শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৫

বিয়ে করলেন লাক্স তারকা চৈতী



10-10-2015- Choity
কথা অনুযায়ী বিয়ে করলেন ২০০৮ সালের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ইশরাত জাহান চৈতি। পাত্র শাওন রয় যুবরাজ পেশায় ব্যবসায়ী। তার সঙ্গে তিনি রাজনীতিও করেন। এছাড়া তিনি ত্রিমাত্রিক ও গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেন। গত ৮ অক্টোবর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এই লাক্স তারকা। এর আগে এ বছরের ৬ আগষ্ট বৃহস্পতিবার রাজধানীর শান্তিনগরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়েছিল। ওই সময়ে দুই পরিবারের কয়েকজন সদস্য ও তাদের স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন। গত ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার, চৈতি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে ‘মেরিড টু শাওন রয়’ লেখেন। তার বর শাওন রায়ের সঙ্গে নিজের একটি ছবিও পোস্ট করেন তিনি ফেসবুকে। এ সময়ে তাদের দুজনের গলায় মালা পড়া ছিল।
Share:

সৌদিতে শিরশ্ছেদ থেকে বাঁচলেন বাংলাদেশের লিটন

2015_10_10_18_10_58_gczRYvXDqIEk3gqEi2bYUv0nyHcyoh_original
নিজের ভাগ্য বদলাতে মা-বাবাকে ছেড়ে দূর দেশ সৌদি আরব গিয়েছিলেন মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার গোসাইচর গ্রামের মো. লিটন জহির উদ্দিন (২৫)। কয়েকবছর সেখানে থাকার পর এক ভারতীয় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে সৌদি শরিয়াহ আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল লিটনকে। মৃত্যুদণ্ডের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পরও নাটকীয়ভাবে সে দণ্ডের হাত থেকে বেঁচে গেছেন তিনি। তবে তাকে কারাবাস করতে হবে ১০ বছর।

বাংলাদেশের জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, লিটনের এই বেঁচে যাওয়ার পুরো কৃতিত্ব প্রথমত তার মা মোছা. জাহানারা বেগম ও বাবা মো. জহির উদ্দিনের এবং দ্বিতীয়ত সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের।
জানা গেছে, নিজের মুখে অপরাধের কথা স্বীকার করার কারণে তার পক্ষে লড়তে অপারগতা প্রকাশ করেছিলেন আইনজীবীরা।  সেই সঙ্গে শেষ হয়েছিল রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়ও। ফলে লিটনের দণ্ড কার্যকর সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
লিটনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ৭ জুন সৌদি আরবের মোরাব্বা এলাকার আব্দুর রহিম আব্দুল্লাহ আল গামদির বাসার ভাড়াটিয়া ময়েজ উদ্দিনের স্ত্রী আসমা বেগম (৩১) বাসায় একা ছিলেন। লিটন ময়েজের বাসায় ঢুকে আসমার হাত বেঁধে ফেলেন এবং তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ শেষে ছয় হাজার সৌদি রিয়াল, পাঁচ হাজারের মতো ভারতীয় রুপী, দুটি সোনার চেইন এবং একটি মোবাইল চুরি করে পালিয়ে যান তিনি।  পরে এসব অভিযোগে মোরাব্বা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন লিটন।
বিএমইটি সূত্রে জানা যায়, লিটনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শরিয়াহ আদালতের সম্মলিত বোর্ড  লিটনের মৃত্যদণ্ডের রায় প্রদান করে। ২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর সেই রায় পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আদালতে লিটন তার ডাকাতি ও ধর্ষণের অভিযোগ স্বীকার করেছেন। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ ছিল। কিন্তু তিনি নির্দিষ্ট সময়ে আপিল করতে পারেননি। এমনকি তার মামলা পরিচালনার জন্য যে আইনজীবী কাগজপত্র সংগ্রহ করেছিলেন, তিনিও পরে মামলা লড়তে অপরাগতা প্রকাশ করেন।  আর এসব ঘটনায় মৃত্যদণ্ড কার্যকর এক রকমের নিশ্চিতই হয়ে গিয়েছিল।
২০১১ সালের ৩ নভেম্বর এসব ঘটনা জানতে পেরে লিটনের মা জাহানার বেগম সরাসরি দূতাবাসে আবেদন করেন। সেখানে তার মা বলেন, ‘আমার ছেলে দীর্ঘদিন সৌদি আরবে কর্মরত আছে। আমি লোক মারফত জানতে পারলাম একজন ভারতীয় নারী উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে আমার ছেলে বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে। যে মামলায় তার বিরুদ্ধে মৃত্যদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু ওই ভারতীয় নারী মামলার করার পর থেকে নিরুদ্দেশ। বর্তমানে আমার ছেলে মালাজ সেন্ট্রাল জেলের ৪ নম্বর রুমে আছে। তার দণ্ড মওকুফ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি।’
এরপর ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি লিটনের মৃত্যদণ্ডের রায়ের কপিও পাঠানো হয়েছিল কারাগারে। তাই যেকোন সময় এ রায় কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জনশক্তি ব্যুরো ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার মায়ের আবেদনপত্র পাওয়ার পর ২০১২ সালের মার্চ মাসের দিকে এই দণ্ডের বিষয়টি দূতাবাসের নজরে আনে। তখন দূতাবাস থেকে সৌদিতে থাকা লিটনের আত্মীয়-স্বজন ও সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে সেই রায়ের কপিসহ রিয়াদের সৌদি  ল’ ফার্ম মেসার্স আল খোরাইজির সঙ্গ পরামর্শ করা হয়। ওই ফার্মের আইনজীবী আবু আব্দুল্লাহ আল খোরাইজি মামলার যাবতীয় কাগজপত্র ও রায় পর্যবেক্ষণ করেন। ওই আইনজীবীও জানান, অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির কারণে এ মামলার রায়ের বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য রাখার সুযোগ নেই। তাছাড়া আপিল আবেদন করার সময় না থাকায় আপিলও করা যাবে না।
কিন্তু থেমে থাকেননি লিটনের মা মোছা. জাহানারা বেগম। ২০১২ সালেই বিএমইটির মাধ্যমে সরাসরি সৌদি আরবের শরিয়াহ আদালতে ছেলেন প্রাণ ভিক্ষা চান তিনি। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল আবেদনের আবারও সুযোগ করে দেন সৌদি আদালত। তখন দূতাবাসের উদ্যোগে ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট আপিল গ্রহণের শুনানি হয়। সেই শুনানিতে দূতাবাসের প্রতিনিধি হিসেবে প্রথম সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং অনুবাদক এসএম দোহা উপস্থিত ছিলেন। পরে দূতাবাসের মাধ্যমে লিটনের লিখিত বক্তব্যের আপিলটি কোর্টে গৃহীত হয়। পরে তার বক্তব্য পর্যালোচনা করে ১৭ আগস্ট আপিলের রায় দেয়া হয়। আপিলের রায়ে মৃত্যদণ্ডের পরিবর্তে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। আর এভাবে মৃত্যদণ্ডের হাত থেকে বেঁচে গেলেন লিটন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএমইটির এক কর্মকর্তা বলেন, সৌদি আরবের শরিয়াহ আইনের মৃত্যদণ্ড থেকে সাধারণত কেউ বেঁচে আসতে পারে না। লিটনের বিষয়টা বিরল ঘটনা। তবে এটা তার মায়ের কারণেই হয়েছে বলে আমি মনে করি। কেননা, তার মা যদি ‘ইনফর্ম’ না করতেন, তাহলে আমরা এ বিষয়ে জানতামই না। দূতাবাসও হয়তো জানতো মৃত্যদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর। এই সাজা পরিবর্তনের জন্য সেখানকার দূতাবাসের কর্মকর্তারা অনেক পরিশ্রম করেছেন, এটাও বলতেই হবে।
Share:

দারিদ্রের কষাঘাতে নিজের সম্ভ্রম বিলিয়ে দিচ্ছেন কলেজ ছাত্রীরা!


দারিদ্রের কষাঘাতে নিজের সম্ভ্রম বিলিয়ে দিচ্ছেন কলেজ ছাত্রীরা!
পাঠক, খবরের শিরোনামটি পড়ে নিশ্চই অবাক হয়ে গেছেন। এটা অবাক হওয়ার মত ঘটনাও বটে। কিন্তু পাঠক, অবাক করার মতো হলেও ঘটনাটি সত্যি। চমকে দেয়ার মতো খবর হলো এখনও ভারতের নাগপুরের নিকটবর্তী এলাকা ওয়াদি, হিংনা, কালমেশ্বর, কলেজটি থেকে হাজার মেয়েরা পড়াশোনা বা কাজের খোঁজে এসে নিজেদের বিলিয়ে দিচ্ছেন টাকার জন্য।
পড়াশুনা করতে এসে ভারতের শহরগুলোতে নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দিচ্ছে হাজার হাজার মেয়ে। কেউ অভাবের কারণে আবার কেউবা স্বভাবের কারণে অর্থের জন্য বিলিয়ে দিচ্ছে নিজের সম্ভ্রম। এদের অধিকাংশই দরিদ্র পরিবারের সন্তান। কেউ বা শখের বসেও নামছেন এ কাজে। তবে বেশিরভাগই দারিদ্রের কষাঘাতে বিলিয়ে দিচ্ছে নিজের সম্ভ্রম। বাজারে বিকিয়ে দিচ্ছে কুমারিত্ব।
বেশির ভাগ মেয়েরাই দুই রকম জীবন-যাপন করেন। তারা তাদের পরিবারকে বোঝাতে চেষ্টা করেন যে, নাগপুর তাদের স্বপ্নের ঠিকানা। ভরসা পেগেল নামে একটি এনজিওর ম্যানেজার পতিতাপল্লীর বাইরের যৌনকর্মীদের জন্য এইডস নিয়ে কাজ করছেন। তিনি জানান, বেশির ভাগ মেয়েরা ১৮থেকে ২৫ বছর বয়সী। তারা সবাই গরীব পরিবার থেকে এসেছে তা নয়। অনেকে আছেন, সম্ভ্রান্ত মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য। তারা পড়াশোনার পাশাপাশি বেশি আয়ের জন্য রাতে বেশ্যাবৃত্তির পথ বেছে নিয়েছে। এদের মধ্যে নার্সিং, আর্টস, কমার্স, ও বিজ্ঞানের ছাত্রীও আছে। আমরা তাদেরকে পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করছি।
ভরসা আরো জানান, এই শিক্ষার্থীরা যেহেতু অল্প বয়সী তাই তারা খদ্দেরের কাছ থেকে ভাল টাকা পায়। তারা এটা সরাসরি খদ্দেরের কাছ থেকে নেয় অথবা তাদের দালালের মাধ্যমে নেয়। তারা প্রতিরাতে ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার রুপি পর্যন্ত পেয়ে থাকে। আর ঘন্টায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার রুপি। পুরোটাই নির্ভর করে খদ্দেরের উপরে। তারা গড়ে সপ্তাহে দুই এই খেপ দিয়ে থাকে।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই অর্থের একটা অংশ তাদের পরিবারের কাছে যায়। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তারা দামী মোবাইল সেট, দামী মেক-আপ সেট, কাপড়-চোপড় ইত্যাদির পেছনে খরচ করে। এবং এই মেয়েদের সবাই মাছের মত মদ্যপানে অভ্যস্ত। ভরসা জানান, আমাদের ডাটাবেজে ৩ হাজারের মতো পতিতাপল্লীর বাইরের যৌনকর্মী রয়েছে এবং এদের ৭০ শতাংশই এই শিক্ষার্থীরা। অভিভাবকরা অনেকেই তাদের সন্তানদের এই জীবন সম্পর্কে কিছুই জানেন না
Share:

বস আমাকে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করত!


বস আমাকে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করত!
পুরুষ সহকর্মীদের কাছ থেকে কাজের জায়গায় পদে পদে খারাপ ব্যবহার পেয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, সংস্থার মাথায় বসে থাকা কর্তাব্যক্তিরা মহিলা কর্মীদের নানা ভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করতেন। কখনও মানসিক হেনস্থা, কখনও যৌনতা। অভিযোগেই উইপ্রো ইউকে-র বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করলেন শ্রেয়া উকিল নামে এক প্রাক্তন কর্মী।
শ্রেয়া জানাচ্ছেন, মহিলাদের সব ক্ষেত্রে ব্রাত্য করে রাখা হত। যে মহিলারা একে অপরকে সাহায্য করতেন, তাঁদের সমকামী ট্যাগ লাগিয়ে দেওয়া হত। এমনকী তাঁদের অনেককেই পুরুষ কর্মীদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করতে বাধ্য করা হত। তিনিও এমনই এক ঘটনার শিকার। শ্রেয়ার কথায়, ২০১৩-য় স্টকহোমে গিয়েছিলাম আমার প্রাক্তন বস মনোজ পুঞ্জা-র সঙ্গে। গোটা সফর চলাকালীন তিনি আমায় নানা ভাবে যৌনতাপূর্ণ ইঙ্গিত করেছেন। আমায় বাধ্য করেন তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে। পরে এ নিয়ে মুখ খুলতেই তার শাস্তি হিসাবে আমার চাকরি চলে যায়।
এমপ্লয়মেন্ট ট্রাইবুনালে শুনানির সময় শ্রেয়া আরও জানান, একই পদে এক জন পুরুষ কর্মী যা রোজগার করেন, মহিলারা পান তার অর্ধেক। অনেক মহিলা কর্মী এই অভিযোগেই এর আগেও সংস্থার চাকরি ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন। সংস্থার সেল্স কনফারেন্সে পুরুষরা স্ট্রিপ ক্লাবে গিয়ে যৌনতা এবং হুল্লোড়ে মাতবেন বলে মহিলকর্মীরা সেখানে আমন্ত্রণ পান না। অথচ পদ মর্যাদায় আমার সেখানে থাকার কথা ছিল বলে জানান তিনি।
Share:

রাজনীতি বনাম ইতিহাসের সত্য: ঠিক কখন থেকে গরু খাওয়া বন্ধ করে হিন্দুরা?

1এক সময় হিন্দু ধর্মালম্বীরাই গরু জবাই করতেন (বলি দিতেন) এবং তার মাংস খেতেন। কিন্তু উপমহাদেশীয় প্রেক্ষাপটে গরু আস্তে আস্তে হয়ে ওঠে রাজনীতির অন্যতম একটি অনুষঙ্গ। ঐতিহাসিকতার বিচারে ব্রাক্ষণদের ফতোয়ার ধারাবাহিকতায় আজকের গরু জবাই নিষিদ্ধের দাবি। দাবিটি আদতে ধর্মীয় নয়, রাজনৈতিক।
গরু নিষিদ্ধের এই রাজনৈতিকতাকে ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে বিচার করতে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে মতামতভিত্তিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ডেইলিও। ভারতীয় উপমহাদের ইতিহাসের উপর বই লেখার জন্য বিখ্যাত ইতিহাসবিদ দ্বিজেন্দ্র নারায়ন ঝাঁ ডি. এন. ঝাঁ এর সাথে ডেইলি ও এর প্রতিবেদক উর্সিলা আলীর কথোপকথপনের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে ওই নিবন্ধ।

প্রকাশিত নিবন্ধটিতে ইতিহাসকে সাক্ষী মেনে ডি. এন. ঝাঁ বলছেন, বৈদিক আর্যরা গরু বলি দিতেন এবং তার মাংস খেতেন। গরু বলি দেয়ার এরকম অনেক উদাহরণ আছে বেদেও যেখানেও গরু জাবাই ও তার মাংস খাওয়ার কথা রয়েছে।
এই চর্চাটি আর্যদের পরবর্তীদের সময় থেকে শুরু হয়ে মৌর্য শাসনের পূর্ব পর্যন্ত চলতে থাকে। ইতিহাসে যে তথ্য পাওয়া যায় তা অনুযায়ী মৌর্য সময়কালে কমতে থাকে গুরু করে জবাইয়ের পরিমাণ।
ব্রাক্ষণরা, যারা কিনা গরু জবাইয়ের মূলে ছিলেন তারাই এখন গরু জবাইকে নিরুৎসাহিত করছেন এবং এর জবাইকে অননুমোদিত করছেন। অননুমোদনের এ প্রক্রিয়া শুরু হয় কলি কালের ধারণা জন্মানোর সঙ্গে যে ধারণা প্রথমে মহাভারতে দেয়া হয় মৌর্য শাসনের পরবর্তী সময় থেকে গুপ্ত শাসনামলের সময়ে।
ডি. এন. ঝাঁ বলেছেন, ধর্মীয় ফতোয়া দেয়া ব্রাক্ষণরা এখন যুক্তি দেখানোর শুরু করেছেন যে কলি কালে পুরোনে কিছু চর্চা বাদ দিতে হবে যার মধ্যে গরু জবাই অন্যতম। তবে তাদের এ নিরুৎসাহিত করার সাথে ধর্মশাস্ত্রের নির্দেশ(গরু জবাইকারীকে ছোয়া যাবে না) কোন মিল নেই।
গরু জবাই বন্ধ করা হয় এবং গরুর মাংস খাওয়াকে ক্রমে ক্রমে ব্রাক্ষণদের খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। এখন এই খাবারটি এমন বর্ণের খাবার হয়ে দাঁড়িয়েছে যাদের ছোঁয়া যাবে না।
মধ্যযুগে ইসলামী জাগরণের সময় ব্রাক্ষণদের এ নির্দেশের সাথে মুসলমানদের মধ্যে একটি ধর্মীয় অমিল দেখা যায় এবং ১৭ থেকে ১৮ শতকে এ বিষয় নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে বিরোধেরও প্রমাণাদি রয়েছে ইতিহাসের পাতায়।
মারাঠি শাসনামল এবং শিবাজির সময়ে তা আরো প্রবল হয়। গরু এবং ব্রাক্ষণদের রক্ষাকর্তা হিসেবে পরিচিত শিবাজি। তার সময়েই হিন্দু ধর্মের সাথে গরুর সম্পর্কের বিষয়টি পরিস্কার হয়ে ওঠে।
পাঞ্জাবে গরু জবাইকে বৈধতা দেয়ার কারণে ১৯ শতকে হিন্দু এবং শিখদের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে একত্রিত করে গরুর ইস্যু। তবে ১৮৮২ সালে দয়ানন্দ সরস্বতী গরু রক্ষার সমাজ গঠন করেন এবং এর সাথে বহু মানুষকে একত্রিত করতে সক্ষম হন যা সরসরি মুসলমানদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হতো। এরপর থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে গরু হয়ে ওঠে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
ঝাঁ বলেছেন, আর্যদের গরু জবাইয়ের অনেক তথ্য থাকলেও এটি সময়ের সাথে তার আকর্ষণ হারিয়েছে। মৌর্য এবং গুপ্ত শাসনামলের পরবর্তী সময়ে ব্রাক্ষণরা সরাসরি গরু জবাইকে নিরুৎসাহিত এবং অননুমোদিত করেন। মধ্যযুগের পরবর্তী সময়ে এটা ধর্মীয় প্রতিকৃতি ধারণ করে এবং ১৯ শতকে হিন্দু ধর্মের পরিচায়ক হয়ে দাঁড়ায়।
Share:

শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৫

লড়াইয়ের শেষ দেখতে চান জয়া আহসান

1আসছে ১৬ অক্টোবর মুক্তি পেতে যাচ্ছে দেশভাগ নিয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী কলকাতার মেধাবী নির্মাতা সৃজিত মূখার্জির তারকাবহুল ছবি ‘রাজকাহিনী’। ছবিতে ‘রুবিনা’ চরিত্রে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।
ট্রেলার, টিজার, আর পোস্টারের পর শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মের ব্যানারে নিয়মিত ‘ক্যারেক্টার ট্রেলার’ও ইউটিউবে রিলিজ দিচ্ছেন সৃজিত। আর এবার ইউটিউবে প্রকাশ পেল বাংলাদেশি অভিনেত্রী জয়া আহসানের ‘ক্যারেক্টার ট্রেলার’। যেখানে তাকে একবার দেখানো হয়েছে সরল প্রেমিকারুপে, আবার এক ঝলক দ্রোহী নারীর চরিত্রেও দেখা গেছে তাকে। প্রেম আর দ্রোহে একাকার জয়ার মুখে ডাইলগ ছিল ‘লড়াইয়ের শেষ না দেখে আমি নড়বো না’।

উল্লেখ্য, টিজার, ট্রেলার, পোস্টার ছাড়াও ব্যক্তিগত টিজারও প্রকাশের মধ্যদিয়ে চলছে আসন্ন ছবি ‘রাজকিাহিনী’র প্রমোশন। সবাই প্রতীক্ষায় আছে ছবিটি নিয়ে। ’৪৭-এর দেশভাগের প্রেক্ষাপট নিয়ে নির্মিত ছবি ‘রাজকাহিনী’। আসছে ১৬ অক্টোবর ‘রাজকাহিনী’ ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশের জয়া আহসান ছাড়াও ছবিটিতে অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণ ঘোষ, শাশ্বত চট্টোপাধ্যয়, প্রিয়াংকা সরকার, কৌশিক সেন, আবির চট্টোপাধ্যায়, রজতাভ দত্ত, এনা সাহা, ব্রাত্য বসু, কাঞ্চন মল্লিক, সায়নী ঘোষের মত তারকা অভিনেতা-অভিনেত্রীরা।
Share:

কবরস্থানে যৌনতার অবাধ মিলনমেলার আখড়া!



sexuality-graveyard
মানুষ কতটা নিচে নামতে পারে তা হয়তো আপনি এ খবরটি না পড়লে বুঝতে পারতেন না।

মৃত‌্যুর পর আমাদের সকলের ঠিকানা কবরস্থানে। কিন্তু সেই পরিণত হয়েছে যৌনাচারী ও মাদকসেবী মানুষের আখড়ায়। সেখানে মদ ও নারী নিয়ে আড্ডা চলে দিনরাত। খবর ডেইলি মেইল।
ওই কবরস্থানটিতে নতুন কোনো মরদেহ দাফন করা হয় না। কিন্তু চারদিকে ঝোপঝাড়ওয়ালা ছোটখাটো সেই স্থানটিতে জমে উঠেছে যৌনতার অবাধ মিলনমেলায়।
ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনের একটি কবরস্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে ওই আড্ডা। এ নিয়ে ভীষণ অতিষ্ঠ এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়রা এ নিয়ে পুলিশকেও অভিযোগ জানিয়েছেন। এলাকর বাসিন্দা এক লেখক ডেমিয়েন ডুগান-রায়ান জানান, `যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাদের বেশির ভাগই ভবঘুরে আর গৃহহীন। শতাব্দী প্রাচীন আর ঐতিহ্যবাহী এই স্থানে এমন কাজ হচ্ছে, যা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না।`
এলাকার বাসিন্দাদের আরো অভিযোগ, জায়গাটির রেলিং বা পাচিল বেশি উঁচু নয়। ফলে সহজেই টপকে ঢোকা যায় এর ভেতরে। আর এ জন্যই এটা মাদক নেওয়া আর উদ্দাম যৌনতার স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁর মালিক আতিক চৌধুরী বলেন, `কবরস্থানে ঘোরাফেরা করা উন্মাদের দল এলাকার তরুণী মেয়েদের ওপর নজর দিয়েছে। জানি না কবে বড় দুর্ঘটনা ঘটে যাবে।
এই গোরস্থানটি ও সংলগ্ন গির্জাটি ১৮৪০ সালে তৈরি করা হয়েছিল। এটি ইউরোপের অন্যতম পুরোনো গির্জা। কিন্তু এখানে লোকজন যায় না। কারণ কবরগুলো ঘিরে গাছ গজিয়ে উঠে সেগুলোতে ফাটল ধরিয়ে দিয়েছে। ফলে সেখানে পূণ্যার্থী বা দর্শনার্থীদের দেখা যায় না। এ সুযোগে জায়গাটি হয়ে উঠেছে অবৈধ আড্ডার স্থান।
Share:

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Recent Posts

Unordered List

Definition List