শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৫

বাসভ্রমণে বমিভাব এড়াতে করণীয় ৯টি কাজ

ভ্রমণে বের হলে বাস, ট্রেন, লঞ্চ, বিমান কোনো না কোনো বাহনের প্রয়োজন পড়ে। আর অনেকেই এই ধরণের বাহনে উঠলে বমিভাব ও সেই সাথে মাথা ঘোরানোর মতো অস্বস্তি অনুভব করে থাকেন। একে বলা হয় মোশন সিকনেস। বাস বা ট্রেনের ঝাঁকুনি, লঞ্চের দুলুনি এবং বিমানের শূন্যতার কারণেই মূলত এই সমস্যায় পড়েন অনেকে। পেটে অসস্তিকর অনুভূতি, মাথা ঘোরানো, কানে ভোঁ ভোঁ করতে থাকা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। আজকে জেনে নিন এই মোশন সিকনেস থেকে বাঁচতে অর্থাৎ বাস বা ট্রেন ধরণের বাহনে উঠলে বমিভাব দূর করার খুবই সাধারণ কিন্তু কার্যকরী উপায়গুলো।
১) বাহনে উঠার আগে কি খাওয়া উচিত এবং উচিত নয় সেদিকে নজর দিন। অতিরিক্ত সফট ড্রিংকস, ঝাল-মশলাযুক্ত খাবার একেবারেই খাবেন না। যারা এই সমস্যায় ভোগেন তারা প্রয়োজনে কিছু না খেয়েই বাহনে উঠুন। অনেক দূরের পথ হলে হালকা শুকনো কিছু খেয়ে নিন।
২) অতিরিক্ত ঘ্রাণ বা সুগন্ধযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। বাহন চলাকালীন সময়ে কিছু খেতে চাইলে শুকনো চিপস ধরণের খাবার অল্প পরিমাণে খাবেন। পানি পান করবেন।
৩) বাহন যেদিক মুখ করে সামনে এগুচ্ছে তার উলটো দিকে কখনোই বসবেন না। এতে উলটো মোশনের কারণে বমিভাব প্রবল হয়। বাহন যেদিকে এগুচ্ছেন সেদিক মুখ করে বসুন।
৪) বাসে বসার ক্ষেত্রে পেছনের দিকের সিটে বসার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। পেছনের দিকে ঝাঁকুনি বেশী লাগে যা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
৫) যতোটা সম্ভব চলার পথের সমতলে নজর রাখুন। বাইরের দৃশ্য দেখায় মনোযোগ দিন। নিচের দিকে বা উপরের দিকে তাকিয়ে বসে থাকলেও বমিভাব ও অস্বস্তি হয়।
৬) যাদের মোশন সিকনেস রয়েছে তারা বাহনে উঠে চলার সময় কোনো বই পড়া বা মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপে কিছু দেখার চেষ্টা করবেন না। এতে আরও অস্বস্তি হতে থাকবে।
৭) বদ্ধ স্থানে আরও বেশী সমস্যা হয়। তাই বাস বা ট্রেনে উঠলে জানালার পাশে বসে তাজা বাতাস গ্রহন করতে পারলে এই বমিভাব আপনা থেকেই কেটে যায়। বিমানের জন্য বা বড় ফিক্সড জানালার এসি বাসের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়।
৮) ঘুমিয়ে পড়া হচ্ছে সবচাইতে বুদ্ধিমানের কাজ। ঘুমিয়ে পড়তে পারেন এই অস্বস্তিকর অনুভূতি থেকে বাঁচতে। ভালো কাজে দেবে।
৯) বমিভাব দূর করার জন্য বাহনে উঠার আগেই এই জাতীয় ঔষধ খেয়ে নিতে পারেন। যদি আপনার খুব অল্প দূরত্বের জন্য এবং ঘন ঘন এই সমস্যা হতে থাকে তাহলে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খাবেন।
Share:

ব্রেট লি-র নতুন প্রেমিকা বাঙালি তানিশা চ্যাটার্জি!

ব্রেট লি-র নতুন প্রেমিকা বাঙালি তানিশা চ্যাটার্জি!
ওয়েব ডেস্ক: সিডনি সমুদ্র সৈকত্যে বলিউড অভিনেত্রী তানিশা চ্যাটার্জির সঙ্গে প্রেমে মত্ত  ব্রেট লি। এমন খবর প্রকাশিত হয়েছে সিডনির এক ওয়েবসাইটে। যদিও শ্যুটিংয়ের কাজে একসঙ্গে ফোটো তুলেছেন লি-তানিশা।  তবে অনেকেই বলছেন, প্রাক্তন এই অসি পেসারের মন এখন তানিশায় মেতেছে। যদিও খবরটা গুজবের স্তরেই রয়েছে।
'আনইন্ডিয়ান' নামের সিনেমায় লি-তানিশা বেশ কয়েকটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করবেন। ঘনিষ্ঠ দৃশ্যগুলোর জন্য ব্রেট লি-তানিশাকে বলা হয়েছে একে অপরের সঙ্গে সময় কাটাতে।
অসি প্রাক্তন পেসার অভিনয় করবেন 'আন ইন্ডিয়ান' নামের একটি সিনেমায়। সহঅভিনেত্রী হিসেবে ছবিতে আছেন বাঙালি তানিশা মুখার্জি। সিডনিতে শুরু হয়েছে শুটিংয়ের কাজ। এখানে তানিশা অভিনয় করবেন মিরা নামে এক সিঙ্গল মাদারের চরিত্রে। সিনেমার গল্পে তানিশা-ব্রেট লি বেশ কয়েকটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য আছে। দৃশ্যগুলো ক্যামেরায় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে উদ্যোগ নিয়েছেন পরিচালক অনুপম শর্মা।
 লি-এর সঙ্গে সময় কাটানোর বিষয়ে বলতে গিয়ে তানিশা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানিয়েছেন, 'এটা আমার জন্য সারপ্রাইজ। সিনেমাটা করতে আমি উন্মুখ হয়ে আছি। চিত্রনাট্য আমার দারুণ পছন্দ হয়েছে।'
২০০৬ সালে তানিশাকে টলিউড সিনেমা বিবর-এ একটি সাহসি চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল।
Share:

মুসলিমদের জন্য ‘হালাল পতিতালয়’! (ভিডিও)

মুসলিম খদ্দেরদের জন্য ধর্মীয় অনুশাসনের সীমার মধ্যে থেকে পতিতালয় চালু হয়েছে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে, মালিকপক্ষ যাকে ‘হালাল’ যৌনালয় বলে দাবি করছেন।
দেশটির রেড লাইট এলাকায় ‘হট ক্রিসেন্ট’ নামের বারটি সম্প্রতি চালু হয়েছে। হালালভাবে যৌনবৃত্তি চরিতার্থ করার উপায় খুঁজে বের করতে তিনজন আধুনিক মনস্ক ইমামের (ধর্মীয় নেতা) পরামর্শ নিয়েছেন বারের মালিক জনাথন সুইক।

পরামর্শ অনুযায়ী, সেখানকার পতিতাদেরকে মাদক সেবনে বাধ্য করা হবে না। ইসলামের নিয়মানুযায়ী দিনে পাঁচবার নামাজও পড়বে তারা। আর খদ্দেরদেরকেও তাদের সঙ্গে ইসলামসম্মত ভাবেই যৌনসম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।
কিন্তু বিয়ে ছাড়া নারী-পুরুষের যৌন সংসর্গ ইসলাম সম্মত হবে কিভাবে? ইমামের সঙ্গে পরামর্শ করে এরও একটা সমাধান বের করেছেন হোটেল ব্যবসায়ী জনাথন।
ইসলামের শিয়া সম্প্রদায়ের মাঝে প্রাপ্তবয়স্ক যুগলের প্রণোদনার জন্য ‘মুতা বিয়ে’ নামের একধরনের অস্থায়ী বিয়ে প্রচলিত আছে। শিয়া সমাজে ওই ধরনের চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে স্বীকৃত এবং ধর্মীয় আইনসিদ্ধ। হোটেলে যৌনসঙ্গী সরবরাহের ক্ষেত্রে মুতা বিয়ের (বিনোদনের জন্য বিয়ে) ওই নিয়মই অনুসরণ করা হচ্ছে।
‘মুতা বিয়ে’র ক্ষেত্রে যুগলজীবনের সময়সীমা বিয়ের আগেই ঠিক করা হয় এবং সময় পার হওয়ার পর আপনা থেকেই বিয়ের সমাপ্তি ঘটে। তবে ইচ্ছানুযায়ী পুনরায় বিয়ে করা যায় এবং অর্থ প্রদানের বিষয়টিও ঘটতে পারে, যেমনটি একজন স্বামী তার স্ত্রীকে দিয়ে থাকেন।
হট ক্রিসেন্ট বারের হালাল পতিতাদেরকে প্রতি দুই মাস পর পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়, যাতে করে গ্রাহকরা যৌনসংসর্গের কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে না এবং কেউ অপরাধবোধেও ভুগবে না বলেই প্রত্যাশা হোটেল মালিকের।
ভিডিও টি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
pros video


Share:

নিয়মিত যৌনমিলন মহিলাদের সন্তানধারণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে -

 নিয়মিত যৌনমিলন সন্তানলাভের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। তথাকথিত 'নন ফার্টাইল' পিরিয়ডেও যৌন মিলন লাভজনক। যৌনমিলনের ফলে শরীরে বিবিধ পরিবর্তন হয়। নতুন এক গবেষণা বলছে নিয়মিত যৌনমিলন মহিলাদের সন্তানসম্ভাবা হওয়ার পথ মসৃণ করে তোলে। সন্তানপ্রার্থী যুগলদের ডাক্তাররা তাই নিয়মিত যৌনমিলনের পরামর্শ দিচ্ছেন। ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজ এমন খবর প্রকাশ করেছে।
''গর্ভবতী হওয়ার জন্য মহিলাদের প্রয়োজন সঙ্গীর সঙ্গে নিয়মিত যৌনমিলন। এমনকি তথাকথিত 'নন ফার্টাইল পিরিয়ড'-য় যৌনমিলন আবশ্যিক। যদিও কীভাবে এটি কাজ করে তা এখনও পরিস্কার নয়।'' জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক টিয়েরনি লরেন্স।
তিনি জানিয়েছেন ''যৌনমিলন গর্ভধারণের জন্য মহিলাদের শরীরের অন্যক্রমতা বৃদ্ধি করে। এই ধরণের গবেষণা এই প্রথম।'' ফার্টাইল পিরিয়ড ছাড়াও অন্য সময়ের যৌন মিলন কীভাবে ফার্টিলিটি বৃদ্ধি করে সেই পুরোনো ধাঁধার নয়া উত্তর এই গবেষণা। মন্তব্য লরেন্সের। মেন্ট্রুয়াল সাইকেল (মাসিক চক্র) চলাকালীন ৩০ জন সুস্থ মহিলার কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন গবেষকরা। এদের মধ্যে অর্ধেক নিয়মিত যৌন মিলন করেন। বাকি অর্ধেকের যৌন জীবন অনিয়মিত।
এই গবেষণার ফলাফল সংক্রান্ত দুটি পত্র ফার্টিলিটি অ্যান্ড স্টেরিলিটি ও ফিজিওলজি অ্যান্ড বিহেভিয়ার নামক দুটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। প্রথম গবেষণা পত্রটিতে লরেন্স ও তাঁর সংকর্মীরা দেখিয়েছেন যৌনভাবে সক্রিয় মহিলাদের হেল্পার টি সেলস ও সেই সমস্ত প্রোটিন যা টি সেল যোগাযোগের জন্য ব্যবহার করে তার সংখ্যা বেশি। দ্বিতীয়টিতে তাঁরা এই দুই গ্রুপের মধ্যে অ্যান্টিবডি সংখ্যার পার্থকি চিহ্নিত করেছেন।
হেল্পার টি সেল শরীরের অন্যক্রমতা বাড়িয়ে তোলে। সেই সমস্ত কোষকে সক্রিয় করে তোলে যারা, বাইরে থেকে শরীর প্রবেশ করা অবাঞ্চিত মাইক্রোবসকে ধ্বংস করে।
লরেন্সের দাবি তাঁদের গবেষণা প্রমাণ করেছে নিয়মিত যৌনমিলনের মত সামাজিক ব্যবহার শরীরের ইম্যুনসিস্টেমকে অনেক বেশি কার্যকরী করে তোলে। যে মহিলারা নিয়মিত যৌনমিলনে লিপ্ত থাকেন সন্তান ধারণের জন্য তাঁদের ইম্যুনসিস্টেম অনেক বেশি সক্রিয় ও কার্যকরী হয়।
-
নিয়মিত যৌনমিলন মহিলাদের সন্তানধারণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
নিয়মিত যৌনমিলন সন্তানলাভের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। তথাকথিত 'নন ফার্টাইল' পিরিয়ডেও যৌন মিলন লাভজনক। যৌনমিলনের ফলে শরীরে বিবিধ পরিবর্তন হয়। নতুন এক গবেষণা বলছে নিয়মিত যৌনমিলন মহিলাদের সন্তানসম্ভাবা হওয়ার পথ মসৃণ করে তোলে। সন্তানপ্রার্থী যুগলদের ডাক্তাররা তাই নিয়মিত যৌনমিলনের পরামর্শ দিচ্ছেন। ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজ এমন খবর প্রকাশ করেছে।
''গর্ভবতী হওয়ার জন্য মহিলাদের প্রয়োজন সঙ্গীর সঙ্গে নিয়মিত যৌনমিলন। এমনকি তথাকথিত 'নন ফার্টাইল পিরিয়ড'-য় যৌনমিলন আবশ্যিক। যদিও কীভাবে এটি কাজ করে তা এখনও পরিস্কার নয়।'' জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক টিয়েরনি লরেন্স।
তিনি জানিয়েছেন ''যৌনমিলন গর্ভধারণের জন্য মহিলাদের শরীরের অন্যক্রমতা বৃদ্ধি করে। এই ধরণের গবেষণা এই প্রথম।'' ফার্টাইল পিরিয়ড ছাড়াও অন্য সময়ের যৌন মিলন কীভাবে ফার্টিলিটি বৃদ্ধি করে সেই পুরোনো ধাঁধার নয়া উত্তর এই গবেষণা। মন্তব্য লরেন্সের। মেন্ট্রুয়াল সাইকেল (মাসিক চক্র) চলাকালীন ৩০ জন সুস্থ মহিলার কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন গবেষকরা। এদের মধ্যে অর্ধেক নিয়মিত যৌন মিলন করেন। বাকি অর্ধেকের যৌন জীবন অনিয়মিত।
এই গবেষণার ফলাফল সংক্রান্ত দুটি পত্র ফার্টিলিটি অ্যান্ড স্টেরিলিটি ও ফিজিওলজি অ্যান্ড বিহেভিয়ার নামক দুটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। প্রথম গবেষণা পত্রটিতে লরেন্স ও তাঁর সংকর্মীরা দেখিয়েছেন যৌনভাবে সক্রিয় মহিলাদের হেল্পার টি সেলস ও সেই সমস্ত প্রোটিন যা টি সেল যোগাযোগের জন্য ব্যবহার করে তার সংখ্যা বেশি। দ্বিতীয়টিতে তাঁরা এই দুই গ্রুপের মধ্যে অ্যান্টিবডি সংখ্যার পার্থকি চিহ্নিত করেছেন।
হেল্পার টি সেল শরীরের অন্যক্রমতা বাড়িয়ে তোলে। সেই সমস্ত কোষকে সক্রিয় করে তোলে যারা, বাইরে থেকে শরীর প্রবেশ করা অবাঞ্চিত মাইক্রোবসকে ধ্বংস করে।
লরেন্সের দাবি তাঁদের গবেষণা প্রমাণ করেছে নিয়মিত যৌনমিলনের মত সামাজিক ব্যবহার শরীরের ইম্যুনসিস্টেমকে অনেক বেশি কার্যকরী করে তোলে। যে মহিলারা নিয়মিত যৌনমিলনে লিপ্ত থাকেন সন্তান ধারণের জন্য তাঁদের ইম্যুনসিস্টেম অনেক বেশি সক্রিয় ও কার্যকরী হয়।
- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/63941/index.html#sthash.nYasGblX.dpuf
Share:

কিশোরীর জরায়ুতে যেভাবে ছিলো দুটি সাপের বাচ্চা

download
নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া কিশোরী স্কুলে যাওয়ার পর একটু পরপর উসখুস করছিল। এক সময় সে অজ্ঞান হয়ে গেল। তারপর মারা গেল। পোস্টমর্টেম করার পর কিশোরীর জরায়ুতে দুটি সাপের বাচ্চা পাওয়া যায়।

ঘটনাটি ঘটে ২০০৯ সালে। যশোরের ঝিকরগাছার ওই কিশোরীর মাসিক হয়েছিল। সে মাসিকের পুরোনো কাপড় শুকাতে দিয়েছিল কোনো স্যাঁতসেঁতে জায়গায়। সেখান থেকেই হয়তো সাপের বাচ্চা দুটো কাপড়ে লাগে। কিন্তু স্কুলে গিয়ে অস্বস্তি হলেও কাউকে বলতে পারেনি সে কথা। আজ ‘কিশোরী শক্তি ও সক্ষমতা: রূপকল্প ২০৩০’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে কিশোরীর এ ঘটনাটি বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্কুল হেলথ প্রোগ্রামের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার চিকিৎসক শফিউর রহমান।
জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের সম্পাদক নাছিমা আক্তার জলি তিন থেকে চার মাস আগে মেহেরপুরের ঘটনা উল্লেখ করে জানালেন, এক মেয়ের মাসিকের কাপড়ের মধ্যে জোঁক পাওয়া যায়। প্রচুর রক্তক্ষরণ হলেও মেয়েটি বেঁচে যায়।
Share:

মৃত্যুর পর ৭ দিনে মৃতদেহে যা ঘটে...


মৃত্যুর পর ৭ দিনে মৃতদেহে যা ঘটে... যার জন্ম আছে তার মৃত্যুও নিশ্চিত। কিন্তু মৃত্যুর পর মানুষের কী হয়? মানুষ কোথায় যায়? পরকাল কেমন হবে? এমন হাজার প্রশ্ন সবার মনে ঘুরপাক করে। মৃত্যুর পর থেকে মৃতদেহের পচন ধরার পূর্ব পর্যন্ত শারীরিক কী কী পরিবর্তন হয় বা কোন প্রক্রিয়ায় মৃতদেহে পচন শুরু হয়, তা জানার আগ্রহ অনেকেরই থেকে থাকে। সেই জানার আগ্রহকে প্রাধান্য দিয়েই পাঠকদের জন্য চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণালব্ধ কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো।
চিকিৎসা বিজ্ঞারীরা বলেন, মৃত ঘোষণার অর্থ এই নয় যে, দেহের প্রতিটি কোষের মৃত্যু হয়েছে। হৃদযন্ত্র শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া বন্ধ করলে, কোষগুলো অক্সিজেন পায় না। অক্সিজেন পাওয়া বন্ধ হলে পেশিগুলো শিথিল হতে শুরু করে। পাশাপাশি অন্ত্র এবং মূত্রথলি খালি হতে শুরু হয়।
দেহের মৃত্যু ঘটলেও, অন্ত্র, ত্বক বা অন্য কোনো অংশে বসবাসকারী ১০০ ট্রিলিয়ন ব্যাকটেরিয়া তখনও জীবিত থাকে। মৃত্যুর পর দেহের অভ্যন্তরে যা কিছু ঘটে, সে সব কিছুর পেছনে কাজ করে এই ১০০ ট্রিলিয়ন ব্যাকটেরিয়া।
মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম দেহের যে পরিবর্তন আসে হলো, প্রথমে অ্যালগর মরটিস (মৃতদেহের তাপমাত্রা) ঘরের তাপমাত্রায় না-আসা পর্যন্ত দেহের তাপমাত্রা প্রতি ঘণ্টায় ১.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট করে কমতে থাকে। লিভোর মরটিস বা লিভিডিটি- এ ক্ষেত্রে দেহের নিচের দিকে রক্ত এবং তরল পদার্থ জমা হয়।
মৃতদেহের ত্বকের আসল রঙ ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়ে গাঢ় বেগুনি-নীল রঙ ধারন করে।
রিগর মরটিস- এ ক্ষেত্রে দেহ থেকে অত্যধিক ক্যালসিয়াম ক্ষরণের ফলে পেশিগুলো শক্ত হয়ে যায়। ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত এই অবস্থা থাকে। এই সময় চোখ খোলা থাকতে পারে। বেশ কিছুক্ষণের জন্য মৃতের চোখ খোলাই থাকে।
এর পর দেহে পচন ধরতে শুরু করে। রক্ত চলাচল বন্ধ হলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের গঠন শুরু হয়, অম্লের মাত্রা বাড়তে থাকে। এর ফলে কোষগুলোতে ভাঙন ধরে। ২ থেকে ৩ দিনে দেহ পচতে থাকে।
পরিপাক নালীতে থাকা ব্যাকটেরিয়া এবং আণুবীক্ষণিক প্রাণীরা দেহের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় তলপেট সবুজ বর্ণ ধারণ করে এবং তাতে গ্যাস তৈরি হয়। তার চাপে শরীরের মলমূত্র নিষ্কাশিত হয়।
পিউট্রেসিন এবং ক্যাডাভেরিনের মতো জৈবিক যৌগ শিরা-উপশিরায় ছড়িয়ে পড়লে, দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে। এই গন্ধই মৃতদেহের অন্যতম বৈশিষ্ট। নেক্রোসিস পদ্ধতিতে এর পর দেহের রঙ সবদিক থেকে কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করে।
মৃতদেহের দুর্গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে ভিড় জমায় উচ্ছিষ্ট-ভোগী পোকা-মাকড়। মৃতদেহকে খাদ্যভাণ্ডার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
এ তো গেল শুধু প্রথম সাতদিনের বৃত্তান্ত। এর পর ধীরে ধীরে প্রাণহীন মৃতদেহ ক্রমে মাংস-চামড়ার খোলস ত্যাগ করে পরিণত হয় হাড় সর্বস্ব কঙ্কালে।
-
Share:

দলে ধোনির জায়গা নিয়েই উঠল প্রশ্ন

ধোনির পারফরম্যান্স নিয়েও উঠল প্রশ্ন। ছবি: রয়টার্সনেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবার প্রশ্ন উঠল দলে মহেন্দ্র সিং ধোনির জায়গা নিয়েই। প্রশ্নটা তুললেন অজিত আগারকার। নির্বাচকদের প্রতি সাবেক এই তারকার পরামর্শ, কেবল ধোনির নেতৃত্বই নয়; ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সও সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ের কারণে যাঁর গায়ে লেগেছিল ‘ফিনিশার’ তকমা, তিনিই যেন এখন ‘ফিনিশে’র পথে! ধোনি উইকেট আছেন, অথচ দল হারছে। বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হারের পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও পরাজয়ের স্বাদ। সর্বশেষ কবে প্রতিকূল পরিস্থিতে বুক চিতিয়ে লড়ে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে গেছেন ধোনি, মনে করা কঠিনই।
ভারতীয় দলের ধোনির অবদান অনেক। খেলোয়াড় হিসেবেও তিনি অনেক বড়। সেটি স্বীকার করেই আগারকার বললেন, ‘ভারতীয় দলে সে অসাধারণ এক খেলোয়াড়। তবে সে দলের বোঝা হয়ে যাক, সেটিও নিশ্চয় চাইবেন না। এ কারণে তাঁকে এখনকার চেয়ে আরও ভালো পারফর্ম করা প্রয়োজন। বছরের পর বছর খেলছে বলে এই নয়, ব্যর্থ হওয়ার পরও তাঁর জন্য সব ঠিক থাকবে।’
নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে ভাবছেন ধোনিও। ব্যাটিং অর্ডারে সাধারণত ছয়ে নেমে থাকেন ভারত অধিনায়ক। ওই সময় হাতে বল থাকে না পর্যাপ্ত। যেদিন বল থাকে, দেখা যায় দল ঘোরতর বিপর্যয়ে। এ কারণে ওপরে ব্যাটিংয়ের চিন্তা-ভাবনা ধোনির। আগারকার অবশ্য এ বিষয়ে একমত নন। সাবেক এ ভারতীয় পেসার বললেন, ‘তাকে চারে নামতে হবে, এ ব্যাপারে একমত নই। একটা বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে। এখন দলকে পরের বিশ্বকাপের জন্য তৈরি করতে হবে। চার বছর দীর্ঘ সময়। কিন্তু ধোনির ক্যারিয়ার শেষের দিকে। এ সময়ে কেন সে ওপরে যেতে চায়, নিশ্চিত নই।’
এরই মধ্যে ভারতীয় টেস্ট দলের নেতৃত্বে বদল এসেছে। আগারকার মনে করেন, এবার বিরাট কোহলির হাতে তুলে দেওয়া যেতে পারে সীমিত ওভারের নেতৃত্বও, ‘ভারতীয় দলের নেতা কে হবে, সেদিকে নজর দেওয়ার সময় এসেছে নির্বাচকদের। কারণ, অধিনায়ক হিসেবে টেস্টে ভালো করছে কোহলি। ফলে এই সিরিজের পর (ওয়ানডে) নির্বাচকদের একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।’
সর্বশেষ ছয় ওয়ানডেতেই অবশ্য তিনটি ফিফটি আছে ধোনির। অবশ্য এ বছর খেলা এর আগের ছয় ইনিংসে কোনো ফিফটি নেই। সব মিলে ১২ ইনিংসে তিন ফিফটিসহ এ বছর ওয়ানডেতে তাঁর রান ৪২৮।
Share:

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Recent Posts

Unordered List

Definition List