শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৫

বস আমাকে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করত!


বস আমাকে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করত!
পুরুষ সহকর্মীদের কাছ থেকে কাজের জায়গায় পদে পদে খারাপ ব্যবহার পেয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, সংস্থার মাথায় বসে থাকা কর্তাব্যক্তিরা মহিলা কর্মীদের নানা ভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করতেন। কখনও মানসিক হেনস্থা, কখনও যৌনতা। অভিযোগেই উইপ্রো ইউকে-র বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করলেন শ্রেয়া উকিল নামে এক প্রাক্তন কর্মী।
শ্রেয়া জানাচ্ছেন, মহিলাদের সব ক্ষেত্রে ব্রাত্য করে রাখা হত। যে মহিলারা একে অপরকে সাহায্য করতেন, তাঁদের সমকামী ট্যাগ লাগিয়ে দেওয়া হত। এমনকী তাঁদের অনেককেই পুরুষ কর্মীদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করতে বাধ্য করা হত। তিনিও এমনই এক ঘটনার শিকার। শ্রেয়ার কথায়, ২০১৩-য় স্টকহোমে গিয়েছিলাম আমার প্রাক্তন বস মনোজ পুঞ্জা-র সঙ্গে। গোটা সফর চলাকালীন তিনি আমায় নানা ভাবে যৌনতাপূর্ণ ইঙ্গিত করেছেন। আমায় বাধ্য করেন তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে। পরে এ নিয়ে মুখ খুলতেই তার শাস্তি হিসাবে আমার চাকরি চলে যায়।
এমপ্লয়মেন্ট ট্রাইবুনালে শুনানির সময় শ্রেয়া আরও জানান, একই পদে এক জন পুরুষ কর্মী যা রোজগার করেন, মহিলারা পান তার অর্ধেক। অনেক মহিলা কর্মী এই অভিযোগেই এর আগেও সংস্থার চাকরি ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন। সংস্থার সেল্স কনফারেন্সে পুরুষরা স্ট্রিপ ক্লাবে গিয়ে যৌনতা এবং হুল্লোড়ে মাতবেন বলে মহিলকর্মীরা সেখানে আমন্ত্রণ পান না। অথচ পদ মর্যাদায় আমার সেখানে থাকার কথা ছিল বলে জানান তিনি।
Share:

রাজনীতি বনাম ইতিহাসের সত্য: ঠিক কখন থেকে গরু খাওয়া বন্ধ করে হিন্দুরা?

1এক সময় হিন্দু ধর্মালম্বীরাই গরু জবাই করতেন (বলি দিতেন) এবং তার মাংস খেতেন। কিন্তু উপমহাদেশীয় প্রেক্ষাপটে গরু আস্তে আস্তে হয়ে ওঠে রাজনীতির অন্যতম একটি অনুষঙ্গ। ঐতিহাসিকতার বিচারে ব্রাক্ষণদের ফতোয়ার ধারাবাহিকতায় আজকের গরু জবাই নিষিদ্ধের দাবি। দাবিটি আদতে ধর্মীয় নয়, রাজনৈতিক।
গরু নিষিদ্ধের এই রাজনৈতিকতাকে ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে বিচার করতে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে মতামতভিত্তিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ডেইলিও। ভারতীয় উপমহাদের ইতিহাসের উপর বই লেখার জন্য বিখ্যাত ইতিহাসবিদ দ্বিজেন্দ্র নারায়ন ঝাঁ ডি. এন. ঝাঁ এর সাথে ডেইলি ও এর প্রতিবেদক উর্সিলা আলীর কথোপকথপনের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে ওই নিবন্ধ।

প্রকাশিত নিবন্ধটিতে ইতিহাসকে সাক্ষী মেনে ডি. এন. ঝাঁ বলছেন, বৈদিক আর্যরা গরু বলি দিতেন এবং তার মাংস খেতেন। গরু বলি দেয়ার এরকম অনেক উদাহরণ আছে বেদেও যেখানেও গরু জাবাই ও তার মাংস খাওয়ার কথা রয়েছে।
এই চর্চাটি আর্যদের পরবর্তীদের সময় থেকে শুরু হয়ে মৌর্য শাসনের পূর্ব পর্যন্ত চলতে থাকে। ইতিহাসে যে তথ্য পাওয়া যায় তা অনুযায়ী মৌর্য সময়কালে কমতে থাকে গুরু করে জবাইয়ের পরিমাণ।
ব্রাক্ষণরা, যারা কিনা গরু জবাইয়ের মূলে ছিলেন তারাই এখন গরু জবাইকে নিরুৎসাহিত করছেন এবং এর জবাইকে অননুমোদিত করছেন। অননুমোদনের এ প্রক্রিয়া শুরু হয় কলি কালের ধারণা জন্মানোর সঙ্গে যে ধারণা প্রথমে মহাভারতে দেয়া হয় মৌর্য শাসনের পরবর্তী সময় থেকে গুপ্ত শাসনামলের সময়ে।
ডি. এন. ঝাঁ বলেছেন, ধর্মীয় ফতোয়া দেয়া ব্রাক্ষণরা এখন যুক্তি দেখানোর শুরু করেছেন যে কলি কালে পুরোনে কিছু চর্চা বাদ দিতে হবে যার মধ্যে গরু জবাই অন্যতম। তবে তাদের এ নিরুৎসাহিত করার সাথে ধর্মশাস্ত্রের নির্দেশ(গরু জবাইকারীকে ছোয়া যাবে না) কোন মিল নেই।
গরু জবাই বন্ধ করা হয় এবং গরুর মাংস খাওয়াকে ক্রমে ক্রমে ব্রাক্ষণদের খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। এখন এই খাবারটি এমন বর্ণের খাবার হয়ে দাঁড়িয়েছে যাদের ছোঁয়া যাবে না।
মধ্যযুগে ইসলামী জাগরণের সময় ব্রাক্ষণদের এ নির্দেশের সাথে মুসলমানদের মধ্যে একটি ধর্মীয় অমিল দেখা যায় এবং ১৭ থেকে ১৮ শতকে এ বিষয় নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে বিরোধেরও প্রমাণাদি রয়েছে ইতিহাসের পাতায়।
মারাঠি শাসনামল এবং শিবাজির সময়ে তা আরো প্রবল হয়। গরু এবং ব্রাক্ষণদের রক্ষাকর্তা হিসেবে পরিচিত শিবাজি। তার সময়েই হিন্দু ধর্মের সাথে গরুর সম্পর্কের বিষয়টি পরিস্কার হয়ে ওঠে।
পাঞ্জাবে গরু জবাইকে বৈধতা দেয়ার কারণে ১৯ শতকে হিন্দু এবং শিখদের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে একত্রিত করে গরুর ইস্যু। তবে ১৮৮২ সালে দয়ানন্দ সরস্বতী গরু রক্ষার সমাজ গঠন করেন এবং এর সাথে বহু মানুষকে একত্রিত করতে সক্ষম হন যা সরসরি মুসলমানদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হতো। এরপর থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে গরু হয়ে ওঠে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
ঝাঁ বলেছেন, আর্যদের গরু জবাইয়ের অনেক তথ্য থাকলেও এটি সময়ের সাথে তার আকর্ষণ হারিয়েছে। মৌর্য এবং গুপ্ত শাসনামলের পরবর্তী সময়ে ব্রাক্ষণরা সরাসরি গরু জবাইকে নিরুৎসাহিত এবং অননুমোদিত করেন। মধ্যযুগের পরবর্তী সময়ে এটা ধর্মীয় প্রতিকৃতি ধারণ করে এবং ১৯ শতকে হিন্দু ধর্মের পরিচায়ক হয়ে দাঁড়ায়।
Share:

শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৫

লড়াইয়ের শেষ দেখতে চান জয়া আহসান

1আসছে ১৬ অক্টোবর মুক্তি পেতে যাচ্ছে দেশভাগ নিয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী কলকাতার মেধাবী নির্মাতা সৃজিত মূখার্জির তারকাবহুল ছবি ‘রাজকাহিনী’। ছবিতে ‘রুবিনা’ চরিত্রে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।
ট্রেলার, টিজার, আর পোস্টারের পর শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মের ব্যানারে নিয়মিত ‘ক্যারেক্টার ট্রেলার’ও ইউটিউবে রিলিজ দিচ্ছেন সৃজিত। আর এবার ইউটিউবে প্রকাশ পেল বাংলাদেশি অভিনেত্রী জয়া আহসানের ‘ক্যারেক্টার ট্রেলার’। যেখানে তাকে একবার দেখানো হয়েছে সরল প্রেমিকারুপে, আবার এক ঝলক দ্রোহী নারীর চরিত্রেও দেখা গেছে তাকে। প্রেম আর দ্রোহে একাকার জয়ার মুখে ডাইলগ ছিল ‘লড়াইয়ের শেষ না দেখে আমি নড়বো না’।

উল্লেখ্য, টিজার, ট্রেলার, পোস্টার ছাড়াও ব্যক্তিগত টিজারও প্রকাশের মধ্যদিয়ে চলছে আসন্ন ছবি ‘রাজকিাহিনী’র প্রমোশন। সবাই প্রতীক্ষায় আছে ছবিটি নিয়ে। ’৪৭-এর দেশভাগের প্রেক্ষাপট নিয়ে নির্মিত ছবি ‘রাজকাহিনী’। আসছে ১৬ অক্টোবর ‘রাজকাহিনী’ ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশের জয়া আহসান ছাড়াও ছবিটিতে অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণ ঘোষ, শাশ্বত চট্টোপাধ্যয়, প্রিয়াংকা সরকার, কৌশিক সেন, আবির চট্টোপাধ্যায়, রজতাভ দত্ত, এনা সাহা, ব্রাত্য বসু, কাঞ্চন মল্লিক, সায়নী ঘোষের মত তারকা অভিনেতা-অভিনেত্রীরা।
Share:

কবরস্থানে যৌনতার অবাধ মিলনমেলার আখড়া!



sexuality-graveyard
মানুষ কতটা নিচে নামতে পারে তা হয়তো আপনি এ খবরটি না পড়লে বুঝতে পারতেন না।

মৃত‌্যুর পর আমাদের সকলের ঠিকানা কবরস্থানে। কিন্তু সেই পরিণত হয়েছে যৌনাচারী ও মাদকসেবী মানুষের আখড়ায়। সেখানে মদ ও নারী নিয়ে আড্ডা চলে দিনরাত। খবর ডেইলি মেইল।
ওই কবরস্থানটিতে নতুন কোনো মরদেহ দাফন করা হয় না। কিন্তু চারদিকে ঝোপঝাড়ওয়ালা ছোটখাটো সেই স্থানটিতে জমে উঠেছে যৌনতার অবাধ মিলনমেলায়।
ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনের একটি কবরস্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে ওই আড্ডা। এ নিয়ে ভীষণ অতিষ্ঠ এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়রা এ নিয়ে পুলিশকেও অভিযোগ জানিয়েছেন। এলাকর বাসিন্দা এক লেখক ডেমিয়েন ডুগান-রায়ান জানান, `যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাদের বেশির ভাগই ভবঘুরে আর গৃহহীন। শতাব্দী প্রাচীন আর ঐতিহ্যবাহী এই স্থানে এমন কাজ হচ্ছে, যা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না।`
এলাকার বাসিন্দাদের আরো অভিযোগ, জায়গাটির রেলিং বা পাচিল বেশি উঁচু নয়। ফলে সহজেই টপকে ঢোকা যায় এর ভেতরে। আর এ জন্যই এটা মাদক নেওয়া আর উদ্দাম যৌনতার স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁর মালিক আতিক চৌধুরী বলেন, `কবরস্থানে ঘোরাফেরা করা উন্মাদের দল এলাকার তরুণী মেয়েদের ওপর নজর দিয়েছে। জানি না কবে বড় দুর্ঘটনা ঘটে যাবে।
এই গোরস্থানটি ও সংলগ্ন গির্জাটি ১৮৪০ সালে তৈরি করা হয়েছিল। এটি ইউরোপের অন্যতম পুরোনো গির্জা। কিন্তু এখানে লোকজন যায় না। কারণ কবরগুলো ঘিরে গাছ গজিয়ে উঠে সেগুলোতে ফাটল ধরিয়ে দিয়েছে। ফলে সেখানে পূণ্যার্থী বা দর্শনার্থীদের দেখা যায় না। এ সুযোগে জায়গাটি হয়ে উঠেছে অবৈধ আড্ডার স্থান।
Share:

সিনেমাকেও হার মানাবে তামিম-তন্বীর এই ভালোবাসার গল্পটি! -

আর দশটি ভালোবাসার কাহিনীর মতো মোটেই নয় তন্বী এবং তামিমের গল্পটা। উত্থান-পতন, ভীষণ ভয়ংকর সব ঘটনা এবং সবশেষে ভালোবাসার মাঝে জীবনের প্রস্ফুটন- তাদের এই ভালোবাসা নিয়ে লেখা যাবে গল্প, মহাকাব্য। জীবনের মাঝেই যে জীবনের চাইতেও বড় ভালোবাসা লুকিয়ে থাকতে পারে, তারই উদাহরণ তরুণ এই দম্পতি। আসুন জেনে নেই সেই গল্প।
tt1
একই কলেজে পড়াশোনা থেকে ঘটনার সূত্রপাত। তন্বীকে সবাই চিনতো সেই মেয়ে হিসেবে, যে কখনো কোনো ছেলের সাথে কথা বলে না। হাঁটার সময়েও চোখ নিচের দিকে, যেন ভুলেও কারো চোখে চোখ না পড়ে। সেই মেয়েরই প্রেমে ভীষণ হাবুডুবু খেয়ে যায় তামিম। একই প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়ার সময়ে সেই প্রাইভেট টিউটরের থেকে তন্বীর ফোন নম্বর চুরি করে বসে তামিম, এরপর ফোনে ফোনে কথা, বন্ধুত্ব কখন গড়িয়েছে প্রেমে।
tt2
কলেজ জীবনের এই প্রেম কখনো পরিবার অথবা বন্ধুদের জানতে দেয়নি তন্বী। একই কোচিং সেন্টারে মডেল টেস্ট দেবার সময়ে দুজনে পাশাপাশি বসা অথচ ঘুণাক্ষরেও কেউ টের পায়না তারা প্রেমিক-প্রেমিকা।চলতে থাকে এই লুকোচুরি প্রেম।
কলেজ জীবন শেষ হতেই হঠাৎ দুজনের মাঝে দুরত্ব। কেন? কারণ দুজন দুই মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়। তন্বী ভর্তি হয় ঢাকার আদ-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজে। আর তামিম সেই সুদুর সিরাজগঞ্জে। এতো দুরত্ব সহ্য করেও চলেছে তুমুল প্রেম। মাঝে মাঝেই ঢাকায় এসে তন্বীর সাথে দেখা করে যেত তামিম।
tt3
এরই মাঝে একদিন ঘটে যায় বিপর্যয়। কলেজে যাবার পথে এক জায়গায় বাস চেঞ্জ করতে হয় তন্বীকে। বাস চেঞ্জ করে সবসময় তামিমকে ফোন দিতে হয়। কিন্তু জানুয়ারির সেই দিনে বাস চেঞ্জ করতে গিয়ে মোটোরবাইকের সাথে এক্সিডেন্ট হয় তন্বীর। মাথায় ভীষণ আঘাত পেয়ে নাক দিয়ে হতে থাকে রক্তপাত। হাসপাতালে নেবার পর রক্তবমি হয়, জ্ঞান হারায় তন্বী। তামিমকে আর ফোন করা হয় না তার।
ফোন না পেয়ে ভীষণ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে তামিম। এরপর তন্বীর বন্ধুরা যখন তাকে ফোন করে জানায় কী ঘটেছে, তখন আর কিছুতেই স্থির থাকতে পারে না সে। যত দ্রুত সম্ভব ঢাকায় প্রেমিকার কাছে চলে আসে। এরপর দিনরাত ছায়ার মতো রয়ে যায় তন্বীর পাশেই।
tt4
তন্বীর এক্সিডেন্টটা ছিলো খুবই ভয়াবহ। মস্তিষ্কে অপারেশনের পর কিছুদিন সে স্মৃতি হারিয়ে ফেলে। কিছুটা চিনতে পারে বাবা-মাকে, প্রেমিককে। কিন্তু তাদের ব্যাপারে আর কিছু মনে করতে পারে না। একেবারেই শিশুসুলভ হয়ে যায় তার চিন্তা।
এই দুর্যোগের সময়ে প্রতিটি ক্ষণ তার পাশে রয়ে যায় তামিম। একটু একটু করে তার যত্ন নেওয়া, কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে তার স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে নিজেকে ঢেলে দেয় তামিম। ওদিকে মেডিক্যালের ক্লাসে রয়ে যায় অনুপস্থিত। এ সময়েই প্রথম তামিমের ব্যাপারে জানতে পারে তন্বীর বাবা-মা। যে ছেলেটি নিজেকে উজাড় করে দিয়ে তন্বীর কাছে আছে, সে তন্বীর অনেকদিনের পুরনো প্রেমিক তা এই প্রথম জানতে পারেন।
tt5
তন্বীর সেরে উঠতে সময় লেগে যায় বেশ কিছুদিন। এর মাঝেই তামিম আবিষ্কার করে, এই মানুষটিকে ছাড়া সে বেঁচে থাকতে পারবে না কিছুতেই। একবার যাকে প্রায় হারিয়ে ফেলেছিলো, তাকে আর হারাতে চায় না তামিম। তাই তন্বীর বাসায় এবার পাঠানো হয় বিয়ের প্রস্তাব।
এতো সহজে বিয়েটা মেনে নেবেন না কোনো পক্ষই। দুই পক্ষেরই একই যুক্তি, দুজনেই এখনো পড়াশোনা করছে, এখন নয় বরং পড়ে দেওয়া যাবে বিয়ে। কিন্তু দুর্ঘটনার পর তন্বী এবং তামিম একটুও দেরি করতে নারাজ। তাদের কারনেই বাধ্য হয়ে ঘরোয়াভাবে বিয়ের আয়োজন করা হয়।

tt6
বিয়েটা হয় দুজনেরই সেকেন্ড প্রফেশনাল এক্সামের মাত্র ১৫ দিন আগে। এতো ঝড় ঝাপ্টার পরেও দারুণ ভালো ফলাফল করে তামিম।
এরপর চলতে থাকে দুজনের ভালোবাসা। দুজনের পড়াশোনা দুই জায়গাতেই বলে দুরত্ব রয়েই যায়। এই বছরের শুরুর দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে উঠিয়ে নেওয়া হয় তন্বীকে। কিন্তু দুজনের সংসার এখনো পাতা হয়নি। একজন সিরাজগঞ্জে, আরেকজন ঢাকায়। আগে তন্বীর সাথে দেখা করতে তামিম আসতো ঢাকায়, এখন তন্বীও তামিমের টানে মাঝেমাঝে চলে যায় সিরাজগঞ্জ।
tt7
মস্তিষ্কে অপারেশনের পর অদ্ভুত  ঘটনা ঘটে। কোনো কিছুরই গন্ধ পায় না তন্বী। তামিম ভালোবেসে এক তোড়া ফুল এনে দিলে তন্বী তার সুবাস পায় না ঠিকই। কিন্তু এতে কারো কিছু যায় আসে না। ফুল যে এনেছে তার ভালোবাসাটা যে খাঁটি, তা নিশ্চিত জানে তন্বী!

Share:

আর দেখা যাবেনা 'বন্ড' ডেনিয়েল ক্রেগকে

"আর দেখা যাবেনা  'বন্ড' ডেনিয়েল ক্রেগকে" শেষবারের মতো বন্ডের 'স্পেকট্রা' ছবিতে দেখা যাবে ডেনিয়েল ক্রেগকে। সম্প্রতি ব্রিটিশ এই অভিনেতা বলেন, প্রয়োজনে খুন হয়ে যাবো, কিন্তু আর বন্ড মুভি নয়।

সংবাদমাধ্যমে ক্রেগ বলেন, ব্রিটিশ স্পাই চরিত্রে আবার ফিরে আসার বিষয়ে আর কারো সঙ্গে কোনো আলাপচারিতায় রাজি নন তিনি। এ ছবিতে আর নয়। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে চাই আমি। এটা আর কোনো চিন্তাই করতেও রাজি নই আমি।
সমালোচকরা মনে করেন জেমস বন্ড সিরিজে তিনিই সেরা বন্ড। জিরো জিরো সেভেন হয়ে যখন পর্দায় আসলেন ব্রিটিশ অভিনেতা ডেনিয়েল ক্রেগ, তখন যেন সবাই সত্যিকার জেমস বন্ডকে দেখছেন।
৪৭ বছর বয়সী এই অভিনেতাকে চতুর্থবারের মতো 'বন্ড' হিসেবে দেখা যাবে।

এ মাসের ২৬ তারিখে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে স্পেকট্রার ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার। নভেম্বরের ৬ তারিখে আমেরিকায় মুক্তি পাবে বন্ড চরিত্রে ডেনিয়েল ক্রেগের শেষ 'বন্ড'।
-
Share:

মাঝরাতে সিদ্ধার্থর বাড়িতে আলিয়া!



শাহিদ কপূরের সঙ্গে তাঁর সিনেমা শানদার-এর তৃতীয় গান নিঁদ না মুঝকো আয়ে-র রিলিজ অনুষ্ঠানে ছিলেন আলিয়া। সেখান থেকেই আলিয়া সিদ্ধার্থর বাড়িতে চলে আসেন বলে জানিয়েছে একটি সংবাদমাধ্যম। আলিয়া ও সিদ্ধার্থর ডেটিংয়ের কথা আর গোপন নেই। যদিও দুজনেই এ ব্যাপারে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। কিন্তু বেশ কয়েকবারই তাঁদের একসঙ্গে ঘুরতে দেখা গিয়েছে। সেই ছবিও ধরা পড়েছে ক্যামেরায়।
সম্প্রতি ডেটিংয়ের খবর সম্পর্কে বলেছিলেন, কিছু জিনিসকে বিশেষভাবে বললে তার গুরুত্ব কমে যায়। এটা একেবারেই ব্যক্তিগত বিষয়, যা আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র।
কিছুদিন আগে বিয়ের পরিকল্পনা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে সিদ্ধার্থ বলেছিলেন, এ ব্যাপারে তিনি এখনও কিছু ভাবেননি। তিনি বলেছিলেন, এখন আমার বয়স ৩০.. আর এই বয়স এখনকার দিনে ২০ বছরের মতো । তাই এখনই বিয়ের ব্যাপারে ভাবছি না।
সিদ্ধার্থ সবেমাত্র তাঁর আগামী সিনেমা বার বার দেখো-র শ্যুটিং শেষ করে ফিরেছেন। এই সিনেমায় তাঁর বিপরীতে দেখা যাবে ক্যাটরিনা কাইফকে।

Share:

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Recent Posts

Unordered List

Definition List