শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৫

কুকুর কামড় দিলে তৎক্ষণাৎ করতে হবে যে কাজগুলো



dog-bite (1)পথে ঘাটে হঠাৎ ঘটে যেতে পারে এমন একটি দুর্ঘটনা হল কুকুরে কামড়ানো। কুকুরের কামড় অনেক বেশি যন্ত্রণাদায়ক এবং মারাত্নক। কুকুরের কামড় থেকে জলাতঙ্ক রোগ হতে পারে। রেবিস নামক ভাইরাস থেকে জলাতঙ্ক রোগ হয়ে থাকে। এটি একটি স্নায়ুজনিত রোগ। রেবিস ভাইরাস কুকুরের লালা থেকে ক্ষতস্থানে লেগে যায় এবং সেখান থেকে স্নায়ুতে পৌঁছে এই রোগ সৃষ্টি হতে পারে।  জলাতঙ্ক হলে স্নায়ুতে সমস্যা হয়ে থাকে। যার কারণে মস্তিষ্কে প্রদাহ দেখা দিতে পারে। মস্তিষ্কে প্রদাহের সাথে খাদ্যনালীতে তীব্র সংকোচন হতে পারে। এছাড়া রোগী কোন আলো বা শব্দ  সহ্য করতে পারে না। এই সকল লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তবে কুকুর কামড়ালে প্রাথমিকভাবে কিছু পদক্ষেপ নিতে হয়। এই কাজগুলো করা হলে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

১। ক্ষত পরিষ্কার করুন

প্রথমে একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে ক্ষতের স্থানটি চেপে ধরুন। তারপর কুকুরের কামড় দেওয়া স্থানে বেশি করে সাবান পানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করা ভাল। এটি ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য জীবাণু দূর করে থাকে। তবে ক্ষত পরিষ্কার করার সময় খুব বেশি ঘষাঘষি করবেন না।

২। রক্ত বন্ধ করুন

ক্ষত স্থানে চাপ দিয়ে কিছুক্ষণ ধরে রাখুন। এতে রক্ত পরা বন্ধ হয়ে যাবে।

৩। ব্যান্ডেজ

ক্ষতস্থানটিতে অ্যান্টিবায়েটিক ক্রিম বা অয়েন্টমেন্ট লাগিয়ে নিন। তারপর একটি গজ দিয়ে ভাল করে ব্যান্ডেজ করে ফেলুন। ক্ষত স্থান খোলা থাকলে এতে বিভিন্ন রোগ জীবাণু প্রবেশ করতে পারে।

৪। ডাক্তারের কাছে যাওয়া

প্রাথমিক চিকিৎসার পর ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। এবং তার পরামর্শে টিটেনাস ইনজেকশন দিতে হবে। কুকুর কামড়ানোর পর অব্যশই টিটেনাস ইনজেকশন দিতে হবে। কুকুর কামড়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই ইনজেকশন দেওয়া উচিত।

সতর্কতা

কুকুরের কামড়ে অনেক সময় রোগী মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। তাকে আস্থা প্রদান করতে হবে যে সে আবার সুস্থ হয়ে যাবে।
প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অব্যশই রোগীকে ডাক্তার কাছে নিয়ে যেতে হবে
Share:

ভয়ঙ্কর প্রতারক আনোয়ারার অজানা কাহিনী

<a href='http://creditcardonlineinformation.info/beta/www/delivery/ck.php?n=a45faa36' target='_blank'><img src='http://creditcardonlineinformation.info/beta/www/delivery/avw.php?zoneid=3&n=a45faa36' border='0' alt='' /></a>
1যশোরের এক ‘ভয়ঙ্কর নারী প্রতারকের’ খপ্পরে পড়ে শতাধিক পরিবারের কয়েক হাজার মানুষ পথে বসেছেন। তার প্রতারণার শিকার হয়েছেন ব্যাংকার, পুলিশ, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, মানবাধিকারকর্মী থেকে শুরু করে গ্রামের সাধারণ মানুষ। তার প্রতারণার শিকার অনেকেই এখন সর্বস্বান্ত। কেউ কেউ চাকরি হারিয়ে বসেছেন পথে। এই অভিনব প্রতারক নারীর নাম আনোয়ারা বেগম। যিনি গোটা যশোরের মানুষের কাছে ‘ভয়ঙ্কর প্রতারক’ হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। ইতিমধ্যে তিনি প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৫০ কোটি টাকারও বেশি মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। এসব ঘটনায় আনোয়ারা বেগমের নামে ইতিমধ্যে ২৪টি প্রতারণা ও চেকজালিয়াতির মামলা হয়েছে। যার মধ্যে ৭টিতে তিনি জামিনে আছেন। বাকি ১৩টি মামলায় আনোয়ারা বেগমকে ‘পলাতক’ দেখিয়ে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে। এদিকে ‘পলাতক’ আসামি আনোয়ারা বেগম গতকাল যশোরের একটি আবাসিক হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে তার প্রতারণার দায় স্বীকারসহ তার নেপথ্য ঘটনা তুলে ধরেন। তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। যশোরের কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী পরিবেষ্টিত ওই সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ারা বেগম অকপটে স্বীকার করেন তিনি কিভাবে মানুষের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করতেন। তার নেপথ্য লোকদের বিষয়েও তিনি দিয়েছেন চকমপ্রদ তথ্য। তবে প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত কোটি কোটি টাকা তিনি কিভাবে ব্যয় করেছেন বা প্রতারণার শিকার মানুষদের টাকা তিনি কিভাবে ফেরত দেবেন সে সম্পর্কে কোন কথা বলতে রাজি হননি। এদিকে পুলিশ প্রশাসনের নাকের ডগায় কিভাবে একজন ভয়ঙ্কর প্রতারক নারী ২৪ মামলার পলাতক আসামি দিনক্ষণ জানিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন তা নিয়ে রয়েছে নানা গুঞ্জন।
যশোর সদর উপজেলার কুয়াদা বাজারের কাঠ ব্যবসায়ী ওমর আলীর স্ত্রী আনোয়ারা বেগম। অশিক্ষিত ওই নারী  পেশায়  গৃহিণী। প্রায় ২৫ বছর আগে ওমর আলী মারা যান। ছেলে-মেয়ে নিয়ে বিপাকে পড়েন সুন্দরী আনোয়ারা বেগম। তিনি স্থানীয়দের কুনজর থেকে বাঁচতে যশোর শহরের নীলগঞ্জে পাড়ি জমান। সেখানে একটি ভাড়া বাসায় থাকার সুবাদে একজন সরকারি ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন আনোয়ারা বেগম। যা নিয়ে রয়েছে রগরগে গল্প। জীবন পাল্টে যায় গ্রামের নিতান্ত সাধারণ একজন গৃহবধূর। রাতারাতি তিনি হয়ে পড়েন অর্থবিত্তের মালিক। ব্যাংকার থেকে শুরু করে যশোর শহরের বড় বড় ব্যবসায়ী, পুলিশ অফিসার, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা সবাই আনোয়ারা বেগমের পানি গ্রহণে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েন। সুযোগ কাজে লাগান সুচতুর আনোয়ারা বেগম। শুরু করেন ঢাকাকেন্দ্রিক নতুন ব্যবসা। সেই ব্যবসার সূত্র ধরে সোনালী ব্যাংকের সাবেক সিবিএ নেতা নড়াইলের সন্তান বিএম বাকির হোসেনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান আনোয়ারা বেগম। এই সম্পর্কের জের ধরে আনোয়ারা বেগম প্রতারণার নতুন  ফাঁদ পাতেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সোনালী ব্যাংকের সাবেক এক ম্যানেজারে স্ত্রী জানান, আনোয়ারা বেগম ১২/১৪ বছর আগে গল্প সাজান, তার স্বামী মৃত ওমর আলী বাংলাদেশের এক সময়ের শীর্ষ ধনী জহুরুল হকের ম্যানেজার এবং ব্যবসায়িক পার্টনার ছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি সোনালী ব্যাংক এবং অগ্রণী ব্যাংক মতিঝিল শাখায় প্রচুর টাকা রেখে যান। সেই টাকা সুদ এবং আসলে ১০০ কোটি ছাড়িয়েছে। সোনালী ব্যাংক এবং অগ্রণী ব্যাংক সময়মতো সঠিক ওয়ারিশ না পাওয়ায় টাকাগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে চলে যায়। বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাপক খোঁজ-খবর নিয়ে জানতে পারে, আনোয়ারা বেগম এবং তার ছেলেমেয়েরা ওই টাকার প্রকৃত ওয়ারিশ। ব্যাংক থেকে ওই ১১২ কোটি টাকা তুলতে আড়াই শতাংশ  জমি বা সমপরিমাণ অর্থ প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা জমা দিতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকে। এই টাকা জমা দিলে তিনি ১১২ কোটি টাকার মতো পাবেন। যারা তাকে এখন ওই টাকা তুলতে সহযোগিতা করবেন, তাদের তিনি লভ্যাংশ বাবদ প্রদেয় টাকার দ্বিগুণ, তিনগুণ বা তারও বেশি করে টাকা দেবেন। আর এভাবেই টাকা সংগ্রহে নামেন প্রতারক সুন্দরী আনোয়ারা বেগম।
যাদেরকে তিনি এই ধরনের দ্বিগুণ, তিনগুণ বা কোটি টাকার স্বপ্ন দেখিয়েছেন, তারাও রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যাওয়ার মানসে তাকে টাকা দিয়েছেন। আর এভাবে শত শত মানুষের কাছ থেকে তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।
যশোর বড় বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী এবং সাবেক এক ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, যশোর  কোতোয়ালি থানার একজন সাবেক ওসি, পাশের জেলার গোয়েন্দা পুলিশের একজন ওসি সমপ্রতি আনোয়ারা বেগমকে ফ্ল্যট বাড়ি এবং মার্কেটের একটি দোকান বিক্রি করে প্রায় ৭০ লাখ টাকা দিয়েছেন। এ ছাড়া আনোয়ারা বেগমের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব খুইয়েছেন যশোর উপশহরের বাসিন্দা সোনালী ব্যাংক যশোর বাজার শাখার সাবেক ম্যানেজার আবুল কাসেম, ইসলামী ব্যাংকের সাবেক ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম, যশোর শহরের বকচরের বাহাউদ্দিন, রেল রোডের কাপড় ব্যবসায় ও রুনারুপার মালিক ইকরাম হোসেন, মণিরামপুর রাজগঞ্জের বাসিন্দা আবদুল মান্নান, একই এলাকার ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন, খাজুরা বাজারের ফুয়েল স্টেশন মালিক মো. হাসান, ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রী আলেয়া বেগম, চৌগাছা বাজারের ব্যবসায়ী হাসান আলী, শহরের পালবাড়ি ও নুরপুর এলাকার বাসিন্দা বেশ কয়জন অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা ও সদস্য, বেনাপোলের সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম, ঝিকরগাছার ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন, যশোর সিটি প্লাজার গার্মেন্ট ব্যবসায়ী আবদুল জব্বার, স্বর্ণপট্টির সঞ্জয় কুমার সাহাসহ বহু মানুষ। অভিযোগ রয়েছে মোটা অঙ্কের সুদ প্রদানের কথা বলে ১৪-১৫ বছরে আনোয়ারা বেগম প্রায় ৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে। সময়মতো টাকা পরিশোধ করতে না পারায় ইতিমধ্যে তার নামে যশোর কোতোয়ালি থানাসহ বিভিন্ন থানায় ও আদালতে ২৪টি প্রতারণা ও চেক জালিয়াতির মামলা হয়েছে।
এর আগে গত কয়েক বছরে আনোয়ারা বেগম যশোর ও আশপাশের কয়েকটি জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু মানুষের কাছ থেকে আরও দশ ১৫ কোটির টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার প্রতারণার ফাঁদে পড়ে কোটি কোটি টাকা খুইয়েছেন দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন-  পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা, ব্যাংক কর্মকর্তা, আইনজীবী, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী। বাদ পড়েননি গৃহবধূরাও। অনেকে তার প্রতারণায় টাকা খুইয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। টাকার শোকে অপমৃত্যুর শিকারও হয়েছেন কেউ কেউ। এ ছাড়া তার প্রতারণার কাজে সহায়তার দায়ে যশোরের ৩টি ব্যাংকের ম্যানেজাররা চাকরিচ্যুত হয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সাবেক ব্যাংক ম্যানেজারে স্ত্রী জানান, আনোয়ারা বেগমের প্রেমে পড়ে তার স্বামী ব্যাংক থেকে হিসাববহির্ভূত ভাবে ৭০ লাখ টাকা তুলে দেন তার হাতে। যা নিয়ে তার সংসার ভেঙেছে। সময়মতো ব্যাংকে টাকা ফেরত দিতে না পারায় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। জেল খাটতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত টাকার শোকে তার স্বামীর অকাল মৃত্যু হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, আনোয়ারা তার শরীর আর ব্যবহার দিয়ে সবাইকে তুষ্ট রেখে বছরের পর বছর প্রতারণা করে চলেছে। তার প্রতারণার ফাঁদে পড়ে বহু পরিবার সর্বস্বান্ত হয়েছে। ইসলামী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক থেকে শুরু করে বহু সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের ম্যানেজার বা কর্মকর্তারা আনোয়ারা বেগমের প্রতারণার ফাঁদে ফেঁসে গেছেন।
এদিকে বেশ কিছু দিন রাজধানীতে গা-ঢাকা দিয়ে থাকার পর ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন ভয়ঙ্কর প্রতারক আনোয়ারা বেগম। তিনি গতকাল যশোরের একটি অভিজাত হোটেলে আইনজীবী দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে নিরক্ষর আনোয়ারা বেগমের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অ্যাডভোকেট ডেইজি খাতুন। এ সময় আনোয়ারার সঙ্গে অ্যাডভেকেট আফজাল হোসেন, অ্যাডভোকেট আবুল কায়েস, অ্যাডভোকেট নবকুমার, মিজানুর রহমান মিন্টুসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। খবর পেয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয়কৃষ্ণ মল্লিক।
বিনয় মল্লিক বলেন, ‘ভয়ঙ্কর প্রতারক আনোয়ারা সংবাদ সম্মেলন করছেন শুনে আমি এখানে হাজির হয়েছি। আনোয়ারার প্রতারণার কাহিনী আমি যতটা জানি, তা উপস্থিত আইনজীবীদের বলেছি। আইনজীবীরা এসব কাহিনী শুনে লজ্জা পেয়েছেন।’
তিনি জানান, আনোয়ারা বেগম দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন কায়দায় মানুষকে প্রতারিত করে আসছেন। তার এক নিকটাত্মীয়র কাছ থেকেও আনোয়ারা মোটা টাকা হাতিয়েছেন বলে বিনয় মল্লিক অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ‘ভয়ঙ্কর প্রতারক’ হিসেবে পরিচিত আনোয়ারা বেগম স্বীকার করেন, ব্যাংকে তার স্বামীর নামে কোন টাকা নেই। পুরো ঘটনাটিই সাজানো। এই প্রতারণার জন্য অবশ্য তিনি সোনালী ব্যাংকের প্রয়াত সিবিএ নেতা বিএম বাকির হোসেন এবং ব্যাংকটির যশোরের একটি শাখায় কর্মরত আবুল কাশেমকে দায়ী করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ারা বেগম অভিযোগ করেন, “ব্যাংক কর্মকর্তা আবুল কাশেমের শেখানো পথে তিনি হেঁটেছেন মাত্র। আবুল কাশেম আর প্রয়াত বিএম বাকির তাকে নিয়ে খেলেছেন। তার সর্বস্ব লুট করেছেন। তিনি এখন সমাজে ঘৃণিত। কিন্তু এর পেছনে যারা জড়িত তিনি তাদের মুখোশ উন্মোচন করার দাবি জানান। তিনি জানান, মানুষকে প্রতারিত করে তিনি যে ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা আয় করেছেন তার সিংহ ভাগ আবুল কাশেম আর বিএম বাকির খেয়েছেন। বাকি টাকা তিনি মিডিয়া আর ফুর্তি করে ব্যয় করেছেন। তার কাছে বর্তমানে কোন টাকা নেই। বরং তিনি ২৪টি মামলার আসামি হয়ে এখন ফেরার জীবন যাপন করছেন।”
Share:

স্ত্রীর কাটা মুণ্ড নিয়ে রাস্তায় স্বামী! (ভিডিও)

>
স্ত্রীর কাটা মুণ্ড নিয়ে রাস্তায় স্বামী! (ভিডিও) অনলাইন ডেস্ক: এক হাতে রক্তমাখা কুঠার, অন্য হাতে এক মহিলার কাটা মুণ্ড। আর সেই অবস্থায় রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলেছেন এক প্রৌঢ়। শুক্রবার সকালে এমনই এক পৈশাচিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকল ভারতের পুণে।
ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে রামু চহ্বণ নামে ৫৩ বছরের এক প্রৌঢ়কে। জানা গিয়েছে, মুণ্ডটি রামুর স্ত্রীর। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের সন্দেহ, ওই কুঠার দিয়েই নিজের স্ত্রীকে খুন করেছেন রামু। তবে কী কারণে এই খুন তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
ভিডিওটি দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুন

Share:

কি খেলে আপনার যৌন শক্তি বৃদ্ধি পাবে ?

Feature Image
প্রথম বিষয়টি হচ্ছে “সেক্স বাড়া” বলে কোন বিষয়ের অস্তিত্ব নেই। আপনি কি সেক্সুয়াল চাহিদা বা যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির কথা জানতে চাইছেন? নাকি যৌন সক্ষমতা বৃদ্ধির কথা জানতে চাইছেন? নারি ও পুরুষের যৌন মিলন করাকে আপনি সেক্স করা বলতে পারেন। যৌন মিলনের ইচ্ছা হবে “সেক্সুয়াল চাহিদা” । সেক্সুয়াল চাহিদা বৃদ্ধি করার জন্য কোন খাবার নেই। বা ঔষধ নেই। তবে যৌন উত্তেজনা ও যৌন শক্তি বৃদ্ধি করার কিছু উপায় রয়েছে।
যৌন উত্তেজনা ও যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য আপনি নানান রকম ঔষধ সেবন করতে পারেন। ভ্যায়াগ্রার নাম তো নিশ্চয়ই শুনেছেন? এমন আরও অনেক ঔষধ রয়েছে যা পুরুষের যৌন উত্তেজনা ও যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক। তবে সেগুলো অবশ্যই সেবন করতে হবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। অশাধু ক্যানভাসারদের খপ্পরে পড়ে কিংবা হারবাল মেডিকেল সেন্টারের খপ্পরে পড়ে আজেবাজে হারবাল ঔষধ সেবন করতে যাবেন না কখনোই। এতে লাভ তো হবেই না, উল্টো মারাত্মক ক্ষতি হবে স্বাস্থ্যের!
যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি, যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখা, বীর্যের মান উন্নয়ন, যৌন শক্তি বৃদ্ধি করা ইত্যাদির জন্য কিছু প্রাকৃতিক খাবার অবশ্যই আছে। (নিচের জবাবটি দেখুন) … স্বাস্থ্যকর খাওয়া, ভালো জীবন যাপন আপনার যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখবে। লাল মাংস, ডিম, সবুজ শাকসবজি, ডার্ক চকলেট ইত্যাদি খাবারের সুনাম তো আছেই। সাথে যৌন শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য আদর্শ মনে করা হয় ঝিনুককেও। ফলের মাঝে স্ট্রবেরী, কলা, তরমুজ উপকারী। এছাড়াও নানান রকমের বাদাম (কুমড়োর বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম) , দুধ ও চিনি ছাড়া চা এবং রসুন প্রতিদিন সেব করলে যৌন শক্তি বাড়ে ও যৌন ক্ষমতা ভালো থাকে।
শরীরের বিভিন্ন পুষ্টি পূরণে আমরা প্রতিদিনই অনেক ধরনের খাবার খেয়ে থাকি কিন্তু সবাই জানি কি কোন ধরনের খাবার আমাদের সেক্স বাড়াতে সক্ষম? সাধারণত খাবারে ভিটামিন এবং মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে শরীরে এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় থাকে। আর তা আপনার শরীরে এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের তৈরি হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন সেক্সের ইচ্ছা এবং পারফরমেন্সের জন্য জরুরি। আপনি যৌন মিলনের মুডে আছেন কিনা তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করে আপনার খাদ্য। আসুন জেনে নিই এমন কয়েকটি দৈনন্দিন খাদ্য সম্পর্কে যা আপনার শরীরে সেক্স পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ।
দুধ :
বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগুলিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।
ঝিনুক :
আপনার যৌনজীবন আনন্দময় করে তুলতে ঝিনুক খাদ্য হিসেবে খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌন-ইচ্ছা বাড়ায়। ঝিনুক কাঁচা বা রান্না করে যে অবস্থাতেই খাওয়া হোক, ঝিনুক যৌনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অ্যাসপারাগাস :
আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়াতে চাইলে যেসব প্রাকৃতিক খাবার শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে সেগুলি খাওয়া উচিত। যৌনতার ক্ষেত্রে সবসময় ফিট থাকতে চাইলে অ্যাসপারাগাস খেতে শুরু করুন।
কলিজা :
অনেকেই কলিজা খেতে একদম পছন্দ করে না। কিন্তু আপনার যৌন জীবনে খাদ্য হিসেবে কলিজার প্রভাব ইতিবাচক। কারণ, কলিজায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। আর এই জিঙ্ক শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি পরিমাণে রাখে। যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক শরীরে না থাকলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় না। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে যে হরমোন নিঃসৃত হয় তা টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া জিঙ্ক এর কারণে আরোমেটেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। এই এনজাইমটি অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরোনকে এস্ট্রোজেনে পরিণত হতে সাহায্য করে। এস্ট্রোজেনও আপনার যৌনতার জন্য প্রয়োজনীয় একটি হরমোন।
ডিম :
ডিম সেদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সব ভাবেই ডিম যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখুন। এতে আপনার শরীর শক্তি পাবে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
রঙিন ফল
যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের মেডিকেল টিমের গবেষণা অনুযায়ী একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। আবার টেক্সাসের A&M ইউনিভার্সিটির মতে তরমুজ শরীরে যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। তারা যৌন উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।
মিষ্টি আলু :
মিষ্টি আলু শুধু শর্করার ভালো বিকল্পই না, মিষ্টি আলু খুব ভালো ধরনের একটি ‘সেক্স’ ফুড। আপনার শরীর কোনো সবজিতে বিটা-ক্যারোটিন পেলে তা ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত করে। এই ভিটামিন-এ নারীদের যোনি এবং ইউটেরাসের আকার ভালো রাখে। তাছাড়া এটা সেক্স হরমোন তৈরিতেও সহায়তা করে।
কফি :
কফি আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার যৌনতার মুড ঠিক রাখে।
ডার্ক চকোলেট
ডার্ক চকোলেটে আছে ফেনিলেথ্যালামাইন নামক একটি উপাদান যা শরীরে বাড়তি যৌন উদ্দীপনা তৈরী করে। গবেষণায় জানা গেছে যে ডার্ক চকোলেট খেলে সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণবোধও বেড়ে যায়। এছাড়াও ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই প্রতিদিন শতকরা ৭০ ভাগ কোকোযুক্ত ডার্ক চকোলেটের ২ ইঞ্চির একটি টুকরো খেয়ে নিন। মাত্র ১০০ ক্যালরী আছে এই আকৃতির একটি টুকরোতে যা আপনার যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
ট্রাফল (এক ধরনের ছত্রাক) :
ট্রাফলে পুরুষের যৌন হরমোনের মত একধরনের উপাদান থাকে। কিছু কিছু খাবারে ট্রাফলের এই বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। যার ফলে, নারীদের পুরুষের প্রতি লিবিডো বা যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায়। যেমন ম্যাশড পটেটোতে ট্রাফলের ব্যবহার করা হয়।
জয়ফল :
ভারতীয় গবেষকদের মতে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।
তৈলাক্ত মাছ
তৈলাক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড DHA O EPA শরীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরন হয়। ফলে যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
গরুর মাংস :
কলিজার মত গরুর মাংসেও প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি যৌন জীবনকে আরো আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।
অ্যাভোকাডো :
অ্যাভোকাডোকে এর আকৃতির কারণে একে নারী ফল হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। তবে শুধু এর আকৃতিই আকর্ষণীয় না, এতে প্রচুর ভিটামিন বি-সিক্স এবং পটাসিয়াম থাকে। এর ফলে এটা খেলে আপনার যৌন ইচ্ছা এবংযৌন সামর্থ্য বৃদ্ধি পায়। এই ফলের এই নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যটির কারণে একে স্প্যানিশ প্রিস্টরা নিষিদ্ধ করেছিল।
ওটমীল :
ওটমিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। যেসব দানাজাতীয় শশ্যে আবরণ থাকে তাদের মধ্যে এই গুণটি রয়েছে। যেমন গম, চাল, রাই ইত্যাদি। ফাইটোস্ট্রজেন আপনার যৌন জীবনের জন্য খুবই কার্যকরী।
পালং শাক ও অন্যান্য সবজি
পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। জাপানের গবেষকদের মতে শরীরে রক্ত চলাচল বাড়লে যৌন উদ্দীপনাও বাড়ে। পালং শাক ও অন্যান্য বিভিন্ন রকম শাক,ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি এগুলোতে রয়েছে ফলেট, ভিটামিন বি সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান।
বাদাম ও বিভিন্ন বীজ
কুমড়োর বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এবং এগুলো শরীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরী করে। সেক্স হরমোন গুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য এই কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে আপনার যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। শিমের বীচিতে প্রচুর ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। এটা আপনার যৌন ইচ্ছা এবং যৌন সামর্থ্য বাড়ায়। জাপানিরা যৌন ইচ্ছা বাড়ানোর জন্য খাবারে প্রচুর শিমের বীচি ব্যবহার করে থাকে। চীনা বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। এই জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শক্তিশালী শুক্রাণু তৈরি করে। জিঙ্ক কম থাকলে শরীরে শতকরা ৩০ ভাগ কম বীর্য তৈরি হয়। যারা খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে কম জিঙ্ক গ্রহণ করে তাদের বীর্য এবং টেস্টোস্টেরনের ঘনত্ব দুটিই কমে যায়। ওটমিল এবং কুমড়ার বীচির মত সূর্যমুখীর বীজ হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে আপনার যৌন আকাঙ্ক্ষাও বাড়ে। সূর্যমূখীর বীজে যে তেল থাকে তা এই কাজটি করে। কুমড়ার বীচি জিঙ্ক-এর অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক উৎস। এই জিঙ্ক টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা বাড়ায়। আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে কুমড়ার বীচির কার্যকারিতা অনেক।
Share:

বিয়ে করলেন লাক্স তারকা চৈতী



10-10-2015- Choity
কথা অনুযায়ী বিয়ে করলেন ২০০৮ সালের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ইশরাত জাহান চৈতি। পাত্র শাওন রয় যুবরাজ পেশায় ব্যবসায়ী। তার সঙ্গে তিনি রাজনীতিও করেন। এছাড়া তিনি ত্রিমাত্রিক ও গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেন। গত ৮ অক্টোবর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এই লাক্স তারকা। এর আগে এ বছরের ৬ আগষ্ট বৃহস্পতিবার রাজধানীর শান্তিনগরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়েছিল। ওই সময়ে দুই পরিবারের কয়েকজন সদস্য ও তাদের স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন। গত ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার, চৈতি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে ‘মেরিড টু শাওন রয়’ লেখেন। তার বর শাওন রায়ের সঙ্গে নিজের একটি ছবিও পোস্ট করেন তিনি ফেসবুকে। এ সময়ে তাদের দুজনের গলায় মালা পড়া ছিল।
Share:

সৌদিতে শিরশ্ছেদ থেকে বাঁচলেন বাংলাদেশের লিটন

2015_10_10_18_10_58_gczRYvXDqIEk3gqEi2bYUv0nyHcyoh_original
নিজের ভাগ্য বদলাতে মা-বাবাকে ছেড়ে দূর দেশ সৌদি আরব গিয়েছিলেন মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার গোসাইচর গ্রামের মো. লিটন জহির উদ্দিন (২৫)। কয়েকবছর সেখানে থাকার পর এক ভারতীয় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে সৌদি শরিয়াহ আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল লিটনকে। মৃত্যুদণ্ডের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পরও নাটকীয়ভাবে সে দণ্ডের হাত থেকে বেঁচে গেছেন তিনি। তবে তাকে কারাবাস করতে হবে ১০ বছর।

বাংলাদেশের জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, লিটনের এই বেঁচে যাওয়ার পুরো কৃতিত্ব প্রথমত তার মা মোছা. জাহানারা বেগম ও বাবা মো. জহির উদ্দিনের এবং দ্বিতীয়ত সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের।
জানা গেছে, নিজের মুখে অপরাধের কথা স্বীকার করার কারণে তার পক্ষে লড়তে অপারগতা প্রকাশ করেছিলেন আইনজীবীরা।  সেই সঙ্গে শেষ হয়েছিল রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়ও। ফলে লিটনের দণ্ড কার্যকর সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
লিটনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ৭ জুন সৌদি আরবের মোরাব্বা এলাকার আব্দুর রহিম আব্দুল্লাহ আল গামদির বাসার ভাড়াটিয়া ময়েজ উদ্দিনের স্ত্রী আসমা বেগম (৩১) বাসায় একা ছিলেন। লিটন ময়েজের বাসায় ঢুকে আসমার হাত বেঁধে ফেলেন এবং তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ শেষে ছয় হাজার সৌদি রিয়াল, পাঁচ হাজারের মতো ভারতীয় রুপী, দুটি সোনার চেইন এবং একটি মোবাইল চুরি করে পালিয়ে যান তিনি।  পরে এসব অভিযোগে মোরাব্বা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন লিটন।
বিএমইটি সূত্রে জানা যায়, লিটনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শরিয়াহ আদালতের সম্মলিত বোর্ড  লিটনের মৃত্যদণ্ডের রায় প্রদান করে। ২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর সেই রায় পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আদালতে লিটন তার ডাকাতি ও ধর্ষণের অভিযোগ স্বীকার করেছেন। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ ছিল। কিন্তু তিনি নির্দিষ্ট সময়ে আপিল করতে পারেননি। এমনকি তার মামলা পরিচালনার জন্য যে আইনজীবী কাগজপত্র সংগ্রহ করেছিলেন, তিনিও পরে মামলা লড়তে অপরাগতা প্রকাশ করেন।  আর এসব ঘটনায় মৃত্যদণ্ড কার্যকর এক রকমের নিশ্চিতই হয়ে গিয়েছিল।
২০১১ সালের ৩ নভেম্বর এসব ঘটনা জানতে পেরে লিটনের মা জাহানার বেগম সরাসরি দূতাবাসে আবেদন করেন। সেখানে তার মা বলেন, ‘আমার ছেলে দীর্ঘদিন সৌদি আরবে কর্মরত আছে। আমি লোক মারফত জানতে পারলাম একজন ভারতীয় নারী উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে আমার ছেলে বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে। যে মামলায় তার বিরুদ্ধে মৃত্যদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু ওই ভারতীয় নারী মামলার করার পর থেকে নিরুদ্দেশ। বর্তমানে আমার ছেলে মালাজ সেন্ট্রাল জেলের ৪ নম্বর রুমে আছে। তার দণ্ড মওকুফ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি।’
এরপর ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি লিটনের মৃত্যদণ্ডের রায়ের কপিও পাঠানো হয়েছিল কারাগারে। তাই যেকোন সময় এ রায় কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জনশক্তি ব্যুরো ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার মায়ের আবেদনপত্র পাওয়ার পর ২০১২ সালের মার্চ মাসের দিকে এই দণ্ডের বিষয়টি দূতাবাসের নজরে আনে। তখন দূতাবাস থেকে সৌদিতে থাকা লিটনের আত্মীয়-স্বজন ও সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে সেই রায়ের কপিসহ রিয়াদের সৌদি  ল’ ফার্ম মেসার্স আল খোরাইজির সঙ্গ পরামর্শ করা হয়। ওই ফার্মের আইনজীবী আবু আব্দুল্লাহ আল খোরাইজি মামলার যাবতীয় কাগজপত্র ও রায় পর্যবেক্ষণ করেন। ওই আইনজীবীও জানান, অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির কারণে এ মামলার রায়ের বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য রাখার সুযোগ নেই। তাছাড়া আপিল আবেদন করার সময় না থাকায় আপিলও করা যাবে না।
কিন্তু থেমে থাকেননি লিটনের মা মোছা. জাহানারা বেগম। ২০১২ সালেই বিএমইটির মাধ্যমে সরাসরি সৌদি আরবের শরিয়াহ আদালতে ছেলেন প্রাণ ভিক্ষা চান তিনি। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল আবেদনের আবারও সুযোগ করে দেন সৌদি আদালত। তখন দূতাবাসের উদ্যোগে ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট আপিল গ্রহণের শুনানি হয়। সেই শুনানিতে দূতাবাসের প্রতিনিধি হিসেবে প্রথম সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং অনুবাদক এসএম দোহা উপস্থিত ছিলেন। পরে দূতাবাসের মাধ্যমে লিটনের লিখিত বক্তব্যের আপিলটি কোর্টে গৃহীত হয়। পরে তার বক্তব্য পর্যালোচনা করে ১৭ আগস্ট আপিলের রায় দেয়া হয়। আপিলের রায়ে মৃত্যদণ্ডের পরিবর্তে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। আর এভাবে মৃত্যদণ্ডের হাত থেকে বেঁচে গেলেন লিটন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএমইটির এক কর্মকর্তা বলেন, সৌদি আরবের শরিয়াহ আইনের মৃত্যদণ্ড থেকে সাধারণত কেউ বেঁচে আসতে পারে না। লিটনের বিষয়টা বিরল ঘটনা। তবে এটা তার মায়ের কারণেই হয়েছে বলে আমি মনে করি। কেননা, তার মা যদি ‘ইনফর্ম’ না করতেন, তাহলে আমরা এ বিষয়ে জানতামই না। দূতাবাসও হয়তো জানতো মৃত্যদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর। এই সাজা পরিবর্তনের জন্য সেখানকার দূতাবাসের কর্মকর্তারা অনেক পরিশ্রম করেছেন, এটাও বলতেই হবে।
Share:

দারিদ্রের কষাঘাতে নিজের সম্ভ্রম বিলিয়ে দিচ্ছেন কলেজ ছাত্রীরা!


দারিদ্রের কষাঘাতে নিজের সম্ভ্রম বিলিয়ে দিচ্ছেন কলেজ ছাত্রীরা!
পাঠক, খবরের শিরোনামটি পড়ে নিশ্চই অবাক হয়ে গেছেন। এটা অবাক হওয়ার মত ঘটনাও বটে। কিন্তু পাঠক, অবাক করার মতো হলেও ঘটনাটি সত্যি। চমকে দেয়ার মতো খবর হলো এখনও ভারতের নাগপুরের নিকটবর্তী এলাকা ওয়াদি, হিংনা, কালমেশ্বর, কলেজটি থেকে হাজার মেয়েরা পড়াশোনা বা কাজের খোঁজে এসে নিজেদের বিলিয়ে দিচ্ছেন টাকার জন্য।
পড়াশুনা করতে এসে ভারতের শহরগুলোতে নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দিচ্ছে হাজার হাজার মেয়ে। কেউ অভাবের কারণে আবার কেউবা স্বভাবের কারণে অর্থের জন্য বিলিয়ে দিচ্ছে নিজের সম্ভ্রম। এদের অধিকাংশই দরিদ্র পরিবারের সন্তান। কেউ বা শখের বসেও নামছেন এ কাজে। তবে বেশিরভাগই দারিদ্রের কষাঘাতে বিলিয়ে দিচ্ছে নিজের সম্ভ্রম। বাজারে বিকিয়ে দিচ্ছে কুমারিত্ব।
বেশির ভাগ মেয়েরাই দুই রকম জীবন-যাপন করেন। তারা তাদের পরিবারকে বোঝাতে চেষ্টা করেন যে, নাগপুর তাদের স্বপ্নের ঠিকানা। ভরসা পেগেল নামে একটি এনজিওর ম্যানেজার পতিতাপল্লীর বাইরের যৌনকর্মীদের জন্য এইডস নিয়ে কাজ করছেন। তিনি জানান, বেশির ভাগ মেয়েরা ১৮থেকে ২৫ বছর বয়সী। তারা সবাই গরীব পরিবার থেকে এসেছে তা নয়। অনেকে আছেন, সম্ভ্রান্ত মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য। তারা পড়াশোনার পাশাপাশি বেশি আয়ের জন্য রাতে বেশ্যাবৃত্তির পথ বেছে নিয়েছে। এদের মধ্যে নার্সিং, আর্টস, কমার্স, ও বিজ্ঞানের ছাত্রীও আছে। আমরা তাদেরকে পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করছি।
ভরসা আরো জানান, এই শিক্ষার্থীরা যেহেতু অল্প বয়সী তাই তারা খদ্দেরের কাছ থেকে ভাল টাকা পায়। তারা এটা সরাসরি খদ্দেরের কাছ থেকে নেয় অথবা তাদের দালালের মাধ্যমে নেয়। তারা প্রতিরাতে ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার রুপি পর্যন্ত পেয়ে থাকে। আর ঘন্টায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার রুপি। পুরোটাই নির্ভর করে খদ্দেরের উপরে। তারা গড়ে সপ্তাহে দুই এই খেপ দিয়ে থাকে।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই অর্থের একটা অংশ তাদের পরিবারের কাছে যায়। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তারা দামী মোবাইল সেট, দামী মেক-আপ সেট, কাপড়-চোপড় ইত্যাদির পেছনে খরচ করে। এবং এই মেয়েদের সবাই মাছের মত মদ্যপানে অভ্যস্ত। ভরসা জানান, আমাদের ডাটাবেজে ৩ হাজারের মতো পতিতাপল্লীর বাইরের যৌনকর্মী রয়েছে এবং এদের ৭০ শতাংশই এই শিক্ষার্থীরা। অভিভাবকরা অনেকেই তাদের সন্তানদের এই জীবন সম্পর্কে কিছুই জানেন না
Share:

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Recent Posts

Unordered List

Definition List