মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

ব্যান্ডউইথের দাম কমিয়েছে বিটিসিএল

ডেটা ও ইন্টারনেট সেবার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)। প্রতি এমবিপিএসের জন্য ব্যান্ডউইথ চার্জ মাসিক সর্বোচ্চ ৯৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৩৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিটিসিএলের এক বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয় নতুন মূল্যহার গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিটিসিএলের ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি), ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল কেব্ল (আইটিসি), ন্যাশনাল ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ (নিক্স), ডেটা-নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিভিন্ন ডেটা ও ইন্টারনেট সেবার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এ চার্জ ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে।
পুনর্নির্ধারিত এ দামে উচ্চহারে ব্যান্ডউইথ ব্যবহারকারীদের জন্য হ্রাসকৃত হারের বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বিটিসিএলের ওয়েবসাইট www. btcl. gov. bd এ লগইন করতে বলা হয়েছে।
Share:

বয়ফ্রেন্ডের সামনে নগ্ন হয়ে যা করলেন তরুণী

শপিংমলে জামাকাপড় খুলে নগ্ন হয়ে বয়ফ্রেন্ডের সাথে আকস্মিক আচারণ করলেন এক তরুণী। ঘটনাটি দেখে অবাক হয়ে পড়ে তার বয়ফ্রেন্ড সহ আশপাশের লোকজন। পরবর্তিতে তরুণীটিকে জামাকাপড় পরানোর চেষ্টা করতে দেখা যায় তার বয়ফ্রেন্ডকে। ঘটনাটি ঘটেছে চিনের একটি শপিংমলে। শপিং সেন্টারের সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিওর বিবরণে দেখা গেছে, প্রাথমিক ভাবে মেয়েটির তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে কথপোকথন করছিলেন এমন এক পর্যায় ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়েটি জামা কাপড় খুলতে শুরু করেন। এবং এক পর্যায় নগ্ন হয়ে বয়ফ্রেন্ডের সাথে বাকবিতন্ড শুরু করেন। মেয়েটির এই অদ্ভুদ কান্ড দেখে আশপাশের লোকজন ভিড় জমাতে থাকে। কেন এমন কান্ড করে বসলেন মেয়েটি? ভিডিও রেকর্ড পর্যালোচনা করে বোঝা যাচ্ছে আইফোন কেনাকে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা ঘটেছে।
Share:

নামেই শুধু ছাত্রী হোস্টেল, কাজে…

1লাকমিনা জেসমিন সোমাঃ শরতের স্বচ্ছ আকাশ। চারদিকে ঝলমলে রোদ। শহর কিংবা গ্রামের বাড়িগুলোতে তখন ঘরভর্তি আলো। এমন দিনে রাজধানীর খামারবাড়ির মনিপুরিপাড়া এলাকার একটি ছাত্রী হোস্টেলে গিয়ে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। ছাত্রীনিবাসটির চতুর্থ তলার একটি কক্ষে ঢুকতেই হঠাৎ যেন রাত নেমে এলো। জানালাবিহীন হার্ডবোর্ডে মোড়া ওই কক্ষের দুই শিক্ষার্থী জানালেন, বিদ্যুৎ না থাকলে তাদের কাছে রাত-দিন সবই সমান। কখন সকাল হচ্ছে আর কখন বিকাল, কিছুই বুঝতে পারেন না। এমনকি রুমের সামনের গলি পার হয়ে বারান্দায় না গেলে ঝড়-বৃষ্টিও অাঁচ করতে পারেন না তারা।
এটি মনিপুরিপাড়ার ২ নম্বর গেট সংলগ্ন ‘মাই হোম ছাত্রী হোস্টেল’ নামের এই ছাত্রীনিবাসের চিত্র। এই হোস্টেল ঘুরে এমন আরও অনেক অভিযোগ পাওয়া গেল। শুধু এই হোস্টেলই নয়, রাজধানীতে গড়ে ওঠা ছাত্রী হোস্টেলগুলোর এমনই অবস্থা। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় একচেটিয়া ব্যবসা করে যাচ্ছেন মেস মালিক বা হোস্টেল ব্যবসায়ীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তথ্যমতে, রাজধানীতে প্রায় দেড় লাখ ছাত্রী রয়েছেন, যারা বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। এই ছাত্রীদের বেশির ভাগই ঢাকার বাইরে থেকে আসা। অন্যদিকে কর্মজীবী নারীদের জন্য রাজধানীতে সরকারি হোস্টেল আছে মাত্র তিনটি। এগুলোতে সবমিলিয়ে ৮৩০টি আসন। আর সে কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হাতেগোনা কয়েকটি হল ও সরকারি হোস্টেল ছাড়া বাকিরা আশ্রয় নেন ব্যক্তিমালিকানাধীন এই হোস্টেলগুলোতে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হোস্টেল মালিকরা সবচেয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন এইচএসসি পরীক্ষার পর। এই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আশায় মফস্বল থেকে হাজার হাজার ছাত্রী ঢাকা আসেন কোচিং করতে। রাজধানীর ফার্মগেট, মনিপুরিপাড়া, রাজাবাজার, গ্রীনরোড, আজিমপুর, মগবাজার, বকশীবাজার, নীলক্ষেত, মোহাম্মদপুর, আসাদগেট, ধানমন্ডি, জিগাতলা, লালমাটিয়াসহ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ছাত্রী হোস্টেলগুলোতে ভিড় জমান ছাত্রীরা। এই সুযোগে তাদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন হোস্টেল ব্যবসায়ীরা।
হোস্টেলগুলোর কমন সমস্যার মধ্যে রয়েছে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায়, নিম্নমানের খাবার, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং নিরাপত্তাহীনতা। রাজধানীর বেশ কয়েকটি ‘ভিআইপি’ ছাত্রী হোস্টেল ঘুরে দেখা গেছে শিক্ষার্থীরা হাজার হাজার টাকা সিটভাড়া দিয়েও বস্তিবাসীর মতো জীবন-যাপন করছেন। অফিস বা ফ্যামিলি বাসা ভাড়া নিয়ে হোস্টেল পরিচালনা করছেন ব্যবসায়ীরা। বাড়িগুলোকে বাণিজ্যিক হোস্টেল হিসেবে চালানোর জন্য একেকটি রুমকে পাতলা হার্ডবোর্ডের পার্টিশন দিয়ে কখনো দুই ভাগে আবার কখনো চার ভাগে ভাগ করা হচ্ছে। ফলে হোস্টেলগুলোতে সিঙ্গেল এবং ভিআইপি রুম হিসেবে কখনো কিচেনে আবার কখনো বারান্দায় ঠাঁই হচ্ছে ছাত্রীদের। এরপর কবুতরের খোঁপের মতো ওই হার্ডবোর্ডে মোড়া রুমগুলোকে সিঙ্গেল রুম হিসেবে চালিয়ে পাঁচ থেকে আট-দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। রুমগুলোতে সর্বোচ্চ দুই হাত চওড়া খাট ছাড়া চেয়ার-টেবিল রাখার জায়গা থাকে না। কোনোরকম একটি করে টেবিল দেওয়া হলেও সেগুলো এতই ছোট যে তা কোনো কাজেই আসে না। খাওয়া-দাওয়া, পড়াশোনা, আড্ডা কিংবা ঘুম, সবই করতে হয় ওই ছোট্ট বেডের ওপরেই। মাইহোম হোস্টেলের আইইউবিতে পড়ুয়া এক ছাত্রী বলেন, হার্ডবোর্ডে ঘেরা এই রুমগুলোতে সিঙ্গেল থাকা না থাকা সমান কথা। পাশের রুমের কারও মোবাইলে সামান্য ভাইব্রেশন হলেও তা অন্যরুম থেকে শোনা যায়। একই এলাকার ‘উইমেন্স স্টাডি হোম’ হোস্টেলের এক ছাত্রী বলেন, তাদের হোস্টেলে প্রায় ১৫ জনের জন্য বাথরুম আছে মাত্র একটি। রাজধানীতে বহুল পরিচিত নিবেদিকা ছাত্রী হোস্টেলই রয়েছে কমপক্ষে ৭০টি। এর বাইরে মেস মালিকদের সংগঠন হোস্টেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হোয়াব) তথ্যমতে, রাজধানীতে তাদের অন্তর্ভুক্ত প্রায় ৫৭টি হোস্টেল রয়েছে। এগুলোর শাখা-প্রশাখা মিলিয়ে ছাত্রী হোস্টেলের সংখ্যা দুই শতাধিক।
ভাড়া বাড়িতে পরিচালিত এই হোস্টেলগুলোর মধ্যে এমন ভবনও আছে যেখানে গ্যাস সংযোগ নেই। অন্যদিকে লিফট্ ভাড়া, জেনারেটর ভাড়া আদায় করলেও সেগুলো কখনোই চালু রাখা হয় না। বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা। নিবেদিকা হোস্টেলের লালমাটিয়া শাখার মেডিকেল ভর্তিচ্ছু এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের হোস্টেলে জনপ্রতি ল্যাপটপের জন্য অতিরিক্ত ১০০ টাকা, ফ্রিজের জন্য ৫০০ টাকা, রাইসকুকার এবং ওয়াটার হিটারের জন্য ৩০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়।
নিবেদিকা হোস্টেলের একটি শাখার পরিচালক বলেন, ছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা না নিয়েও উপায় থাকে না। তাদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পাড়া-মহল্লার মাস্তান কিংবা নেতাদের বহু টাকা দিতে হয়। চাঁদা না দিলে এভাবে হোস্টেল ব্যবসা করা যেত না।
হোস্টেলগুলোতে খাবার পরিবেশন হয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। কঠোর নিয়ম-নীতি ও নিরাপত্তার কথা বললেও প্রায়ই ঘটে চুরির ঘটনা। কখনো হোস্টেলের ভিতরের আবার কখনো বহিরাগত চোরের খপ্পরে টাকা-পয়সা, মোবাইল, ইলেকট্রনিক সামগ্রীসহ মূল্যবান জিনিসপত্র হারান ছাত্রীরা।
নিবেদিকা ছাত্রী হোস্টেলের বিভিন্ন অভিযোগ সম্পর্কে মনিপুরি শাখার হোস্টেল সুপার সুমির সঙ্গে যোগাযোগ করলে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন তিনি। বলেন, ‘তাই না কি? জানতাম না তো!’ অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে বরং আরও ভালোভাবে হোস্টেল ঘুরে দেখার পরামর্শ দেন তিনি।
Share:

গোপন যে রোগের কথা কাউকে যায় না বলা: "ক্ল্যামাইডিয়া" -

জীবনের জন্য জেনে রাখা জরুরী এমন একটি বিষয় হলো যৌনরোগ। অনেকেইবিরক্ত হয়ে ভাববেন, আমি জেনে কী করবো? আমার তো কখনো এমন রোগ হবেইনা!বাস্তবতা কিন্তু অনেক কঠিন। আর তাই এসব রোগ সম্পর্কে জেনে রাখাটাও ভীষণজরুরী। এ ব্যাপারে প্রিয়.কম প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাহায্য করেন ময়মসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার লুৎফুন্নাহার নিবিড়। ক্ল্যামাইডিয়ার ব্যাপারে খুব বেশি মানুষ জানেন না। না জানলেও এটি যৌনরোগ হিসেবে ছড়াতে পারে নারীপুরুষ উভয়ের মাঝেই। সময়মতো চিকিৎসা করা না হলে ইনফেকশন বাজে অবস্থায় পৌঁছাতে পারে। যা থেকে নারীর সন্তান ধারনে অক্ষমতার মতো জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। পুরুষের ক্ষেত্রে ইউরেথ্রা, এপিডাইডিমিস অথবা রেক্টামের ইনফেকশন দেখা দিতে পারে। কী করে বুঝবেন ক্ল্যামাইডিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন আপনি? ক্ল্যামাইডিয়ায় আক্রান্ত হবার পর লক্ষণগুলো মোটামুটি ২-৩ সপ্তাহের মাঝে বোঝা যায়। মূলত নারীর যৌনাঙ্গ থেকে দুর্গন্ধযুক্ত সাদা তরল নিঃসরণ হতে দেখা যায়। মুত্রত্যাগের সময়ে, পিরিয়ডের সময়ে এবং শারীরিক সম্পর্কের সময়ে ব্যাথা, পিরিয়ড ছাড়াও রক্তক্ষরণ হতে পারে ক্ল্যামাইডিয়ার উপসর্গ। পুরুষের মাঝে যৌনাঙ্গ থেকে সাদাটে তরল নিঃসরণ এবং মুত্রত্যাগে ব্যাথা ছাড়াও একটি বা উভয় অন্ডকোষে ব্যাথা থাকতে পারে। এছাড়াও অ্যানাল সেক্সে অভ্যস্ত ব্যক্তিদের মলাশয় থেকে এমন তরল নিঃসরণ হতে পারে। ক্ল্যামাইডিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন এমন সন্দেহ হলে অবশ্যই যৌন সম্পর্ক থেকে বিরত থাকতে হবে এবং ডাক্তার দেখিয়ে নিশ্চিত হতে হবে। যদি জানা যায় আপনার ক্ল্যামাইডিয়া হয়েছে তবে এর চিকিৎসা তো করাবেনই, পাশাপাশি আপনার সাথে যৌন সম্পর্ক ছিলো যার বা যাদের, তাদেরকে জানানো উচিৎ, যাতে তারা আপনার থেকে আক্রান্ত হয়েছেন কিনা তার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া যায়। ক্ল্যামাইডিয়া কীভাবে ছড়ায়? যেহেতু এটি যৌনরোগ, সুতরাং যৌন সম্পর্ক স্থাপনের সময়েই এটি ছড়ায়। ছড়াতে পারে অ্যানাল সেক্স থেকেও। এছাড়াও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার জেনে রাখা দরকার ক্ল্যামাইডিয়ার ব্যাপারে। তা হলো গর্ভবতী মায়ের যদি ক্ল্যামাইডিয়া থেকে থাকে, তবে স্বাভাবিক ডেলিভারির সময়ে তার সন্তানের শরীরেও তা ছড়াতে পারে। মূলত শিশুর চোখে এভাবে ছড়াতে পারে ক্ল্যামাইডিয়া। তবে মায়ের ক্ল্যামাইডিয়া আছে জানতে পারা গেলে সার্জারির মাধ্যমে ডেলিভারি করা যেতে পারে, এতে শিশুতে ইনফেকশনের সম্ভাবনা থাকে না। ক্ল্যামাইডিয়া হলে কী করা যেতে পারে? ক্ল্যামাইডিয়া এড়িয়ে চলার জন্যই বা কী করা যেতে পারে? ডাক্তার নিবিড়ের মতে, আপনিযদি জেনে থাকেন আপনার ক্ল্যামাইডিয়া আছে, তবে অবশ্যই যৌনসম্পর্ক হতে বিরত থাকুন। সকল পরিস্থিতিতে কনডম ব্যবহার করুন। আপনার যদিধারণা হয়ে আপনার বা আপনার পরিচিত কারও এই রোগ হয়েছে, তাহলে লজ্জা না পেয়ে খোলাখুলিকথা বলুন। ডাক্তারের কাছেও কিছু লুকোবেন না। একাধিক মানুষের সাথে যৌনসম্পর্ক থাকলে ছড়াবে এই রোগ। এ কারণে বিশ্বস্ত থাকুন জীবনসঙ্গীর প্রতি এবংকনডম ব্যবহার করুন সঠিকভাবে। যাদের ইতোমধ্যে একবার ক্ল্যামাইডিয়া হয়েছে তারা আরও বেশি সাবধান থাকুন কারণে তাদের এই রোগ পুনরায় হবার সম্ভাবনা বেশি।
Share:

খালেদার দেশে ফেরা বিলম্ব হচ্ছে

খালেদা জিয়া। ফাইল ছবিলন্ডন সফররত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগামী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু চিকিৎসার জন্য তাঁর দেশে ফেরা বিলম্ব হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
যুক্তরাজ্য বিএনপি ও লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগামীকাল বুধবার খালেদা জিয়া বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দিয়ে বৃহস্পতিবার ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে টিকিট নির্ধারিত ছিল। কিন্তু তাঁর চিকিৎসা শেষ না হওয়ার কারণে ফেরার সময় পেছানো হয়েছে। তিনি কবে দেশে ফিরবেন তা সম্পূর্ণ চিকিৎসকের পরামর্শের ওপর নির্ভর করছে বলে জানান তাঁরা।
তবে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা কিংবা বাংলাদেশে ফেরার বিষয়ে উদ্ধৃত হতে চাননি এসব নেতা। তারা জানান, ছেলে তারেক রহমান নিজেই তাঁর মায়ের চিকিৎসার বিষয়টি দেখাশোনা করছেন। ফলে এসব বিষয়ে তাঁরা সুনির্দিষ্ট করে কিছুই জানেন না। জানা গেছে, খালেদা জিয়ার দুই চোখের ক্যাটারেক্ট অপারেশন করতে হবে।
বিএনপির একজন নেতা জানান, চিকিৎসক বলেছেন, দুই চোখের অপারেশন একসঙ্গে করা হবে না। এক চোখের অপারেশন করার সপ্তাহখানেক পর অন্য চোখের অপারেশন করা হবে। আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত কোনো চোখের অপারেশন করা হয়নি বলে জানা গেছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর লন্ডনে আসেন খালেদা জিয়া। তিনি লন্ডনের কিংসটনে ছেলে তারেক রহমানের বাসায় একান্ত পারিবারিকভাবে সময় পার করছেন। গত বৃহস্পতিবার তিনি যুক্তরাজ্য বিএনপির আয়োজনে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করতে একটি অনুষ্ঠানে হাজির হন। এ পর্যন্ত ওইটাই লন্ডন সফরে খালেদার একমাত্র প্রকাশ্য সভা।
এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সফরের তিন দিনের মাথায় যুক্তরাজ্য বিএনপির ওপর সারির কয়েকজন নেতা বাসায় গিয়ে খালেদার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান। এরপর ধাপে ধাপে যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতারা খালেদার সাঙ্গে সাক্ষাতের কথা থাকলেও তা হয়নি বলে জানা গেছে।
যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক প্রথম আলোকে বলেন, ম্যাডামের চিকিৎসার বিষয়টিকে আগে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। তিনি সুস্থ হয়ে উঠলে নেতা-কর্মীরা সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া খালেদা জিয়াকে নিয়ে যুক্তরাজ্য বিএনপি একটি সভা করার প্রত্যাশা করছে বলে জানান তিনি।
Share:

সফলতার স্বাদ পেতে জীবন থেকে বাদ দিন এই ক্ষতিকর আবেগগুলো


 সফল ও সুখী জীবন সকলেরই কাম্য। কিন্তু সফলতা পেতে বেশ কাঠখড়ই পোড়াতে হয়। তারপরও অনেকের হাতে ধরা দেয় সলফতা, জীবনে আসে সুখ। আবার অনেকেই বঞ্চিত হন এই স্বাদ থেকে। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন, কেন সেই মানুষটি সফল, কেন আপনি নন? জীবনে সুখ পেতে এবং সফলতা আনতে হলে কিছু ব্যাপার বাদ দিতে হয়। আর এই বাদ দেয়ার তালিকায় প্রথমেই পড়ে আপনার নিজের ভেতরের কিছু ক্ষতিকর আবেগ। এই আবেগগুলো বাদ দিন আজ থেকেই। তবেই জীবনটাকে সাজাতে পারবেন সুখী ও সুন্দর করে, আনতে পারবেন সফলতা।

১) উদ্বেগ

দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ খুবই ক্ষতিকর ধরণের আবেগ। যখনই আপনার কোনো একটি ব্যাপার নিয়ে উদ্বেগ কাজ করবে, মনে রাখবেন তখনই আপনি নিজেকে একটি স্থানে আটকে ফেলছেন। কারণ এভাবে করলে কী হবে, সেভাবে হলে কী হবে, পরবর্তীতে কী হবে এই ধরণের এই চিন্তাগুলো যখন মাথায় কাজ করতে থাকে তখন কোনো কাজ করার আগেই তা থামিয়ে দেয়ার মনোভাব তৈরি হয়ে যায় ভবিষ্যতের কথা ভেবে। আর এই উদ্বেগ মানসিক শান্তিও নষ্ট করে অশান্তি ডেকে আনে। তাই উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা ধরণের আবেগটাকে দূর করে দিন প্রথমেই।

২) দুঃখ

দুঃখ পেয়ে কষ্ট পেয়ে আসলেই কি কোনো লাভ আছে বলে মনে করেন আপনি? নিজেই ভাবুন তো একটি বার। আপনি যখনই কোনো ব্যাপারে দুঃখ পাবেন তখন মানসিক কষ্টটির প্রভাব আপনার কাজের উপরেও পড়বে। মনের শান্তি নষ্টের পাশাপাশি কাজের ক্ষতিও আপনার এই আবেগটির কারণে। তাই দুঃখ পেলেও তা ধরে নিয়ে বসে বসে কষ্ট পেতে থাকবেন না কখনোই। দুঃখ পাওয়ার মতো আবেগটাকে দূরে সরিয়ে ফেলুন নিজের ভালোর জন্যই।

৩) রাগ

কথায় রয়েছে, ‘রেগে গেলেন, তো হেরে গেলেন’। বিষয়টি আসলেই সত্যি। যখনই আপনার মনে রাগ হওয়ার মতো আবেগ এসে ভর করে তখনই আপনার মস্তিষ্কের স্বাভাবিক ভাবে চিন্তা ভাবনা করার মতো ক্ষমতা লোপ পেয়ে যায়। এবং রাগের মাথায় করা কাজটি পরবর্তীতে ভুল কাজ বলেই প্রমাণিত হয়ে যায়। তাই দয়া করে নিজের কথা চিন্তা করে হলেও রাগ নামক এই ক্ষতিকর আবেগটি বাদ দেয়ার চেষ্টা করুন।

৪) নিজেকে অযোগ্য ভাবা

নিজেকে অযোগ্য ভাবা, নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস না থাকা জীবনে অশান্তির জন্য দায়ী অন্যতম আবেগ। অন্যের সাথে তুলনা করে নিজেকে অযোগ্য মনে করা এবং নিজের প্রতি একেবারেই ভরসা না করার বিষয়টি আপনার সফলতার পথের সবচাইতে বড় বাঁধা। আপনি নিজের প্রতি বিশ্বাস না রাখতে পারলে কাজে সফলতা আনতে পারবেন না কখনোই। তাই নিজেকে ছোট ভাবার এই আবেগটি ঝেড়ে ফেলুন আজই।
Share:

যে কারণে স্তন খোলা রেখে সংবাদ পাঠ করলেন তিনি

1443508799 (1)
টেলিভিশনের পর্দায় খবর পড়ছেন এক সুন্দরী মহিলা। পর্দায় তার যতটুকু শরীর দেখা যাচ্ছে, তাতেই স্পষ্ট তার পোশাকের নিচে কোনও অন্তর্বাস নেই। তাও লাইভ শো নয়, নেহাৎই স্ক্রিন টেস্ট চলছিল।  ব্যাস! চ্যানেলের কর্তারাও মহাখুশি সংবাদপাঠিকা এনকি ব্র্যাকাজের পারফর্ম্যান্সে।
 
২১ বছরের এনকি ব্র্যাকাজ তার স্ক্রিন টেস্টে যেভাবে বাজিমাৎ করেছেন, তা দেখে তাজ্জব দুনিয়া।  পর্দায় তার শরীরে কেবল একটি ব্লেজার।
আলবেনিয়ার রাজধানী টিরানার এক টিভি চ্যানেলে এনকিকে সংবাদপাঠের চাকরি অফার করা হয়েছে।  জানা গেছে, ওই চ্যানেলের কর্তারা এনকিকে দিয়ে খবর পাঠ করিয়ে টিআরপি রেটিংয়ের শীর্ষ ওঠার পরিকল্পনা সেরে ফেলেছেন।
চ্যানেলের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, জানি অনেকেই বলবেন এভাবে খবর পড়ার পদ্ধতিটি খানিকটা ব্যতিক্রমী। কিন্তু আমাদের স্ক্রিন টেস্টের কয়েকটি ফুটেজ ইতিমধ্যেই ইন্টারনেটে সুপারহিট হয়েছে। তাই আমরা ঠিক করেছি, এনকি-র জন্য আলাদা টাইম স্লট বরাদ্দ করা হয়েছে।
Share:

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Recent Posts

Unordered List

Definition List