড্রেসই পরি। প্রশ্ন: আর সাজগোজ? আখিঁ: সাঁজগোজ তো করতেই হয়। তবে চেহারার জন্য আমি পার্লারে যাই না। হাত পা এর সৌন্দর্যের জন্য যেতে হয়। প্রশ্ন: কোনো ধরনের অলঙ্কার কি পরেন? আখিঁ: শাড়ি পরলে তো অলঙ্কার পরতেই হয়। নইলে ঠিক মানায়না। আর আমি একটু বড় ধরনের অলঙ্কার পরতে পছন্দ করি। প্রশ্ন: কোন ব্র্যান্ডের পারফিউম ব্যবহার করেন? আখিঁ: জর্জিয়া, কার্ডিও, ডিওর, গুচি, ব্র্যান্ডের পারফিউম ব্যবহার করি। প্রশ্ন: কি ঘড়ি পরেন? আখিঁ: রাডো, টিসোর্টসহ বেশ কয়েকটা ব্র্যান্ডের ঘড়ি আছে আমার। প্রশ্ন: আপনার ফ্যাশন মডেল কে? আখিঁ: ভারতীয় নায়িকা রেখা আমার প্রিয়। তার ফ্যাশন স্টাইল আমার ভাল লাগে। প্রশ্ন: কোন পোশাকের প্রতি আলাদা আকর্ষণ কি আছে? আখিঁ: হ্যাঁ, শাড়ি আমার ভাল লাগে। আমার কয়েক হাজার শাড়ি আছে। প্রশ্ন: আপনি তো পৃথিবীর অনেক দেশে গিয়েছেন। ঘুরতে যেতে ভাল লাগে কোথায়? আখিঁ: হ্যাঁ, অনেক দেশেই গিয়েছি। তবে লন্ডন আমার প্রিয় জায়গা। সেখানে ২৫ বার হবেই গিয়েছি। কোনদিন সুযোগ পেলে যাযাবরের মতো পুরো ইউরোপটাও ঘুরে দেখতে চাই। কাজ ও পরিবারের কারণে লন্ডনে আমি অনেকবার গিয়েছি, তবে শো এর কারণে। কিন্তু ইউরোপটা শিল্পী হিসেবে নয়, টুরিস্টদের মতো ঘুরে দেখতে চাই। আমি ইউরোপের অনেক ঘোর গ্রামেও গিয়েছি। এতো ভাল লাগে যা বলার মতো নয়। একদম সাজানো গুছানো পরিপাটি সব গ্রাম। এছাড়া কলকাতাও ভাল লাগে। প্রশ্ন: পাহাড় ও সমূদ্র, কোনটা প্রিয়? আখিঁ: সমূদ্রটাই ভাল লাগে। পাহাড়েতো উঠা যায় না, অনেক কষ্ট। দেশের মধ্যে কক্সবাজার আমার প্রিয় জায়গা। প্রশ্ন: কি ধরনের খাবার ভাল লাগে আপনার? রান্না করেন? আখিঁ: আমার আসলে সব ধরনের খাবারই ভাল লাগে। এটা আমার অনেক বড় প্রব্লেম। ইটালিয়ান, থাই, ইংলিশ, দেশি সব খাবারই আমি রান্না করতে পারি। প্রশ্ন: প্রিয় মানুষ? আখিঁ: বাবা মা। প্রশ্ন: অবসর সময়ে কি করেন? আখিঁ: অবসরে রান্না করতে ভাল লাগে। রান্না করলে আমি স্ট্রেস রিলিজ লাগে। এছাড়া সিনেমা দেখি, বই পড়ি। আর শপিং করি। প্রশ্ন: আপনি কি গাড়ি চালান? কোন গাড়ি আপনার পছন্দ? আখিঁ: আমি আসলে গাড়ি নিয়ে অতো ভাবি না। দেখতে সুন্দর ও চলে ভাল এমন হলেই আমার চলে। এখন প্রিমিও চালাচ্ছি। প্রশ্ন: আপনি কি পরিবারের কারণে আলাদা কোন সুযোগ পেয়েছেন? নিজেকে নিয়ে কিছু বলুন। আখিঁ: নিজের যোগ্যতা ছাড়া মিডিয়ায় কেউ জায়গা পায়না। আর আমার ব্যাকগ্রাউন্ড অনেক শক্ত। তাই খ্যাতি বা জশের প্রতি আমার আলাদা কোন লোভ নেই। আমি এগুলোর মধ্যেই বড় হয়েছি। তাই অনেক বেছে বেছে ধীরে সুস্থে কাজ করি। আমাকে সব সময়ই কাজ করতে হবে। এমন কোন ভাবনা নিয়ে আমাকে থাকতে হয় না। নিজের আনন্দের জন্য আসলে আমি গান করি। গান আমার একদম নিজস্ব ভাল লাগার জায়গা।
Share:

প্রধানমন্ত্রী হতে চান সেই মালালা

ভোটে জিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চান নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী মালালা ইউসুফজাই৷ ভারতীয় টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানান তিনি৷
পাশাপাশি সন্ত্রাস নিয়ে পাকিস্তানি নেতাদের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মালালা৷ তিনি বলেন, একজন মহিলা প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন, এটা কেউ ভাবতে পারত না৷ কিন্তু সেই ভাবনা ভুল প্রমাণিত করে দিয়েছিলেন বেনজির ভুট্টো৷তাঁর স্বপ্ন, ভবিষ্যতে ভোটে জিতে প্রধানমন্ত্রী হওয়া৷ যাতে শিশুদের আরও বেশি শিক্ষার সুযোগ করে দিতে পারেন তি
Share:

শ্রীনিবাসনকে সরিয়ে আইসিসির চেয়ারম্যান পদে সৌরভ!

আইসিসি-র চেয়ারম্যান পদে কি আসতে পারেন সৌরভ? শ্রীনিকে সরিয়ে আইসিসিতে কি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রতিনিধিত্ব করতে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ককে পাঠাবেন শশাঙ্ক মনোহর? বোর্ডের এসজিএমের আগে সৌরভ-মনোহর নৈকট্যের জেরে বোর্ডের একাংশে জল্পনা তুঙ্গে।
শশাঙ্ক-সৌরভ নৈকট্য নিয়ে নতুন জল্পনা। বোর্ডে প্রেসিডেন্ট পদে আসার পর আইসিসির কুর্সি থেকে শ্রীনিকে সরিয়ে সৌরভকে বসাতে পারেন মনোহর। বিসিসিআইয়ের এসজিএমের আগে বোর্ডের অন্দরমহলে এ-নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। নিয়ম অনুসারে, বোর্ডের পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভায় শ্রীনির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনে ভোটাভুটি করা হলে, সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার যদি শ্রীনির আইসিসিতে ভারতীয় বোর্ডের প্রতিনিধি হিসেবে থাকার ক্ষেত্রে আপত্তি জানায়, তাহলেই তার জায়গায় আইসিসি চেয়ারম্যান হিসেবে আসতে পারেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক।
২০০৪ সালের তিক্ততা এখন অতীত৷ নাগপুরে মনোহরের নির্দেশে তৈরি গ্রিন টপ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ হেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল সৌরভের ভারত। সেই ম্যাচে সৌরভের না খেলা নিয়েও কম বিতর্ক হয়নি। এবার বোর্ড সভাপতি পদে সরাসরি মনোহরের নাম প্রস্তাব করেছেন সৌরভ৷ পূর্বাঞ্চলের দুই সংস্থা সিএবি ও এনসিসি-ই শশাঙ্কের সভাপতি পদে আসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নিয়েছে। এবার কি বোর্ড থেকে সৌরভের মতো নতুন কাউকে আইসিসি-তে সভাপতিত্ব করতে পাঠাবেন মনোহর? প্রশ্ন উঠছে ভারতের ক্রিকেটমহলে।
Share:

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Recent Posts

Unordered List

Definition List