রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৫

ঢাকা ডাইনামাইটসের অধিনায়ক হচ্ছেন বিদেশি ক্রিকেটার

ঢাকা ডাইনামাইটসের অধিনায়ক হচ্ছেন বিদেশি ক্রিকেটার

ঢাকা ডাইনামাইটসের অধিনায়ক হচ্ছেন বিদেশি ক্রিকেটার
স্পোর্টস ডেস্ক: প্লেয়ার্স ড্রাফটে লটারি ভাগ্যটা সহায় হয়নি ঢাকা ডায়নামাইটসের। পছন্দের সেরা ক্রিকেটার সংগ্রহ করতে না পারলেও যথেষ্ট ভালো দল গড়েছে তারা। আর প্রতিপক্ষকে টেক্কা দিতে শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তী সাঙ্গাকারার হাতে অধিনায়কত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন দলটি। শুক্রবার দলটির কারিগরি উপদেষ্টা খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, এতোদিন ও (সাঙ্গাকারা) চাপ নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছে। তাই আমরা চাই এবার বিপিএলেও সেই চাপটা থাকুক ওর ওপরই। এদিকে দলটি কোচ নিয়োগ দিয়েছে দ.আফ্রিকার সাবেক প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার এবং অস্ট্রেলিয়া ও দ.আফ্রিকার সাবেক কোচ মিকি আর্থারকে। ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার হাই প্রোফাইল এই কোচকে পেয়ে দারুন উচ্ছ্বসিত ঢাকা ডায়নামাইটস। ঢাকা ডায়নামাইটস দল : কুমার সাঙ্গাকারা (শ্রীলঙ্কা), মোহাম্মদ ইরফান, নাসির জামশেদ, সোহেল খান, শাহজিব হাসান (পাকিস্তান), ডেভিড মালান (ইংল্যান্ড) ও রায়ান টেন ডয়েসকাট (নেদারল্যান্ড), নাসির হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, মোশাররফ হোসেন রুবেল, মোসাদ্দেক হোসেন, শামসুর রহমান, সৈকত আলী, ফরহাদ রেজা, নাবিল সামাদ, আবুল হাসান, ইরফান শুক্কুর। ২৫ অক্টোবর,২০১৫/এমটি নিউজ২৪/আল-আমিন/এএস
Share:

জেনে নিন কোন রাশির মানুষেরা সবসময় বিজয়ী হয়


জেনে নিন কোন রাশির মানুষেরা সবসময় বিজয়ী হয় রাশি নিয়ে অনেক মানুষের মাঝে বিভিন্ন জল্পনা-কল্পনা প্রায়ই বিরাজ করে। সবার মাঝে এ বিষয় নিয়ে উৎসুক থাকতে দেখা যায়। ১২ টি রাশির ভিন্ন ভিন্ন প্রতীক ও কাহিনী রয়েছে। তবে একটি রাশি এমন রয়েছে যা মানুষকে বিজয়ী হতে সাহায্য করে।
শাহরুখ খান, ঐশ্বরিয়াসহ আরও কিছু গুণী ব্যক্তি রয়েছে যারা বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকা। তারা জীবনে সবসময় জয়ী হবার চেতনায় সামনের দিকে এগিয়ে যায়। তাদের মাথায় জয়ের মুকুট থাকার কিছু কারণ নিয়ে আজ আলোচনা করা হল-
১. বৃশ্চিক রাশির মানুষেরা নিজেকে উৎসর্গ করতে ভালবাসেন। তারা অনুভব থেকে যে কোন কাজ করতে পছন্দ করেন। যে কাজের সাথে তাদের অনুভূতির কোন সংযোগ হয় না, সে কাজ তারা করেন না বা করতে পছন্দ করেন না।
২. হেরে যাওয়া শব্দটি মনে হয় বৃশ্চিক রাশির মানুষের ডিকশনারিতে নেই। তারা যে কোন কিছু করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন। যার ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা সফল হন।
৩. এই রাশির জাতক-জাতিকারা অনেক বেশি স্বাধীনচেতা হয়ে থাকে। তারা তাদের কাজের জন্য অন্যের উপর ভরসা করে বসে থাকেন না। তারা তাদের নিজের মত করে সকল কাজ সম্পাদন করতে পছন্দ করেন।
৪. তারা কোন কাজ করতে ভয় পান না। তারা সামনে থেকে নেতৃত্বদানেও অনেক আগ্রহী। তারা তাদের সকল কাজ দায়িত্বের সাথে পালন করেন।
৫. তারা অনুগত্যের সমার্থক। তারা সকল সম্পর্কে সততার পরিচয় পরিবহন করেন। হোক তা পরিবারের সাথে সম্পর্ক, বন্ধুদের সাথে বা নিজের জীবন সাথীর সাথে।
৬. আপনি যদি কখনও এই জাতির রাশির সাথে চ্যালেঞ্জ করার সাহস করেন, তাহলে আপনার জয়ের জন্য অনেক বেশি চেষ্টা করতে হবে। কারণ, তারা তাদের শত্রুদের সবসময় পর্যবেক্ষণে রাখেন।
৭. যারা এই রাশির মানুষের যে কোন ভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেন, তাদের প্রতি তারা সবসময় হৃদয়বান থাকেন। অর্থাৎ, সাহায্যকারীর যে কোন খারাপ সময়ে বৃশ্চিক রাশির মানুষ অবশ্যই সাহায্য সহযোগিতা করেন।
৮. বন্ধুদের জন্য তারা অনেক কিছু করতে পারেন। আপনি রাতের যে কোন প্রহরে সাহায্যের জন্য তাকে মাত্র একবার খবর দিলে সে আপনার দ্বারপ্রান্তে এসে হাজীর হয়ে যাবে।
৯. সঙ্গীকে ভালবাসার ক্ষেত্রেও তারা অতুলনীয়। তারা কখনও তাদের ভালবাসা প্রকাশের কোন উপায় হাতছাড়া করেন না। তারা তাদের সত্যিকার ভালবাসা সবসময় প্রকাশ করতে ভালবাসেন।
১০. এই রাশির জাতক-জাতিকারা খুব দ্রুত যে কোন বিষয় বুঝতে পারেন। তাই খুব অল্প কথায় আপনি তাদের যে কোন বিষয় বুঝাতে পারবেন। আপনি কখনও তাদের সাথে সময় অতিবাহিত করলে বিরক্ত হবেন না। তারা মানুষের সাথে খুব ভালভাবে মিশতে পারেন।

Share:

কবর থেকে নারীর লাশ তুলে গণধর্ষণ!


কবর থেকে নারীর লাশ তুলে গণধর্ষণ! আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কবরেও সুরক্ষিত নয় মেয়েরা! যদিও ভারতে গণধর্ষণের ঘটনা নতুন কিছু নয়। কিন্তু তাই বলে কবর থেকে তুলে মৃতদেহের সঙ্গে সেক্স! হ্যাঁ, সভ্যতার নিষ্ঠুরতম এই ঘটনাটিও ঘটেছে ভারতেই।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় সংবাদপত্র আনন্দবাজার লিখেছে, এদেশে (ভারত) কবরেও সুরক্ষিত নয় মেয়েরা। সেখানেও তাদের তাড়া করে বেড়ায় পুরুষদের বিকৃত যৌন লালসা। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ জেলার তহলকা গ্রামে কবর থেকে নারীর দেহ তুলে গণধর্ষণ করল তিন দুষ্কৃতী।
ঘটনার তিন দিন আগে সন্তানের জন্ম দিতে গিয়ে মৃত্যু হয় ২৬ বছরের ওই নারীর। ঘটনার দিন কবর থেকে ২০ ফুট দূরে তাঁর বিবস্ত্র মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরে তারা স্থানীয় পুলিশকে খবর দেন।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা দায়ের করা হবে তা নিয়ে দ্বিধাদন্দে পুলিশ। ভারতীয় দণ্ডবিধিতে মৃহদেহের সঙ্গে যৌন মিলন বলে স্পষ্টভাবে কোন কিছুর উল্লেখ না থাকায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ২৯৭ ধারায় (কবরে অবৈধ খনন) মামলা করা হতে পারে।
এ ছাড়াও দায়ের হতে পারে ৩৭৭ ধারাও (অস্বাভাবিক সঙ্গম) এর মামলা।

Share:

শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৫

ছেলেটির কাছে আমি নিজের বিয়ের কথা বলিনি, সে বয়সে ছোট…


আমি একজন বিবাহিতা রমণী । আমার স্বামী বিয়ের পর থেকে আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে আসছে, আমার গায়ে অনেক সময় হাত তুলতো, আমাকে বাসা থেকে বের করে দিতে চাইতো, কিন্তু আমি বের হতাম না। সে আমাকে কোন খরচাপাতি দিতো না । আমার সকল কিছু আমার বাবার বাসা থেকে আনতে হতো কিংবা নিজের টাকা দিয়ে কিনে নিতে হতো এবং এখনো নিজেরটা দিয়েই নিজেকে চলতে হয়।
আমার বিয়ের চার বছর পর আমি কনসিভ করি কিন্তু আমার স্বামী বাচ্চা নিতে রাজি ছিলেন না, পরে সে আমাকে গর্ভপাত করানোর জন্য ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়, আমার গর্ভপাত করানো হয়। এরপর আমরা বছর দুই একসাথে থাকার পর দীর্ঘ চার বছর যাবত আলাদা থাকি।

বাবার বাসায় থেকে পড়াশোনা করে একটা ভালো চাকরি পাই। আমার চাকরি দেখে স্বামী আমাকে আবার তার বাসায় নেয় এবং এক বছর যাবত মোটামুটি ভাবে তার সাথে সংসার করছি। সে বা তার পরিবার আগের মতো অত্যাচার না করলেও অনেক সময় খারাপ ব্যবহার করে। আমার স্বামী এখনো আমাকে কথায় কথায় বলে চলে যেতে। এমতাবস্থায়, আমার যাতে বাচ্চা হয় সেটা আমার স্বামী ও তার পরিবার চায়।
আমি পূর্বে কনসিভ করি সেই বাচ্চাটার কথা এখনো ভুলতে পারিনি, মনে হলে অনেক কষ্ট লাগে। আর আমার স্বামীও এক মাস পর পর আমার সাথে মিলিত হয় । এমতাবস্থায় আমার বাচ্চা হচ্ছে না।
ইতিপূর্বে আমার সাথে একটি ছেলের পরিচয় হয়। তার কাছে আমার বিয়ের কথা বলিনি। সে বলে সে আমাকে ভালোবাসে। আমিও তাকে ভালোবাসি। সে আমার চেয়ে বয়সে অনেক ছোট, মাস্টার্স করছে। তার সাথে আমার তেমন যোগাযোগ হয় না, একদিন দুই দিন দেখা করেছিলাম। ফেসবুকে ও ফোনে মাঝে মাঝে কথা হয়। সে ফেসবুকে জানতে চায় আমি রাতে কি পরে ঘুমাই , সে আরো বলে যে, আমি নাকি সেক্সি গার্ল ।
Share:

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করুন মাত্র ৩০ দিনে

সারা বিশ্বে ডায়াবেটিস একটি বড় সমস্যা। ডায়াবেটিস হলে ওষুধের পাশাপাশি খাওয়াদাওয়ার মাধ্যমে শরীরের শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো শরীরের শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখে এবং ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
এই স্বাস্থ্যকর খাবারগুলো প্রতিদিন খাওয়া প্রাকৃতিকভাবেই ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করে। এগুলো ৩০ দিনের মধ্যে ডায়াবেটিস কমাতে বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে খাবারগুলোর কথা।

কাঠবাদাম –

কাঠবাদাম ডায়াবেটিক রোগীর জন্য পরম বন্ধু। এই খাবারে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ আঁশ এবং প্রোটিন; যা ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করে ৩০ দিনে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

গ্রিন টি –

গ্রিন টির মধ্যে রয়েছে ফিটোনিউট্রিয়েন্টস যেমন : ক্যাটাচিন এবং ট্যানিন্স। এগুলো রক্তের শর্করার ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে। তাই দিনে দুই বেলা গ্রিন টি পান করলে ৩০ দিনে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

আপেল –

বলা হয়, প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়া রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। এটি রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ডায়াবেটিস কমাতে কাজ করে। এ ছাড়া এটি কোলেস্টেরলও কমায়।

গাজর –

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে গাজর অন্যতম একটি খাবার। এর মধ্যে রয়েছে বেটা কেরোটিন। এই কমলা রঙের সবজিটিতে কম পরিমাণ শর্করা রয়েছে, যা শরীরের ইনসুলিনের মাত্রাকে ঠিক রাখতে বেশ কার্যকর।

মাছ –

ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিডসমৃদ্ধ মাছ খাওয়া ডায়াবেটিসের জন্য ভালো। এটা ইনসুলিনের মাত্রা কমায়। সপ্তাহে অন্তত দুদিন এই জাতীয় মাছ খেতে হবে।

জলপাইয়ের তেল –

বর্তমানে অনেকেই রান্নায় জলপাইয়ের তেল ব্যবহার করেন। এর মধ্যে রয়েছে ভালো মানের চর্বি; যেটা ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত জলপাইয়ের তেল খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

সাইট্রাস ফুড –

সাইট্রাস খাবারের মধ্যে কমলা অন্যতম। এর মধ্যে থাকা ফিটোনিউট্রিয়েন্টস ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করে। এ ছাড়া কমলার মধ্যে রয়েছে ফ্ল্যাবোনয়েডস, ক্যারোটিনয়েডস, টারপিন, প্যাকটিনস ইত্যাদি। এগুলো শরীরের জন্য বেশ উপকারী।

ওটস –

ওটসের মধ্যে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট; যা রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই নিয়ম করে ৩০ দিন ওটস খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসবে।
Share:

চীনে খাওয়া হচ্ছে মানব ভ্রূণ, তৈরি হচ্ছে মৃত বাচ্চার স্যুপ!

চরম ঘৃণিত এই কাজের খবর ইন্টারনেট ও ইমেইলের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা পুরো বিশ্বকে হতবিহবল করে দিয়েছে।
২০১৩ সালের ২৫ জুলাই দক্ষিণ কোরিয়ার ‘সিউল টাইমস’ এ একটি ইমেইল আসে যাতে ছিল বেশ কিছু ছবি।
এ ভয়াবহ, বীভৎস ও আতঙ্ক সৃষ্টিকারী ছবিগুলোতে দেখা যায় মৃত শিশু ও নির্দিষ্ট সময়ের আগেই গর্ভপাত ঘটানো অপূর্ণাঙ্গ ভ্রুন বা ফিটাসের স্যুপ তৈরি করা হচ্ছে মানুষের খাবার জন্য!
চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ ক্যানটন বা গুয়াংডন এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
জানা গেল সেখানকার পুরুষরা তাদের শারীরিকস্বাস্থ্য ও যৌন শক্তি বাড়ানোর জন্য ভেষজ শিশু স্যুপ (herbal baby soup) খেয়ে থাকে!
এরকম অবস্থায় জানা গেল আরেক ঘটনা। চীনের এক দম্পতির ইতোমধ্যেই একটি কন্যাসন্তান ছিল। মহিলাটি সন্তান-সম্ভবা ছিলেন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারলেন তার দ্বিতীয় সন্তানটিও মেয়ে হতে যাচ্ছে। ততদিনে তার গর্ভস্থ সন্তানের বয়স ৫ মাস। তিনি ও তার স্বামী গর্ভপাত করানোর সিদ্ধান্ত নেন। স্বাভাবিকভাবে কোন শিশু যদি ভূমিষ্ঠ হবার আগেই মারা যায় তবে তাতে ২০০০ ইউয়ান খরচ হয়, সেখানে গর্ভপাত করাতে খরচ হয় মাত্র কয়েকশো ইউয়ান। তবে যারা মৃত শিশু বিক্রি করতে চান না, তারা প্লাসেন্টা বা অমরা বিক্রি করতে পারেন ইচ্ছা করলে।
একজন স্থানীয় সাংবাদিকের মতে, এই সমস্যার উৎপত্তি মূলত হয়েছে চীনাদের মাত্রাতিরিক্ত স্বাস্থ্যসচেতনতার কারণে। এছাড়া অনেকের মতে, চীন সরকার জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ‘এক সন্তান নীতি” চালু করেছিল। আর এ হতভাগ্য শিশুগুলো এই নীতিরই নির্মম শিকার।
এছাড়া চীনের অধিকাংশ পরিবার মেয়ে সন্তান নয়, ছেলে সন্তান আশা করে। গরীব পরিবারগুলো তাদের মেয়ে শিশুদের বিক্রি করে দেয় অর্থের আশায়। চরম ঘৃণিত “বেবি স্যুপ” এর উদ্ভব এই মানসিকতা থেকেই।
তাইওয়ানে মৃত শিশুরা ৭০ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয় গ্রিল করা ‘রুচিকর’ (?) খাবার হিসেবে!
হং কং থেকে প্রকাশিত NEXT সাপ্তাহিক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনে শিশুদের মৃতদেহ কিংবা ভ্রূণ স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য রক্ষার নতুন উপকরণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এছাড়া প্লাসেন্টা বা অমরাকে সুস্বাদু খাবার হিসেবে খাওয়া হয়।
এমনকি গুয়াংডনে হাসপাতালগুলোর মাধ্যমেই অনেক সময় এসব অঙ্গ কেনাবেচা হয় ও এগুলোর চাহিদা আকাশচুম্বী।
ম্যাগাজিনের অনুসন্ধানী প্রতিনিধিরা এগিয়ে যেতে থাকেন।
নরমাংস ভক্ষণের নতুন এই রীতি তাদেরকে নিয়ে যায় চীনের আরেক প্রদেশ লিয়াওনিং-এ।
ম্যাগাজিনটির মতে, লিয়াওনিং এর একজন তাইওয়ানীজ ব্যবসায়ী একটি ভোজসভা আয়োজন করেন। তার একজন গৃহপরিচারিকা ছিল যাকে সবাই মিস লিউ নামেই চিনতো। মিস লিউ ছিলেন লিয়াওনিং এর স্থানীয় অধিবাসী। ভোজের দিন অসাবধানতাবশত তার মানব শিশু ভক্ষণের বিষয়টি প্রকাশ পেয়ে যায়। ভোজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত তাইওয়ানীজ মহিলারা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন। মিস লিউ পরে এও বলেন, অনেক মানুষই মানবশিশু খেতে আগ্রহী, তবে চাহিদা অনেক বেশি। যাদের ক্ষমতা অনেক বেশি তারাই কেবল সবচেয়ে “ভালো জিনিস” পায়। সাধারণভাবে ছেলে শিশু ভ্রূণকে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট বলে ধরা হয়।
প্রতিবেদকের অনুরোধে মিস লিউ কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে প্রতিবেদককে সেই জায়গায় নিয়ে যান যেখানে মানব ভ্রূণ রান্না করা হয়। তিনি দেখলেন, একজন মহিলা একটি ছুরি দিয়ে ছেলে শিশু ভ্রূণ কেটে কুচি কুচি করছেন ও সেটি দিয়ে স্যুপ তৈরি করছেন। আর আশেপাশে মানুষকে এই বলে আশ্বস্ত করছেন যে, ভয় পাবার কিছু নেই, এটি “প্রাণীর মাংস”। অনেক চীনাদের কাছে মানব ভ্রূণ ভক্ষণ করা নাকি এক ধরণের শিল্প!
২২ মার্চ, ২০০৩। গুয়াংজি প্রদেশের বিংইয়ন পুলিশ একটি ট্রাক থেকে ২৮ টি মেয়ে শিশুকে উদ্ধার করে, যাদেরকে পাচার করা হচ্ছিলো আনহুই প্রদেশে।শিশুগুলোর মাঝে সবচেয়ে বড় বাচ্চাটির বয়স ছিল মাত্র তিন মাস। তিন-চারটি শিশুকে একটি একটি করে ব্যাগে ঢোকানো হয়। উদ্ধারের সময় শিশুগুলো
প্রায় মরণাপন্ন অবস্থায় ছিল। ৯ অক্টোবর, ২০০৪ এর সকালবেলা। সুজহৌ এলাকার জিউকুয়ান শহরের একজন ব্যক্তি আবর্জনা পরিষ্কারের সময় বেশ কিছু ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন শিশুদের দেহ আবিষ্কার করেন। দুটি মাথা, ছয়টি পা, চারটি হাত, দুটি ধর পাওয়া গেল।
তদন্তে জানা গেল, শিশুগুলোর মাত্রই ভূমিষ্ঠ হয়েছিল, এদের বয়স হয়েছিল ১ সপ্তাহ ও রান্নার পরে খাওয়ার পর হাত-পা গুলো উচ্ছিষ্ট হিসেবে ফেলে দেয়া হয় ডাস্টবিনে।যদিও মানব ভ্রূণ খাওয়া নিষিদ্ধ করে চীনে কঠোর আইন চালু আছে, কিন্তু একইসাথে চীনের ‘এক সন্তান’ নীতি অনেক দম্পতিকে অকালে গর্ভপাত ঘটাতে বাধ্য করে, যেগুলোর সুযোগ নিচ্ছে একদল জঘন্য মানুষ।
এছাড়া মাও সেতুং এর ‘সাংস্কৃতিক বিপ্লব’ কিছু ক্ষেত্রে চরমপন্থী রূপ ধারণ করে, যার ফলে চীনের অনেকের মাঝেই নৈতিকতা ও মানুষের জীবনের প্রতি সম্মান দেখানোর প্রবণতা কমে গিয়েছে।
গ্লোবাল রিপোর্টারস ভিয়েনার তাই জরুরী আহবান, “নরমাংস ভক্ষণকে ‘না’ বলুন ও সেইসব শিশুদের জীবন বাঁচাতে
এগিয়ে আসুন।
এটা কোন বিষয় নয় আপনি বিশ্বের কোন প্রান্তে আছেন।কিন্তু এই তথ্যটি প্রকাশ করে হয়তো সেই সব নিষ্পাপ শিশুদের বাঁচাতে পারবেন যারা হয়তো নির্মম ও জঘন্য হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে যাচ্ছে।“ যদিও অনেকেই এটিকে নিছক ‘গুজব’ বলে মনে করছেন। যাবতীয় তথ্যের লিঙ্ক দিয়ে দেয়া হলো। সত্য-মিথ্যা নির্ণয় পাঠকের বিবেচনা।
Share:

ডিম সেদ্ধ করার বৈজ্ঞানিক উপায়টি জানালেন শেফ


ডিম সেদ্ধ করার বৈজ্ঞানিক উপায়টি জানালেন শেফ
আমেরিকান শেফ এবং খাদ্য বিষয়ক লেখক জে কেনজি লোপেজ বৈজ্ঞানিক উপায়ে ডিম সেদ্ধ করার প্রক্রিয়া তুলে ধরেছেন। খুব সাধারণ মনে হলেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ডিম সেদ্ধ করার প্রক্রিয়ার সঙ্গে পুষ্টির পুরোটুকু সুষ্ঠু উপায়ে সংগ্রহের বিষয়টি নির্ভর করে।
লোপেজের মতে, ডিমের সাদা অংশ সুষ্ঠুভাবে সেদ্ধ হওয়ার জন্যে ১৮০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৮২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন। আর কুসুম সুষ্ঠুভাবে সেদ্ধ হওয়ার জন্যে প্রয়োজন ১৭০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৭৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা।
চুলায় পানি নিয়ে আগে গরম করতে হবে। পানি ফুটতে শুরু করলে তা চুলা থেকে নামিয়ে তাতে ডিম ছাড়তে হবে। এতে সাদা অংশ খোসায় লেগে যাবে না। এ সময় পানির তাপমাত্রা কমাতে কয়েক টুকরা বরফ ছাড়তে হবে। এর পর ওই পানিতেই ডিমটি অনেক সময় ধরে রেখে দিতে হবে। এতে ধীরগতিতে ডিম সেদ্ধ হতে থাকবে। লোপেজ এ কাজের সময় ডিমটিকে প্রতি ৩০ সেকেন্ড অন্তর পানি থেকে তুলে ফেলেছেন এবং আবার রেখেছেন। সম্ভব হলে একই উপায়ে সবারই রান্না করা উচিত।
ধবধবে সাদা অংশ এবং পুরোপুরি সেদ্ধ কুসুম পেতে হলে এভাবেই ডিম সেদ্ধ করা উচিত। ফুটন্ত পানিতে ডিম ছেড়ে ৩০ সেকেন্ড রাখুন। এরপর কয়েক টুকরা বয়ফের টুকরা ছেড়ে দিন। পানি বেশি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে তা আবারো গরম করে তাতে ১১ মিনিট ধরে ডিমটি রেখে দিন। এভাবেই ডিম সেদ্ধ করার আদর্শ নিয়মের কথা জানালেন শেফ।
-
Share:

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Recent Posts

Unordered List

Definition List