বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৫

স্কুল ফটকে ছাত্রীকে খুন

কবিতা রানী দাসগাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর এলাকার বিজয় সরণী উচ্চ বিদ্যালয়ের ফটকে কবিতা রানী দাস (১৬) নামের এক স্কুলছাত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় বিক্রম মনি দাস নামের এক যুবক এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়। পুলিশ বিক্রমকে আটক করেছে।
নিহত কবিতা ধামরাই উপজেলার সাটুরিয়া গ্রামের সাগর মনি দাসের মেয়ে। সে নানার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করত। সে এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। স্কুলে এখন টেস্ট পরীক্ষা চল​ছে। আজ দুপুর দেড়টায় তার হিসাব বিজ্ঞান পরীক্ষা ছিল।
কবিতার বান্ধবীদের সঙ্গে কথা বলে তার পরিবার জানায়, পরীক্ষা দিতে বেলা ১টার দিকে কবিতা স্কুল গেটের সামনে পৌঁছায়। এ সময়ে আগে থেকে ওত পেতে থাকা বিক্রম স্কুল গেটের সামনে কবিতার গতিরোধ করে। সেখানে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কবিতাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এ সময় আশপাশের লোকজন ও স্কুলের শিক্ষকেরা এসে বিক্রমকে আটক করে এবং কবিতাকে উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত ​কবিতার পরিবারের অভিযোগ, বিক্রম বেশ কিছুদিন ধরে কবিতাকে স্কুলে যাওয়া আসার পথে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। এ কারণে প্রায় এক মাসের মতো মেয়েটির নানি তাকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া আসা করত। তিনি অসুস্থ থাকায় আজ নিয়ে যেতে পারেননি।
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান বলেন, টেস্ট পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে তাঁরা ব্যস্ত ছিলেন। বেলা একটার দিকে স্কুল ফটকে চিৎ​কার শুনে তাঁরা ​ছুটে যান। সেখানে কবিতাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় তাঁরা আশপাশের লোকজন নিয়ে ছুটে গিয়ে বিক্রমকে আটক করেন। কবিতাকে এই বখাটের উত্ত্যক্ত করার বিষয়টি আগে থেকে জানতেন তিনি। এর আগে কয়েকবার মুচলেকা দিলেও ওই বখাটে ঠিক হয়নি।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
বিক্রমকে থানায় নিয়ে আসার পর তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, ​তিনি গণবিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর প্রথম বর্ষের ছাত্র। তাঁর বাড়ি কালিয়াকৈর উপজেলার কাঞ্চনপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায়।
Share:

সোনমের পুলসাইড সেলফি ঝড় তুলল সোশ্যাল মিডিয়ায়!

<a href='http://creditcardonlineinformation.info/beta/www/delivery/ck.php?n=a45faa36' target='_blank'><img src='http://creditcardonlineinformation.info/beta/www/delivery/avw.php?zoneid=3&n=a45faa36' border='0' alt='' /></a>
25
এর আগে পুরোদস্তুর মেক-আপ সমেত গোলাপি বিকিনিতে সুইমিং পুলের ধারে দেখা গিয়েছে তাঁকে! তবে এ বার আর সেলুলয়েড নয়, পুলসাইডে কাটানো নিজস্ব মুহূর্তের ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করলেন সোনম কপূর। আর দেখতে দেখতে সেই ছবি নিয়ে উত্তাল হল সোশ্যাল মিডিয়া!

এমনিতে অবশ্য সোনম যা করেন, তাতেই ঝড় ওঠে! ঐশ্বর্যা রাই বচ্চনকে আন্টি, শোভা দে-কে ফসিল বলে ডাকায় কম হুলুস্থুলু হয়নি মিডিয়ায়। কিন্তু, এ বারে আর কোনও বিতর্ক নয়। শুধু ভক্তদের ভাললাগাই সোনমের পোস্ট করা ছবিদুটোকে হিট করে তুলেছে।
সেই ছবিদুটোর একটাতেও কিন্তু সুইমসুটে নেই সোনম। একটা ছবিতে তাঁকে আবক্ষ দেখা যাচ্ছে। আর একটা ছবিতে দেখা যাচ্ছে তাঁর পা! পায়ের উপর সানগ্লাস রেখে সেই ছবি আপলোড করতেই ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
সোনমের আর একটা পুলসাইড সেলফি
এর পরে জানতে বাকি থাকে আর দু’-একটা জিনিস! পুলের ধারে কী করছিলেন সোনম? একাই ছিলেন? না কি সঙ্গে ছিলেন মনের মানুষ?
সোনম এখন দিন-রাত কেবল পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। লস অ্যাঞ্জেলসে ফটোশুট, মুম্বইতে ‘প্রেম রতন ধন পায়ো’-র প্রচার, লন্ডনে এক সমাজসেবী সংস্থার হয়ে টাকা তুলতে যাওয়া— এত কিছুর পরে একটু নিজের জন্য সময় বের করে নিয়েছেন নায়িকা। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছেন গোয়ায়। দক্ষিণ গোয়ার রিসর্টের পুলসাইড থেকেই ছবিদুটোকে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন সোনম।
Share:

বাবা-মাকে খুন করা নিয়ে একি বললেন ঐশী



1পুলিশের স্পেশাল  ব্রাঞ্চের (পলিটিক্যাল শাখা) ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানকে হত্যার কথা আদালতে পুরোদস্তুর অস্বীকার করেছেন তাদের মেয়ে ঐশী রহমান।
মঙ্গলবার মামলাটিতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে বাবা-মাকে খুনের কথা অস্বীকার করেন ঐশী। ঐশীর আইনজীবী মাহবুবুর রহমান রানা বাংলামেইলকে ওই লিখিত বক্তব্যের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
  1.  
আইনজীবীর বক্তব্য অনুয়ায়ী, ঐশী দাবি করেছে, ঘটনার সময় সে অপ্রাপ্তবয়ষ্ক ছিল। এর সমর্থনে সে আদালতে একটি সনদপত্রও দাখিল করেন। কিন্তু পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে তাকে অমানবিক নির্যাতন করে। ফলে পুলিশের কথা অনুযায়ী ঐশী স্বীকারোক্তি দিয়েছে। তাছাড়া সে তার বাবা-মাকে খুনের রাতে বাসায়ই ছিল না। বন্ধুর বাসায় হুইস্কি খেয়ে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিল। কারা বাবা-মাকে খুন করেছে সে তাও জানে না।
এরপর, ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাঈদ আহমেদ ঐশীর আত্মপক্ষ সমর্থন শেষে আগামি ২০ অক্টোবর যুক্তিতর্ক উপস্থানের জন্য দিন ধার্য করেন। এ মামলায় মোট ৩৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের চামেলীবাগে নিজেদের বাসা থেকে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (পলিটিক্যাল শাখা) ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর পরদিন তাদের মেয়ে ঐশী গৃহকর্মী সুমীকে নিয়ে রমনা থানায় আত্মসমর্পণ করেন। ওই বছরের ২৪ আগস্ট আদালতে খুনের দায় স্বীকার করে ঐশী জবানবন্দি দেন। পরে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি নেয়া হয়েছিল দাবি করে গত ৫ সেপ্টেম্বর স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন করা হলে আদালত তা নথিভূক্ত রাখার নির্দেশ দেন।
২০১৪ সালের ৯ মার্চ ডিবির ইন্সপেক্টর আবুল খায়ের মাতুব্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে ঐশীসহ ৪ জনকে অভিযুক্ত করে পৃথক দুটি চার্জশিট দাখিল করেন।
Share:

ব্রণ জানান দেবে অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অসুখ

1bg_852477516
আপনার মুখমণ্ডলের বিভিন্ন অংশে কি দীর্ঘদিন ধরে ব্রণ বা দাগ রয়েছে? তাহলে কিছু বিষয় ‍জেনে রাখা ভালো।

বিশেষজ্ঞদের মতে আমাদের মুখের ত্বক অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের প্রতিচ্ছবি। অর্থাৎ, মুখের এক একটি অংশের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অঙ্গের সংযোগ রয়েছে। ফলে এসব স্থানে দাগ বা ব্রণ হলে খেয়াল করুন আপনার অজান্তেই আপনার অভন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কিনা।
লন্ডনভিত্তিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ জন টাগরিস জানান, মুখে বিভিন্ন অংশের দাগ মূলত দুশ্চিন্তা, খাদ্যাভাস, পরিপাক, শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা, পানিস্বল্পতা হরমোনজনিত সমস্যা প্রভৃতির কারণে হয়ে থাকে।
জন দীর্ঘদিন চীনা চিকিৎসাবিধি অনুসরণ করে আসছেন। তাদের চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, মুখের বিভিন্ন অংশ যেমন নাক, কপাল, চোয়াল, গাল প্রভৃতির সঙ্গে হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনি, লিভার, ব্লাডারের সংযোগ রয়েছে। এটিকে বলা হয় ফেস ম্যাপ।
এক কথায়, মুখমণ্ডলের বিভিন্ন অংশের ত্বকের সুস্থতা জানান দেবে আপনার অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঠিকভাবে কাজ করছে বা সেগুলো সুস্থ রয়েছে কিনা। আসুন জেনে নিই-

কপাল
সাধারণত পরিপাকতন্ত্র বা মূত্রাশয়ে সমস্যা থাকলে কপালে ব্রণ বা দাগ দেখা দেয়। এ সমস্যা সমাধানে জনের পরামর্শ- প্রচুর পানি পান, গ্রিন টি ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ। এসব খাবার শরীরের টক্সিন ও অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য শরীর থেকে বের করে দেয়। এছাড়াও পরিপাকক্রিয়ার ভারসাম্যহীনতা দূর করতে সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। জানান জন।
ভ্রু’র আশপাশে ধারণা করা হয়, যকৃতের সমস্যা থাকলে ভ্রু’র  আশপাশে দাগ দেখা দিতে পারে। এছাড়াও বেশি পরিমাণে তেল-মসলা ও ফ্যাটজাতীয় খাবার এর অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত। সেক্ষেত্রে বাড়িতে তৈরি কম তেলে রান্নার খাবার খান এবং চিনি ও লবণ খাওয়ার মাত্রা কমিয়ে দিন।

গাল
গাল ফুসফুসের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। আপনি যদি প্রতিনিয়তই ঠাণ্ডা ও সর্দিতে ভোগেন, শ্বাসকষ্ট বা যদি বুকে ইনফেকশন থাকে তাহলে গালে দাগ হতে পারে। সেক্ষেত্রে জনের দেওয়া সমাধান, ধূমপান বর্জন করুন। সবুজ শাক-সবজি খান, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া কমিয়ে দিন।
নাক
হৃদযন্ত্রে সমস্যা, অতিরিক্ত হরমোন নিঃসরণ, খাদ্যের জৈব উপাদান ও ফ্রি রেডিক্যালস নাকে দাগ বা ব্রণ হওয়ার জন্য দায়ী। জনের মতে, হরমোন নিঃসরণে ভারসাম্য না থাকলে তা ত্বকের সিবাসিয়াস গ্রন্থি থেকে তৈলাক্ত রস সিবাম উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায়। ফলে ত্বকে ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয় ও লোমকূপে পানি জমে। যা পরবর্তীতে ব্রণ তৈরি করে।
এর সহজ সমাধান হলো শসা, তরমুজ, গাঁজর, বাঁধাকপি, লেটুস, আলু, চেরি, পেঁপে ইত্যাদি।

চিবুক ও চোয়াল
এ দুই স্থানে দাগ থাকলে বুঝতে হবে আপনার কিডনি বা ব্লাডারে অসুস্থতা রয়েছে অথবা হরমোন নিঃসরণ স্বাভাবিকের তুলনায় কম বা বেশি। জন জানান, পর্যাপ্ত ঘুম, বিশ্রাম, প্রচুর পানি পান করলে এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব
Share:

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৫

একবার চার্জেই চলবে ৪০ দিন



phone
স্মার্টফোন দীর্ঘক্ষণ সচল রাখার জন্য চীনের হ্যান্ডসেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অকিটেল তৈরি করলে শক্তিশালী ব্যাটারির স্মার্টফোন।
  1.  
ফোনটির মডেল কে৬০০০। ফোনটিতে আছে ৬০০০ মিলিঅ্যাম্পায়ার আওয়ারের ব্যাটারি।
এর আগে অকিটেল ১০ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার ব্যাটারির একটি ফোন বাজারে ছাড়ে।
গিজমো চায়না জানিয়েছে, অকিটেলের নতুন এই ফোনটির ব্যাটারি সম্পূর্ণ চার্জ হলে টানা ৪০ দিন পর্যন্ত সচল থাকে। অন্যদিকে এটি দিয়ে একটানা ৪৬ ঘণ্টা গান শোনা যাবে। এই ফোনটিতে ফাস্ট চার্জি প্রযুক্তি রয়েছে।
ফোনটি মাত্র ৫ মিনিট চার্জ দিলে ২ ঘণ্টা কথা বলা যাবে। এটিতে রিভার্স চার্জিং প্রযুক্তি আছে। ফলে এটি দিয়ে অন্যফোনেও চার্জ দেয়া যাবে।
ফোনটির কনফিগারেশন ও দরদাম সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
Share:

নতুন পে-স্কেলঃ নতুন নিয়মে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন চাকরীজীবীরা

1টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাদ দিয়ে মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত নতুন পে-স্কেলের এক মাস পেরিয়ে গেলো।টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাদ দিয়ে প্রতি বছর সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পাঁচ শতাংশ হারে বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। পুরনো পদ্ধতি টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বহাল থাকলেই চাকরিজীবীরা লাভবান হবেন। এ কারণে নতুন বেতন কাঠামোতে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল করে নতুন যে সুবিধার ঘোষণা দেয়া হয়েছে তা চ্যালেঞ্জ করে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সচিবালয় সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। চলতি সপ্তাহে প্রতিবেদনটি সরকারের গঠিত বেতন বৈষম্য দূরীকরণ কমিটির কাছে জমা দেয়া হয়। ওই প্রতিবেদনে হিসাব করে দেখানো হয়, দীর্ঘমেয়াদে একজন চাকরিজীবী টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডেই লাভবান হবেন। খবর যুগান্তরের।
সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদের প্রতিবেদনে অষ্টম বেতন কাঠামোর ২০টি গ্রেডের সুবিধা আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত পর্যালোচনা করা হয়। এতে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাদ দিয়ে পাঁচ শতাংশ হারে বেতন বৃদ্ধিতে ক্ষতি এবং ওই দুটি সুবিধা বহাল রাখা হলে লাভের বিষয়টি পাশাপাশি হিসাব করে দেখানো হয়।
  1.  
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব জাকারিয়া বলেন, বেতন বৈষম্য দূরীকরণ কমিটিকে হিসাবসহ প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে। আমরা যে হিসাব দিয়েছি অর্থমন্ত্রী সে হিসাব যাচাই করে দেখতে পারেন। অর্থমন্ত্রীর সুবিধার জন্যই আমরা এসব তথ্য প্রদান করেছি। পাশাপাশি এ বিষয়ে কথা বলার জন্য আমরা সাক্ষাতের সময় চেয়েছি মন্ত্রীর কাছে। এখন কমিটি এসব তথ্য পর্যালোচনা করে দেখতে পারবে।
কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নতুন পে-স্কেলে বছরে পাঁচ শতাংশ হারে বেতন বৃদ্ধিতে ২০৩০ সালে গিয়ে সর্বনিম্ন গ্রেডের (২০) একজন কর্মচারীর বেতন ৮২৫০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ১৭ হাজার ১৫১ টাকা। কিন্তু সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বহাল রাখা হলে কোনো পদোন্নতি ছাড়াই একই সময়ে সর্বনিম্ন গ্রেডের কর্মচারীর বেতন দাঁড়াবে ২৪ হাজার ৭৬৩ টাকা।
একইভাবে নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী ২০৩০ সালে গ্রেড-২-এর বেতন হবে এক লাখ ১৪ হাজার ৬৪৮ টাকা, গ্রেড-৩-এর বেতন হবে ১ লাখ ১৭৫৩ টাকা, গ্রেড-৪-এর বেতন ৯০ হাজার ৪৭ টাকা, গ্রেড-৫-এর বেতন হবে ৮৩ হাজার ২১৭ টাকা, গ্রেড-৬-এর বেতন হবে ৭৩ হাজার ৮০২ টাকা, গ্রেড-৭-এর বেতন হবে ৬০ হাজার ২৮৯ টাকা, গ্রেড-৮-এর বেতন হবে ৪৭ হাজার ৮১৫ টাকা, গ্রেড-৯-এর বেতন হবে ৪৫ হাজার ৭৩৬ টাকা, গ্রেড-১০-এর বেতন ৩৩ হাজার ২৬৩ টাকা, গ্রেড-১১-এর বেতন ২৫ হাজার ৯৮৭ টাকা, গ্রেড-১২-এর বেতন ২৩ হাজার ৪৯২ টাকা, গ্রেড-১৩-এর বেতন ২২ হাজার ৮৬৮ টাকা, গ্রেড-১৪-এর বেতন ২১ হাজার ২০৫ টাকা, গ্রেড-১৫-এর বেতন ২০ হাজার ১৬৬ টাকা, গ্রেড-১৬-এর বেতন ১৯ হাজার ৩৩৪ টাকা, গ্রেড-১৭-এর বেতন ১৮ হাজার ৭১০ টাকা, গ্রেড-১৮-এর বেতন ১৮ হাজার ২৯৫ টাকা এবং গ্রেড-১৯-এর বেতন হবে ১৭ হাজার ৬৭১ টাকা।
পাশাপাশি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড সুবিধা বহাল থাকলে এবং ২০৩০ সালে গ্রেড-৯-এর বেতন হবে ৫৯ হাজার ৯৩০ টাকা, গ্রেড-১০-এর বেতন হবে ৪০ হাজার ৮০৬ টাকা, গ্রেড-১৯-এর বেতন হবে ১৯ হাজার ৩৩৪ টাকা।
প্রতিবেদনে আরও একটি হিসাবে দেখানো হয় টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাদ দিয়ে। কিন্তু ভবিষ্যতে নিয়মিত পে-স্কেল প্রদান করা হলে গ্রেড-২-এর বেতন হবে এক লাখ ৯৩ হাজার ৪১৪ টাকা, গ্রেড-৩-এর বেতন হবে এক লাখ ৬৬ হাজার ৩৭৩ টাকা, গ্রেড-৪-এর বেতন এক লাখ ৪৭ হাজার ২৩৩ টাকা, গ্রেড-৫-এর বেতন হবে এক লাখ ২৭ হাজার ৮৪১ টাকা, গ্রেড-৬-এর বেতন এক লাখ ৬৫৫৫ টাকা, গ্রেড-৭-এর বেতন ৮৭ হাজার ৪৫ টাকা, গ্রেড-৮-এর বেতন ৬৯ হাজার ৩৬ টাকা, গ্রেড-৯-এর বেতন ৬৬ হাজার ৩৪ টাকা, গ্রেড-১০-এর বেতন ৪৮ হাজার ২৫ টাকা, গ্রেড-১১-এর বেতন ৩৭ হাজার ৫১৯ টাকা, গ্রেড-১২-এর বেতন ৩৩ হাজার ৯১৮ টাকা, গ্রেড-১৩-এর বেতন ৩৩ হাজার ১৭ টাকা, গ্রেড-১৪-এর বেতন ৩০ হাজার ৬১৬ টাকা, গ্রেড-১৫-এর বেতন ২৯ হাজার ১১৫ টাকা, গ্রেড-১৬-এর বেতন ২৭ হাজার ৯১৪ টাকা, গ্রেড-১৭-এর বেতন ২৭ হাজার ১৪ টাকা, গ্রেড-১৮-এর বেতন ২৬ হাজার ৪১৪ টাকা এবং গ্রেড-১৯-এর বেতন হবে ২৫ হাজার ৫১৩ টাকা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অষ্টম বেতন কাঠামোতে গড়ে ৯৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ বেতন বাড়লেও সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাদ দেয়ার কারণে তা অধিকাংশ চাকরিজীবীর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। এতে আরও বলা হয়, বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের সঙ্গে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডের কোনো সম্পর্ক নেই। চাকরিতে পদোন্নতি একটি সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু অনেক সময় চাকরির ধরন ও প্রতিষ্ঠানের কাঠামো অনুযায়ী পদোন্নতি প্রদান সম্ভব হয় না। এ কারণেই মূলত টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড প্রবর্তন করা হয়।
বিশেষ করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর জনবল, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ, ড্রাইভার, পুলিশ, বিডিআর, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদের পদোন্নতি দেয়া সম্ভব হয় না। কিন্তু বিগত সব পে-স্কেলে সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল সুবিধা বহাল থাকলেও বর্তমানে তা বাতিল করা হয়েছে।
Share:

ছাত্রী মৃত্যুর পূর্বে চিরকুটে: `আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী তারেক’



1মা/ভাইয়া আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম, কিন্তু নিষ্ঠুর পৃথিবীর মানুষেরা আমাকে বাঁচতে দিল না। আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী তারেক, তারেকের মা ও তার বোন কনিকা। আমার মৃত্যুর প্রতিশোধ তোমরা নিও। চিঠিটি শারমিন আক্তার ওরফে মিনুর পরিবার তার শোয়ার কক্ষ থেকে উদ্ধার করেছে।
শুক্রবার বিকেলে তার পরিবারের সদস্যরা চিঠিটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও উপপরিদর্শক (এসআই) মোঃ নিজাম উদ্দিনের কাছে হস্তান্তর করেছেন।

চিঠিটি পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে এসআই নিজাম উদ্দিন বলেন, চিঠিটি তার হাতের লেখা কিনা আমরা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছি। তার হাতের লেখা এবং অন্যান্য বিষয়ে খোঁজ করে দেখা হচ্ছে। তবে চিঠিটি কখন লেখা হয়েছে তার সময় বা তারিখ উল্লেখ নেই।
গত বৃহস্পতিবার চাঁদপুরের শাহ্রাস্তির ফরিদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী মিনুকে (১৫) তার সহপাঠী মোমিন হোসেন ওরফে তারেক শ্রেণিকক্ষ থেকে পুকুর পাড়ে ডেকে নেয়। সেখানে তারেক তাকে থাপ্পড় মারে ও তার মুখে থুথু ছিটায়। একই দিনে তারেকের মা রুপবান বানু ও বিদ্যালয়ে যেয়ে মিনুকে শাসান এবং অপমান করেন।
পরে মেয়েটি বিদ্যালয় থেকে বিরতির সময় ছুটি নিয়ে বাড়ি চলে যায়। বাড়িতে কাউকে কিছু না বলে শোয়ার ঘরে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। এলাকাবাসী মৃত্যুর খবর শুনে হামলা চালিয়ে বিদ্যালয়ের কয়েকটি কক্ষ ভাংচুর করেন। মিনুর ভাই সাহাবুদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার দিন তারেক ও তার মা বিদ্যালয়ে যেয়ে মিনুকে অপমান ও অপদস্থ করেন। মিনু বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছে ঘটনাটি জানিয়েও প্রতিকার পায়নি। বিদ্যালয় থেকে এত বড় একটি ঘটনা আমাদের পরিবারের কাউকে জানানো হয়নি।


বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিদ্দিকুর রহমান মিনুর পরিবার বক্তব্য অস্বীকার করে বলেন, মেয়েটি আমাদের কাউকে ঘটনা জানায়নি। প্রধান শিক্ষক আরো জানান, আমরা সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল শনিবার বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেছি। শনিবার বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম চলেছে।

এসআই নিজাম উদ্দিন জানান, মূল আসামী তারেক কারাগারে আছেন। পরিবারের অন্য সদস্যরা পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন জানান, পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে একমাত্র মেয়ে মিনুকে হারিয়ে তাঁর পরিবার বাকরুদ্ধ। বখাটের হাতে একটি ফুটফুটে মেয়ের অকাল মৃত্যুতে এলাকার মানুষ শোকাগ্রস্থ। আমরা এ হত্যাকান্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।
Share:

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Recent Posts

Unordered List

Definition List