শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৫

বিয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে পুরুষকে ধর্ষণ?

1ইদানিং একটা কথা ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে তা হল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ।সমাজের সব শ্রেণির মানুষ জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও উঠতি নায়িকা হতে শুরু করে গ্রামগঞ্জের স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের এমনকি সর্বস্তরে এর চল আছে…মিডিয়াও চালাচ্ছে কথাটা আর প্রশাসন পর্যন্ত মামলার এজাহারে লিখছে- বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের কথা!
বাস্তবতা হলো কোনো পুরুষ আজ পর্যন্ত তার প্রণয়িনীর বিরুদ্ধে এ মামলা ঠুকতে পারেনি বরং হয় নেশাখোর হয়েছে নয় আত্মহত্যা করেছে তাই বিয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে পুরুষকে ধর্ষণের ঘটনা চাপাই পরে থাকছে?
ভালোই চলছে নীতি নৈতিকতা কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে হলিউডি প্রেম চলছে পথে ঘাটে যা দেখা যায়- আর কিছু হলেই বেচারি অবলা মামলা ঠুকে দেয় ফাঁসে শালা কুলাঙ্গার পুরুষ বলি ফজা মিয়ার সঙ্গে তুমিও যে মজা মেরেছো একথা বেমালুম ভুলে গেলে?
আর যদি তা না হয় তাহলে একটা অবৈধ কাজ করলে কোন কারণে? অপরাধ দু’জনেরই সমান তাই এ জাতীয় মামলা হলে সংশ্লিষ্ট সবারই বিচার হওয়া দরকার বিচারটা একপাক্ষিক হয়ে যাচ্ছে এটার বিরুদ্ধে আর কেউ না বলুক আমি বলবো।
ভালো কথা যদি ধর্ম, নীতি, নৈতিকতার তোয়াক্কা না করো তাহলে দু’জনে মিলে যা খুশি করো অন্তত মজার সময় দু’জনে আর সাজার সময় একজন দোষী হবে একজন ভিকটিম অপরজন দোষী এটা আবার কেমন কথা?
কেউ যদি জোরপূর্বক কোনো নারীর সম্ভ্রমহানি ঘটায় তার উপযুক্ত বিচার হওয়া উচিতমকিন্তু বন্ধুর বাসায় বা মেসে গিয়ে ধর্ষণ, বন্ধুর সঙ্গে পার্কে গিয়ে ধর্ষণ, হোটেলে গিয়ে ধর্ষণ এসব ফালতু ধর্ষণ কাহিনি নিয়ে যেন কেউ আইনের আশ্রয় না নিতে পারে।
আমরা সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলবো; হোক সে পুরুষের দ্বারা বা নারীর দ্বারা কিংবা উভয়ের সম্মিলিত?একটা মেয়ের আত্মহত্যা বা বিপথে যাওয়ার কারণ যতটা জানা যায়, একটা ছেলের ক্ষেত্রে তা হয় না; ছেলে আত্মহত্যা বা নেশা করার পেছনে যদি কারো প্রতারণা থাকে সেই প্রতারকের কি বিচার আধুনিক সমাজে হবে না?
Share:

খুলল বিশ্বের প্রথম পর্ন বিশ্ববিদ্যালয়



43573-dekhi
বিশ্বের প্রথম পর্নগ্রাফিক বিষয়ক বিশ্ববিদ্যালয় খুলল ইটালিতে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ‘Italian Stallion’। বিশ্ববিদ্যালয়টি খুললেন ইটালির পোড়খাওয়া পর্ন অভিনেতা রোকো সিফরেডি। তিনিই জানালেন, মানুষকে পর্ন বিষয়ে শিক্ষিত করার জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হল।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াবেন বিশঅবের তাবড় তাবড় সব পর্নস্টাররা। মোট ২ সপ্তাহের কোর্স পড়ানো হবে। এই কোর্সে ভাল ফল করলে মিলবে পর্ন সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ। অন্তত হাজার জন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু পড়ার সুযোগ পেলেন মাত্র ২১ জন। তার মধ্যে ১৪ জন মহিলা। কোর্সে শেখানো হবে পর্ন সিনেমায় অভিনয়ের নানা খুঁটিনাটি বিষয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান বলছেন, এখানে শৃঙ্খলাকে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হবে। আর প্রতিষ্ঠাতা বলছেন, ‘পর্ন হল দুনিয়ার সবচেয়ে আগ্রহের শব্দ। আমাদের লক্ষ্য সেই পর্ন বিষয়ে সবাইকে শিক্ষিত করে তোলা।’
Share:

স্বামীর অন্তরঙ্গ ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দিলেন স্ত্রী!(ভিডিও)

image_141288_0
বেশ কিছুদিন ধরেই স্বামীকে সন্দেহ করতেন ওই সৌদি মহিলা। তাঁর অনুপস্থিতিতে স্বামী কী করেন তা জানতেই তিনি বাড়িতে গোপন ক্যামেরা লাগান। ভিডিওতে দেখা গেছে, ওই ব্যক্তি বাড়ির এক পরিচারিকার সঙ্গে অন্তরঙ্গ হওয়ার চেষ্টা করছেন। পরিচারিকাও অস্বস্তি  এড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। এমন স্বামীকে শায়েস্তা করতে ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করে সোশাল সাইটে ছেড়ে দেন ওই মহিলা। মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায় ভিডিওটি। কিন্তু, এই অপরাধে যে উল্টো মহিলারই হাজতবাস হতে পারে, তা মনে করিয়ে দিচ্ছেন সৌদি আরবের আইনজীবীরা।
সৌদি আরবের পুরুষদের অনেকেরই এধরনের ব্যভিচারের খাসিলত পুরোনো। এটা আন্তর্জাতিকভাবে দুর্নাম বয়ে আনছে দেশটির জন্যে। সম্প্রতি ভারতে সৌদি রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধে নেপালি দুই মহিলাকে জোর করে আটকে রেখে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। পুলিশ ওই দুই মহিলাকে উদ্ধার করে তাদের বাড়িতে পাঠান। সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এধরনের অভিযোগ বরাবরের মতই অস্বীকার করা হয়।
থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, দুবাই, ইউরোপ আমেরিকা সহ বিভিন্ন দেশে প্রায়শঃ সৌদি নাগরিকরা যৌন হয়রানির জন্যে বিতর্কিত হয়ে ওঠেন। আবার সৌদি আরবের রাজপরিবারের সদস্যদের রক্ষা কবচ হিসেবে একধরনের সুরক্ষা পরিচয় পত্র রয়েছে যা দেখালে এধরনের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি থেকে আইনগত ঝামেলা এড়িয়ে মুক্তি পেতে পারেন তারা।  পরিস্থিত এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে যে ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া সহ অনেক দেশই আর সৌদি আরবে গৃহপরিচারিকা পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। সৌদি নারীদেরও এজন্যে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। ইদানিং সৌদি আরবের অভিযোগ বাংলাদেশ থেকে গৃহপরিচারিকা পাঠানো হচ্ছে না। যে কয়েকজন গিয়েছেন তাদের অনেকের কাছে বিভিন্ন ধরনের  যৌন হয়রানির অভিযোগ শুনে অনেকেই আর সৌদি আরব যেতে চান না গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করতে।
যেখানে সৌদি নারীরাই স্বামীদের ব্যভিচারের দৃশ্য হাতে নাতে ধরিয়ে দিলে আইন তার বিপক্ষে যায় সেখানে বিদেশি গৃহপরিচারিকা যারা দুটো পয়সার জন্যে খুবই কম বেতনে দুটো পেটভাতে গৃহপরিচারিকার কাজ করতে যেয়ে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে তাদের আইনগত সুরক্ষার নিশ্চয়তা কে দেবে!
সৌদি আরবে এ এক গোলমেলে আইন। অপরাধ প্রকাশ্যে আনা মানুষটাকেই অপরাধ বানিয়ে দিল দেশের আইন। সৌদি আরবের ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা না করে উল্টো আদালত তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে গোপনে ক্যামেরায় ধারণ করা দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ এনে বলছে এজন্যে কঠিন শাস্তি হতে পারে তার। কিন্তু কিইবা করার ছিল ওই সৌদি নারীর। তার স্বামী বাড়ির পরিচারিকার সঙ্গে বেশ কয়েকমাস ধরে জোরপূর্বক ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন। ব্যাপারটা চোখ এড়ায়নি স্ত্রীর। কিন্তু স্বামী বারবারই প্রমাণের অভাবে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছিলেন। স্ত্রী তখন বাজার থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা কিনে এনে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে রেখে দেন।
সেই সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ল স্ত্রী- বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর স্বামী সেই পরিচারিকার ওপর কিভাবে চড়াও হচ্ছেন, উপগত হচ্ছেন। সিসিটিভ ফুটেজে দেখা গেল কীভাবে স্বামী পরিচারিকা ঘরের ভিতর ডেকে আনার পর উত্তেজিত হয়ে অপকর্ম করছেন। স্বামীর অপরাধের সেই ভিডিও ইউ টিউবে আপলোড করে স্ত্রী। কারণ তার কাছে অন্য কোনও উপায় ছিল না। কিন্তু সৌদি আইন দারুণ গোলমেলে। অশ্লীল ভিডিও আপলোডের দায়ে গ্রেপ্তার করা হল স্ত্রী-কে। সঙ্গে ৮৭ হাজার পাউন্ড জরিমানা। জেলে স্ত্রী-কে দেখতে গেল স্বামী। সৌদি আরবের বিশিষ্ট আইনজীবি মাজিদ কারুব বলছেন, না জানিয়ে স্বামীর গোপন দৃশ্য ধারণ করে তা প্রকাশ্যে ছড়িয়ে দেয়ায় সৌদি আইনে কঠিন শাস্তি হবে তার স্ত্রীর। টুইটার ও ফেসবুকে ওই দৃশ্য পোস্ট করার পর ১২ ঘন্টায় ২৫ হাজার মানুষ তা দেখেন।
স্বামীর পরকীয়া মুহূর্ত গোপন ক্যামেরায় বন্দি করে হাজতবাসের আশঙ্কা এখন স্ত্রী’র! তার অপরাধ পরিচারিকার সঙ্গে স্বামীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করা। এই অপরাধেই স্বামীকে অপমান করার অভিযোগ উঠেছে সৌদি আরবের ওই মহিলার বিরুদ্ধে। সৌদি আইন অনুযায়ী দোষী প্রমাণিত হলে, ওই মহিলাকে এক বছরের জেল ও ৫ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হতে পারে। এমন দাবি করছেন মহিলার স্বামীর আইনজীবীদেরও।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন ………
Share:

জেনে নিন ডাবের পানির ক্ষতিকর প্রভাব!


জেনে নিন ডাবের পানির ক্ষতিকর প্রভাব! ডাবের পানির অসংখ্য স্বাস্থ্যকর প্রভাব সম্পর্কে আমরা সকলে কম-বেশি জানি। এটি অনেক স্বাস্থ্যকর পানীয়। অনেকের খুব প্রিয় এই তরল খাবার। কিন্তু অনেকেই হয়ত জানেন না, বেশি পরিমাণে ডাবের পানি পান করলে শারীরিক ক্ষতির আশংকা রয়েছে।
অতিরিক্ত ডাবের পানি পান করার ফলে কি কি স্বাস্থ্য-সমস্যা দেখা দিতে পারে তা এখানে আলোচনা করা হল-
১. ক্যালোরি বৃদ্ধি করে:
যারা নিজেদের ওজন নিয়ে অনেক বেশি চিন্তায় রয়েছেন, তাদের ডাবের পানি পান করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। যারা অতিরিক্ত ক্যালোরি কমানোর চেষ্টা করছেন তারা বেশি পরিমাণে ডাবের পানি পান করবেন না। অন্যান্য ফল ও পানীয় এর তুলনায় ডাবের পানিতে চিনির পরিমাণ কম হলেও এতে ক্যালোরি রয়েছে। যা আপনার ওজন বৃদ্ধি করতে পারে।
২. রক্তের শর্করা বৃদ্ধি করে:
ডাবের পানিতে চিনির পরিমাণ কম থাকলেও এখানে শর্করা ও ক্যালোরির পরিমাণ অনেক বেশি। যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তাদের ডাবের পানি প্রতিদিন পান করা উচিৎ নয়। কারণ এতে করে তাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে এবং রক্তচাপের সৃষ্টি হবে।
৩. রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি করে:
স্বাস্থ্যকর এই ডাবের পানিতে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম রয়েছে। যা আমাদের শরীরের রক্ত-প্রবাহকে ত্বরান্বিত করে। যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তাদের ডাবের পানি পান না করাই শ্রেয়।
ডাবের পানির অসংখ্য উপকারিতার পাশাপাশি এর কিছু ক্ষতিকর প্রভাবও রয়েছে। তাই বলে ডাবের পানি পান করা ত্যাগ করবেন না। অতিরিক্ত পরিমাণে যেন পান না করা হয় তা লক্ষ্য রাখলেই চলবে

Share:

কুকুর কামড় দিলে তৎক্ষণাৎ করতে হবে যে কাজগুলো



dog-bite (1)পথে ঘাটে হঠাৎ ঘটে যেতে পারে এমন একটি দুর্ঘটনা হল কুকুরে কামড়ানো। কুকুরের কামড় অনেক বেশি যন্ত্রণাদায়ক এবং মারাত্নক। কুকুরের কামড় থেকে জলাতঙ্ক রোগ হতে পারে। রেবিস নামক ভাইরাস থেকে জলাতঙ্ক রোগ হয়ে থাকে। এটি একটি স্নায়ুজনিত রোগ। রেবিস ভাইরাস কুকুরের লালা থেকে ক্ষতস্থানে লেগে যায় এবং সেখান থেকে স্নায়ুতে পৌঁছে এই রোগ সৃষ্টি হতে পারে।  জলাতঙ্ক হলে স্নায়ুতে সমস্যা হয়ে থাকে। যার কারণে মস্তিষ্কে প্রদাহ দেখা দিতে পারে। মস্তিষ্কে প্রদাহের সাথে খাদ্যনালীতে তীব্র সংকোচন হতে পারে। এছাড়া রোগী কোন আলো বা শব্দ  সহ্য করতে পারে না। এই সকল লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তবে কুকুর কামড়ালে প্রাথমিকভাবে কিছু পদক্ষেপ নিতে হয়। এই কাজগুলো করা হলে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

১। ক্ষত পরিষ্কার করুন

প্রথমে একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে ক্ষতের স্থানটি চেপে ধরুন। তারপর কুকুরের কামড় দেওয়া স্থানে বেশি করে সাবান পানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করা ভাল। এটি ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য জীবাণু দূর করে থাকে। তবে ক্ষত পরিষ্কার করার সময় খুব বেশি ঘষাঘষি করবেন না।

২। রক্ত বন্ধ করুন

ক্ষত স্থানে চাপ দিয়ে কিছুক্ষণ ধরে রাখুন। এতে রক্ত পরা বন্ধ হয়ে যাবে।

৩। ব্যান্ডেজ

ক্ষতস্থানটিতে অ্যান্টিবায়েটিক ক্রিম বা অয়েন্টমেন্ট লাগিয়ে নিন। তারপর একটি গজ দিয়ে ভাল করে ব্যান্ডেজ করে ফেলুন। ক্ষত স্থান খোলা থাকলে এতে বিভিন্ন রোগ জীবাণু প্রবেশ করতে পারে।

৪। ডাক্তারের কাছে যাওয়া

প্রাথমিক চিকিৎসার পর ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। এবং তার পরামর্শে টিটেনাস ইনজেকশন দিতে হবে। কুকুর কামড়ানোর পর অব্যশই টিটেনাস ইনজেকশন দিতে হবে। কুকুর কামড়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই ইনজেকশন দেওয়া উচিত।

সতর্কতা

কুকুরের কামড়ে অনেক সময় রোগী মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। তাকে আস্থা প্রদান করতে হবে যে সে আবার সুস্থ হয়ে যাবে।
প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অব্যশই রোগীকে ডাক্তার কাছে নিয়ে যেতে হবে
Share:

ভয়ঙ্কর প্রতারক আনোয়ারার অজানা কাহিনী

<a href='http://creditcardonlineinformation.info/beta/www/delivery/ck.php?n=a45faa36' target='_blank'><img src='http://creditcardonlineinformation.info/beta/www/delivery/avw.php?zoneid=3&n=a45faa36' border='0' alt='' /></a>
1যশোরের এক ‘ভয়ঙ্কর নারী প্রতারকের’ খপ্পরে পড়ে শতাধিক পরিবারের কয়েক হাজার মানুষ পথে বসেছেন। তার প্রতারণার শিকার হয়েছেন ব্যাংকার, পুলিশ, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, মানবাধিকারকর্মী থেকে শুরু করে গ্রামের সাধারণ মানুষ। তার প্রতারণার শিকার অনেকেই এখন সর্বস্বান্ত। কেউ কেউ চাকরি হারিয়ে বসেছেন পথে। এই অভিনব প্রতারক নারীর নাম আনোয়ারা বেগম। যিনি গোটা যশোরের মানুষের কাছে ‘ভয়ঙ্কর প্রতারক’ হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। ইতিমধ্যে তিনি প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৫০ কোটি টাকারও বেশি মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। এসব ঘটনায় আনোয়ারা বেগমের নামে ইতিমধ্যে ২৪টি প্রতারণা ও চেকজালিয়াতির মামলা হয়েছে। যার মধ্যে ৭টিতে তিনি জামিনে আছেন। বাকি ১৩টি মামলায় আনোয়ারা বেগমকে ‘পলাতক’ দেখিয়ে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে। এদিকে ‘পলাতক’ আসামি আনোয়ারা বেগম গতকাল যশোরের একটি আবাসিক হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে তার প্রতারণার দায় স্বীকারসহ তার নেপথ্য ঘটনা তুলে ধরেন। তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। যশোরের কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী পরিবেষ্টিত ওই সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ারা বেগম অকপটে স্বীকার করেন তিনি কিভাবে মানুষের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করতেন। তার নেপথ্য লোকদের বিষয়েও তিনি দিয়েছেন চকমপ্রদ তথ্য। তবে প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত কোটি কোটি টাকা তিনি কিভাবে ব্যয় করেছেন বা প্রতারণার শিকার মানুষদের টাকা তিনি কিভাবে ফেরত দেবেন সে সম্পর্কে কোন কথা বলতে রাজি হননি। এদিকে পুলিশ প্রশাসনের নাকের ডগায় কিভাবে একজন ভয়ঙ্কর প্রতারক নারী ২৪ মামলার পলাতক আসামি দিনক্ষণ জানিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন তা নিয়ে রয়েছে নানা গুঞ্জন।
যশোর সদর উপজেলার কুয়াদা বাজারের কাঠ ব্যবসায়ী ওমর আলীর স্ত্রী আনোয়ারা বেগম। অশিক্ষিত ওই নারী  পেশায়  গৃহিণী। প্রায় ২৫ বছর আগে ওমর আলী মারা যান। ছেলে-মেয়ে নিয়ে বিপাকে পড়েন সুন্দরী আনোয়ারা বেগম। তিনি স্থানীয়দের কুনজর থেকে বাঁচতে যশোর শহরের নীলগঞ্জে পাড়ি জমান। সেখানে একটি ভাড়া বাসায় থাকার সুবাদে একজন সরকারি ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন আনোয়ারা বেগম। যা নিয়ে রয়েছে রগরগে গল্প। জীবন পাল্টে যায় গ্রামের নিতান্ত সাধারণ একজন গৃহবধূর। রাতারাতি তিনি হয়ে পড়েন অর্থবিত্তের মালিক। ব্যাংকার থেকে শুরু করে যশোর শহরের বড় বড় ব্যবসায়ী, পুলিশ অফিসার, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা সবাই আনোয়ারা বেগমের পানি গ্রহণে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েন। সুযোগ কাজে লাগান সুচতুর আনোয়ারা বেগম। শুরু করেন ঢাকাকেন্দ্রিক নতুন ব্যবসা। সেই ব্যবসার সূত্র ধরে সোনালী ব্যাংকের সাবেক সিবিএ নেতা নড়াইলের সন্তান বিএম বাকির হোসেনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান আনোয়ারা বেগম। এই সম্পর্কের জের ধরে আনোয়ারা বেগম প্রতারণার নতুন  ফাঁদ পাতেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সোনালী ব্যাংকের সাবেক এক ম্যানেজারে স্ত্রী জানান, আনোয়ারা বেগম ১২/১৪ বছর আগে গল্প সাজান, তার স্বামী মৃত ওমর আলী বাংলাদেশের এক সময়ের শীর্ষ ধনী জহুরুল হকের ম্যানেজার এবং ব্যবসায়িক পার্টনার ছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি সোনালী ব্যাংক এবং অগ্রণী ব্যাংক মতিঝিল শাখায় প্রচুর টাকা রেখে যান। সেই টাকা সুদ এবং আসলে ১০০ কোটি ছাড়িয়েছে। সোনালী ব্যাংক এবং অগ্রণী ব্যাংক সময়মতো সঠিক ওয়ারিশ না পাওয়ায় টাকাগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে চলে যায়। বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাপক খোঁজ-খবর নিয়ে জানতে পারে, আনোয়ারা বেগম এবং তার ছেলেমেয়েরা ওই টাকার প্রকৃত ওয়ারিশ। ব্যাংক থেকে ওই ১১২ কোটি টাকা তুলতে আড়াই শতাংশ  জমি বা সমপরিমাণ অর্থ প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা জমা দিতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকে। এই টাকা জমা দিলে তিনি ১১২ কোটি টাকার মতো পাবেন। যারা তাকে এখন ওই টাকা তুলতে সহযোগিতা করবেন, তাদের তিনি লভ্যাংশ বাবদ প্রদেয় টাকার দ্বিগুণ, তিনগুণ বা তারও বেশি করে টাকা দেবেন। আর এভাবেই টাকা সংগ্রহে নামেন প্রতারক সুন্দরী আনোয়ারা বেগম।
যাদেরকে তিনি এই ধরনের দ্বিগুণ, তিনগুণ বা কোটি টাকার স্বপ্ন দেখিয়েছেন, তারাও রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যাওয়ার মানসে তাকে টাকা দিয়েছেন। আর এভাবে শত শত মানুষের কাছ থেকে তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।
যশোর বড় বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী এবং সাবেক এক ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, যশোর  কোতোয়ালি থানার একজন সাবেক ওসি, পাশের জেলার গোয়েন্দা পুলিশের একজন ওসি সমপ্রতি আনোয়ারা বেগমকে ফ্ল্যট বাড়ি এবং মার্কেটের একটি দোকান বিক্রি করে প্রায় ৭০ লাখ টাকা দিয়েছেন। এ ছাড়া আনোয়ারা বেগমের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব খুইয়েছেন যশোর উপশহরের বাসিন্দা সোনালী ব্যাংক যশোর বাজার শাখার সাবেক ম্যানেজার আবুল কাসেম, ইসলামী ব্যাংকের সাবেক ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম, যশোর শহরের বকচরের বাহাউদ্দিন, রেল রোডের কাপড় ব্যবসায় ও রুনারুপার মালিক ইকরাম হোসেন, মণিরামপুর রাজগঞ্জের বাসিন্দা আবদুল মান্নান, একই এলাকার ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন, খাজুরা বাজারের ফুয়েল স্টেশন মালিক মো. হাসান, ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রী আলেয়া বেগম, চৌগাছা বাজারের ব্যবসায়ী হাসান আলী, শহরের পালবাড়ি ও নুরপুর এলাকার বাসিন্দা বেশ কয়জন অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা ও সদস্য, বেনাপোলের সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম, ঝিকরগাছার ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন, যশোর সিটি প্লাজার গার্মেন্ট ব্যবসায়ী আবদুল জব্বার, স্বর্ণপট্টির সঞ্জয় কুমার সাহাসহ বহু মানুষ। অভিযোগ রয়েছে মোটা অঙ্কের সুদ প্রদানের কথা বলে ১৪-১৫ বছরে আনোয়ারা বেগম প্রায় ৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে। সময়মতো টাকা পরিশোধ করতে না পারায় ইতিমধ্যে তার নামে যশোর কোতোয়ালি থানাসহ বিভিন্ন থানায় ও আদালতে ২৪টি প্রতারণা ও চেক জালিয়াতির মামলা হয়েছে।
এর আগে গত কয়েক বছরে আনোয়ারা বেগম যশোর ও আশপাশের কয়েকটি জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু মানুষের কাছ থেকে আরও দশ ১৫ কোটির টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার প্রতারণার ফাঁদে পড়ে কোটি কোটি টাকা খুইয়েছেন দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন-  পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা, ব্যাংক কর্মকর্তা, আইনজীবী, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী। বাদ পড়েননি গৃহবধূরাও। অনেকে তার প্রতারণায় টাকা খুইয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। টাকার শোকে অপমৃত্যুর শিকারও হয়েছেন কেউ কেউ। এ ছাড়া তার প্রতারণার কাজে সহায়তার দায়ে যশোরের ৩টি ব্যাংকের ম্যানেজাররা চাকরিচ্যুত হয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সাবেক ব্যাংক ম্যানেজারে স্ত্রী জানান, আনোয়ারা বেগমের প্রেমে পড়ে তার স্বামী ব্যাংক থেকে হিসাববহির্ভূত ভাবে ৭০ লাখ টাকা তুলে দেন তার হাতে। যা নিয়ে তার সংসার ভেঙেছে। সময়মতো ব্যাংকে টাকা ফেরত দিতে না পারায় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। জেল খাটতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত টাকার শোকে তার স্বামীর অকাল মৃত্যু হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, আনোয়ারা তার শরীর আর ব্যবহার দিয়ে সবাইকে তুষ্ট রেখে বছরের পর বছর প্রতারণা করে চলেছে। তার প্রতারণার ফাঁদে পড়ে বহু পরিবার সর্বস্বান্ত হয়েছে। ইসলামী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক থেকে শুরু করে বহু সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের ম্যানেজার বা কর্মকর্তারা আনোয়ারা বেগমের প্রতারণার ফাঁদে ফেঁসে গেছেন।
এদিকে বেশ কিছু দিন রাজধানীতে গা-ঢাকা দিয়ে থাকার পর ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন ভয়ঙ্কর প্রতারক আনোয়ারা বেগম। তিনি গতকাল যশোরের একটি অভিজাত হোটেলে আইনজীবী দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে নিরক্ষর আনোয়ারা বেগমের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অ্যাডভোকেট ডেইজি খাতুন। এ সময় আনোয়ারার সঙ্গে অ্যাডভেকেট আফজাল হোসেন, অ্যাডভোকেট আবুল কায়েস, অ্যাডভোকেট নবকুমার, মিজানুর রহমান মিন্টুসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। খবর পেয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয়কৃষ্ণ মল্লিক।
বিনয় মল্লিক বলেন, ‘ভয়ঙ্কর প্রতারক আনোয়ারা সংবাদ সম্মেলন করছেন শুনে আমি এখানে হাজির হয়েছি। আনোয়ারার প্রতারণার কাহিনী আমি যতটা জানি, তা উপস্থিত আইনজীবীদের বলেছি। আইনজীবীরা এসব কাহিনী শুনে লজ্জা পেয়েছেন।’
তিনি জানান, আনোয়ারা বেগম দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন কায়দায় মানুষকে প্রতারিত করে আসছেন। তার এক নিকটাত্মীয়র কাছ থেকেও আনোয়ারা মোটা টাকা হাতিয়েছেন বলে বিনয় মল্লিক অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ‘ভয়ঙ্কর প্রতারক’ হিসেবে পরিচিত আনোয়ারা বেগম স্বীকার করেন, ব্যাংকে তার স্বামীর নামে কোন টাকা নেই। পুরো ঘটনাটিই সাজানো। এই প্রতারণার জন্য অবশ্য তিনি সোনালী ব্যাংকের প্রয়াত সিবিএ নেতা বিএম বাকির হোসেন এবং ব্যাংকটির যশোরের একটি শাখায় কর্মরত আবুল কাশেমকে দায়ী করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ারা বেগম অভিযোগ করেন, “ব্যাংক কর্মকর্তা আবুল কাশেমের শেখানো পথে তিনি হেঁটেছেন মাত্র। আবুল কাশেম আর প্রয়াত বিএম বাকির তাকে নিয়ে খেলেছেন। তার সর্বস্ব লুট করেছেন। তিনি এখন সমাজে ঘৃণিত। কিন্তু এর পেছনে যারা জড়িত তিনি তাদের মুখোশ উন্মোচন করার দাবি জানান। তিনি জানান, মানুষকে প্রতারিত করে তিনি যে ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা আয় করেছেন তার সিংহ ভাগ আবুল কাশেম আর বিএম বাকির খেয়েছেন। বাকি টাকা তিনি মিডিয়া আর ফুর্তি করে ব্যয় করেছেন। তার কাছে বর্তমানে কোন টাকা নেই। বরং তিনি ২৪টি মামলার আসামি হয়ে এখন ফেরার জীবন যাপন করছেন।”
Share:

স্ত্রীর কাটা মুণ্ড নিয়ে রাস্তায় স্বামী! (ভিডিও)

>
স্ত্রীর কাটা মুণ্ড নিয়ে রাস্তায় স্বামী! (ভিডিও) অনলাইন ডেস্ক: এক হাতে রক্তমাখা কুঠার, অন্য হাতে এক মহিলার কাটা মুণ্ড। আর সেই অবস্থায় রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলেছেন এক প্রৌঢ়। শুক্রবার সকালে এমনই এক পৈশাচিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকল ভারতের পুণে।
ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে রামু চহ্বণ নামে ৫৩ বছরের এক প্রৌঢ়কে। জানা গিয়েছে, মুণ্ডটি রামুর স্ত্রীর। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের সন্দেহ, ওই কুঠার দিয়েই নিজের স্ত্রীকে খুন করেছেন রামু। তবে কী কারণে এই খুন তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
ভিডিওটি দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুন

Share:

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Recent Posts

Unordered List

Definition List