শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৫

বিয়ার আগে প্রভা শুইছে, তাতে কি মহাভারত অশুদ্ধ হইছে?


প্রভা একটা নাম, বাংলাদেশে যার বাসায় ইন্টারনেট নাই, যিনি নাটক দেখেন না, যার টিভি নাই, যিনি সারাদিন আল্লাহ-বিল্লাহ করেন, যিনি সারাদিন রিক্সা চালান, যিনি আর্ট ফিল্ম ছাড়া বাজে ছবি দেখেন না, যিনি পত্রিকা পড়েন না, যিনি পর্ণ দেখেন না বলে দাবী করেন- তিনিও প্রভাকে এক নামে চিনেন।
পর্ণস্টার প্রভা। মাল প্রভা। মাগী প্রভা। নষ্টা প্রভা। রাজিব-প্রভা। অপূর্ব-প্রভা। সবাই এক নামেই উনারে চিনেন। যেই মেয়ে পর্ণ উচ্চারণ করতে পারেন না লজ্জায়, সেই মেয়েও প্রভাকে চিনেন। সেই মেয়েও বয়ফ্রেন্ডের বাসায় প্রভার সেই ভিডিও দেখছেন। সেই মেয়ে এবং তার বয়ফ্রেন্ডও পর্ণ দেখা শেষ করে একসাথে বিছানায় শুয়ে প্রভাকে বেশ্যা বইলা গালি দিচ্ছেন।
বাংলাদেশের সমাজে প্রেম করা খুব খারাপ জিনিস। এক ভিডিওতে দেখছিলাম বগুড়ায় পুলিশ আছে প্রেমিক-প্রেমিকা ধরার জন্য। এই অদ্ভূত সমাজে একটা ছেলে তার বান্ধবীর হাত ধইরা হাঁটতে পারবেন না। প্রকাশ্যে ধর্ষণ কোনো সমস্যা নাই, চুরি, ডাকাতি, টেন্ডারবাজি, রাস্তায় পেশাব করলে সমস্যা নাই, প্রকাশ্যে চুমু খাইলে আপনার জাত, আপনার চৌদ্দগুষ্টির মান-সম্মান সব যাবে। ক্যানো, প্রেমে সমস্যা কই? যারা বলেন, ‘বিয়ের আগে প্রেম? সেইটা তো পাশ্চাত্যের ধ্যাণ-ধারণা; আমাদের না’- তাদের জিগাই, আমাদের ধ্যাণ-ধারণা কিসে ভাইজান? সমস্ত প্রকৃতি-বিরূদ্ধ চিন্তা এবং কাজ আমাদের ট্র্যাডিশান? দুনিয়া আগায় যাক, আমাদের সমস্যা নাই, আমরা লজ্জাবণতঃ হইয়া, প্রেম না কইরা, মাস্টারবেশান না কইরা, অযৌন জীবন যাপন কইরা, পিরিয়ড নিয়া কথা না বইলা, বাচ্চা জন্ম-প্রক্রিয়া লুকাইয়া রাইখা, সেক্স এডুকেশান ছাড়াই একদিন বড় হইয়া- একদিন বিয়া কইরা বাচ্চা পয়দা কইরা একদিন সুখে শান্তিতে ঘর করতে থাকবো?
আপনি বাচ্চার বাপ মা, মানলাম। বাচ্চা রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব আপনার, তাও মানলাম। কিন্তু আপনি বাচ্চার বাপ মা হইয়া যতই বাচ্চারে গিট্টু দিয়া রাখতে চান, বাচ্চা কিন্তু একদিন বড় হবেনই। সেই বাচ্চা আরেক বাচ্চার সাথে একদিন শুইতেও চাইবেন। সেই দুই বাচ্চা মিলা আরেক বাচ্চাও উনারা একদিন পয়দা করবেন। আপনারা বাপ-মা’রা যেইটা বুঝতে চান না, তা হইলো, যৌন চাহিদা মানুষের স্বাভাবিক জৈবিক চাহিদা। আপনারা বুঝেন না বইলাই ঢাকার বেশিরভাগ ছেলেমেয়েরা, আপনাদের এবং ধর্ম এবং সমাজরে গোপন কইরা বিয়ের আগে যৌন সম্পর্ক করেন। তা উনারা যেইখানে এ্যাডাল্ট, সেইখানে উনাদের প্রেম করতে না দেওয়া বা বন্ধু বান্ধবীর লগে শুইতে না দেওয়া তো ক্ষুধার্তরে ভাত না খাইতে দেওয়ার মতই পানিশমেন্ট, নাকি? আপনি সমাজের নাম কইরা, ধর্মের নাম কইরা, ট্র্যাডিশানের নাম কইরা সুযোগ না দিতে চাইলে কি হবে, উনারা নিজেরাই নিজেদের সুযোগ কইরা নিবেন। এবং নিচ্ছেনও। এইটাই স্বাভাবিক। একদিন আপনারে পেটখারাপ অবস্থায় সারাদিন হাগা-মুতা না করতে দিয়া বসায়ে রাখলে আপনিও টের পাবেন জৈবিক চাহিদা কি জিনিস। কত প্রকার এবং কিকি। উদাহরণসহ।
তো বিয়ার আগে প্রভা রাজিবের সাথে শুইছেন। তাতে কোন মহাভারত অশুদ্ধ হইছে? বিয়ার আগে আমিও আমার এক্স বয়ফ্রেন্ডের সাথে শুইছি, আমার ফ্রেন্ডলিস্টে যত ছেলে মেয়ে আছেন, তার নাইনটি পারসেন্টই শুইছেন। যারা শোন নাই, তারা বয়ফ্রেন্ডরে চুমা দিছেন, মেইক আউট করছেন, ঢাকা-কুমিল্লা যাওয়ার পথে বাসে ওড়নার তলায় গার্লফ্রেন্ডের বুকে হাত দিছেন। সমাজ তাতে ধ্বংস হইয়া গেছে? ধর্মের জুজুর ভয় দেখাইতে আল্লাহর লানত নাইমা আসছে তাতে? এইসব ছেলেমেয়েরা পড়ালেখা না কইরা নষ্ট হইয়া গেছেন? ড্রাগ এডিক্ট হইয়া গেছেন? জারজ সন্তানে মেডিক্যাল কলেজের আঙ্গিনা ভইরা উঠছে?
আমি এখন বিবাহিত। আমার স্বামীর সাথে আজকেই আমার পাঁচ বছরের ওয়েডিং এনিভার্সারি। বিয়ের আগে আমি আরেকজনের সাথে শুইছি বইলা আমার কি আমার স্বামীর সাথে সম্পর্ক ভাইঙ্গা গেছে? আমাদের ঘরের সব শান্তি কি নীল আসমানে উড়াল দিছে? আল্লাহ (যদি থাকেন) উনি আমারে মরলে পরে কী শাস্তি দিবেন, সেইটা আল্লাহ এবং আমার ব্যাপার। আপনার তো তাতে মাথা ব্যথা থাকার কথা না, তাই না? প্রভারেও যদি শাস্তি দিতে হয়, সেইটা প্রভার খোদা দিবেন। আপনাদের এত ক্ষমতা কে দিলো? আপনারা নিজেরা কোন ধোয়া তুলশী পাতা?
প্রভার সাহসরে আমি রেস্পেক্ট করি। প্রভার জায়গায় নিজেরে চিন্তা করি। যেই বয়ফ্রেন্ড আমাদের একান্ত ব্যক্তিগত সময়গুলা বাইরে বেইচা দেওয়ার সাহস এবং ধৃষ্টতা এবং কুরুচি রাখতে পারেন, তার মুখের সামনে কোমড় সোজা হইয়া দাঁড়ায়ে আবার নিজের কাজে ফেরৎ যাওয়া সাহসের বিষয় বটে। প্রভার জায়গায় আপনি হইলে হয়তো আত্মহত্যা করতেন। নিজের ন্যাংটো শরীর সারা বাংলাদেশ দেখছে জানলে বোরখা পিন্দা ঘরে গিট্টু দিয়া বইসা থাকতেন। নিজেরে দ্বীপান্তর করতেন আন্দামান কি হনলুলু। প্রভা তা করেন নাই। তিনি এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বেশ্যা সাইজা- সেক্সুয়ালি ফ্রাস্টেটেড পুরুষ সাংবাদিকরা উনার নামে আবার কী নতুন রসালো কেচ্ছা লিখবেন সেই ভয়ে ধুকধুক করতে করতে নতুন সংসার করেন। অন্য কোনো সমাজে অন্য কোনো দেশে যেইখানে রাজিবরে কোর্টে দাঁড়াইতে হইতো, জরিমানা গুনতে হইতো নিজের পকেট থিকা, যেইখানে প্রভার চোখের সামনে রাজিব চইড়া খান।
প্রভার কপাল খারাপ, উনার জন্ম হইছিলো বাংলাদেশ নামক এক উলটা রাজার দেশে। প্রভার কপাল খারাপ, উনি যেই সমাজে জন্মাইছেন, সেই সমাজ ভালোরে ভালো, খারাপরে খারাপ বলতে শিখেন নাই। উনি সেই সমাজে জন্মাইছেন, যেইখানে ধর্ষণের দায় ধর্ষিতার কাপড়রে দেওয়া হয়। উনি সেই সমাজে জন্মাইছেন, যেইখানে একজন সৎ সাংবাদিক নাই, সৎ নেতা নাই, সিনেমার সৎ পরিচালক নাই, সৎ রাজনীতিবিদ নাই, সৎ নাট্যকর্মী নাই, একজন সৎ মানুষ নাই, যিনি কোমড় সোজা কইরা প্রভার পাশে দাঁড়াইয়া বলবেন, প্রভা তো ভাই একলা চু* নাই। প্রভা যদি বয়ফ্রেন্ডের সাথে শুইয়া বেশ্যা হন, তাইলে রাজিব প্রভার সাথে শুইয়া কোন নবী হইছেন? প্রভা সেই সমাজে জন্মাইছেন, যেইখানে উনার মেয়ে বন্ধুরাও উনার পাশ থিকা সইরা গিয়া গোপনে দীর্ঘশ্বাস ফেইলা হাসিমুখে কইবেন, আল্লাহ বাঁচাইছে, আমার বয়ফ্রেন্ড রাজিব না, ভাই! আমার বয়ফ্রেন্ড কিন্তু এত্তগুলা ভালো, ইশ! (নাইলে কত কী যে কেলেংকারি হইতো, হায়!) প্রভা সেই যৌনহতাশাগ্রস্থ সমাজে জন্মাইছেন, যেই সমাজের লোক এই স্ট্যাটাস পইড়াও যৌনসুখ পাবেন, ফেইসবুকে ধর্ম এবং সমাজ নিয়া বড় বড় বাণী দিয়া, ফেইসবুক বন্ধ কইরা- ইন্টারনেটে প্রভার বুক দেইখা হাত মারবেন। প্রভা কপাল খারাপ নিয়া জন্মাইছেন। প্রেম করলেন সবাই, নাম হইলো উনার একলার, হাহা।
ভাইজানেরা, বড় হন, বড় হইতে শিখেন। যৌনতা খারাপ এবং গোপন জিনিস না। ‘তোর ছবি বাজারে ছাইড়া দিবো’ টাইপ ভয় আর মেয়েদের কত দেখাবেন? যেই মেয়ে আপনার সাথে আর প্রেম করতে চান না, উনারে জোর কইরা ক্যানো আপনার সাথেই প্রেম করতে হবে? উনার মন কী সারাজীবন আপনার কাছেই বেঁচা? আর, আপারা, আপনারা যারা অতীতে বহুত কর্মকান্ড কইরা ইদানিং খুব ভদ্র হইছেন, শ্বাশুড়িরে শব-ই-বরাতে চালের রুটি বেইলা দিতেছেন, তারা মনে রাইখেন, পাশার ছক উল্টাইতে বেশিদিন লাগে না। আপনার আজকের আপাত-নিরীহ স্বামী কালকে যে আপনার ছবিই বাজারে বেঁচবেন না, তার নিশ্চয়তা কিন্তু নাই, হাহা! সুতরাং, অন্যায় আইডেন্টিফাই করতে শিখেন। অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন। ছেলেরা খারাপ বলতেছে, সমাজ খারাপ বলতেছে, ধর্ম খারাপ বলতেছে কী কী জিনিসরে একটু তলায়ে দেখেন যদি বুদ্ধি থাকে! সমাজের শিখায়ে দেওয়া বুলি তোতা পাখির মত আউড়ায়েন না।
নারী আন্দোলন, নারী স্বাধীনতা, নারী নির্যাতন নিয়া আপনারা যারা এনজিও খুলছেন, বক্তৃতা দিচ্ছেন ইয়োরোপ আমেরিকা, তারা সাদিয়া জাহান প্রভারে দেইখা শিখেন, নারী আন্দোলন কোন জিনিস। প্রতিদিন মানসিক নির্যাতন সহ্য কইরা প্রভা যেই আন্দোলন কইরা এখনো দাঁড়ায় আছেন সোজা হইয়া, সেইজন্য প্রভারে অভিনন্দন! সাদিয়া জাহান প্রভা, আপনার প্রতি ভালোবাসা
Share:

আপু ওর জন্য ধর্ম ত্যাগ করেছি আর ওর বন্ধুরা মিলে আমাকে……

 আপু আমার আর বাচার কোন ইচ্ছে নেই, আমার জীবনের সবই তো শেষ। আমি হিন্দু মেয়ে বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ। আমার ফ্যামিলি মোটামুটি সচ্ছল, আমি ক্লাস টেনে থাকাকালীন এক মুসলমান ছেলের সাথে রং নাম্বারের সুত্র ধরে পরিচয় তারপর প্রেম হয়।
ছেলেটির নাম শাওন ঢাকায় থাকে। আমাদের সম্পর্ক খুব ভালই চলছিল। দিনের বেশিরভাগ সময়ই আমরা ফোনে কথা বলতাম। অনার্সে ভর্তি হবার পরপরই আমার বিয়ে ঠিক হয়। আমি শাওনের সাথে কথা বলে বাড়ি থেকে পালিয়ে ঢাকায় চলে আসি। ইসলাম ধর্ম গ্রহন করি। তারপর আমাদের বিয়ে হয়। ও আমাকে যাত্রাবাড়ী এক বাসায় রাখে। বলেছিল কিছুদিন পর আমাকে বাড়িতে নিবে। সেভাবেই চলছিলো। হঠাৎ জানতে পারলাম সে বিবাহিত। তবুও আমি মেনে নিয়েছিলাম। কারন আমার পিছু ফেরার কোন উপায় নাই। মাসখানেক পর একটা বাচ্চা সহ ওর বউ এসে হাজির হয় আমার বাসায়। আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। শাসিয়ে যায় শাওন কে তালাক দেবার জন্য। এই নিয়ে শাওনের সাথে আমার অনেক ঝগড়া হয়। শাওনকে বলতেই সে আমাকে মারধোর করে। শাওনের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর বড় ভাই পুলিশ অফিসার। সে ও আমায় ফোনে হুমকি দিতে থাকে। একদিন ওই মহিলা তার বন্ধুদের নিয়ে আবার আমার বাসায় এসে আমাকে মারধর করে। অবশেষে শাওন আমাকে এক লাখ টাকা দিয়ে তালাক দিয়ে দেয়।
আপু, যাকে আমি জীবনের চেয়ে বেশি ভালবাসলাম, যার জন্য ধর্ম ত্যাগ করলাম সেই আমার সাথে এমন করলো। এই শহরে আমি নতুন। আমি এখন কোথায় যাব। আমার কি এখন আত্মহত্যা ছাড়া কোন পথ নেই। আপু আমার কি ভুল ছিল আপনি বলতে পারেন?
পরামর্শ……. তোমার সাথে যা ঘটেছে সেটা নিতান্তই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত, যেহেতু তুমি ধর্ম ত্যাগ করেছো সেহেতু তোমার বাড়িতে তোমাকে ফিরিয়ে নিতে চাইবেনা। এই মুহুর্তে আমি তোমাকে কি বলে সান্তনা দিব বুঝতে পারছিনা। আমি পাঠকদের কাছে তোমার প্রশ্নটি ছুড়ে দিলাম। দেখি তারা কি উপদেশ দেয়।
Share:

'হেট স্টোরি ৩' ট্রেলরে যৌনতাই মূখ্য (ভিডিও)

>

 ফিরে আসছে 'হেট স্টোরি'। সিরিজের দুটি ছবি দিয়ে রূপালী পর্দার পাশাপাশি দর্শকহৃদয় এবং বিতর্কে ঢেউ তুলে এবার 'হেট স্টোরি ৩'। সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে এই ছবির হট ট্রেলর।
টি-সিরিজ প্রকাশ করল এই ছবির শিহরণ জাগানো ট্রেলর। জেরিন খান, শারমান যোশী, ডেইজি শাহ এবং করণ সিং অভিনীত ছবিটি ট্রেলরেই আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত দেখেছেন প্রায় ৮১ লক্ষ দর্শক। ট্রেলরটি আরও বেশি সাহসী, যৌন উত্তেজক ও আকর্ষণীয়।
হিটের পাশাপাশি অবশ্য নিন্দার ঝড়ও উঠেছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে। অনেকেই বলছেন, যৌনতাকে মূখ্য করেই ছবির ট্রেলর প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। ছবির কাহিনি নির্ভর প্রচারণার বদলে বিশেষ কিছু দৃশ্য এবং তার সঙ্গে মানানসই শব্দসংযোজন করে জনপ্রিয়তা লাভের কূট কৌশল এই ট্রেলর।
ছবির পরিচালক আগেই জানিয়েছেন, হেট স্টোরি সিরিজের এই তৃতীয় সিনেমায় থাকছে চারগুণ বেশি হিংসা, থ্রিলার, অ্যাকশন ও রোমান্স ও যৌনতা।
দেখুন সেই ট্রেলর-

Share:

শাকিব-তিশার এ কেমন অন্তরঙ্গতা! (ভিডিও)


শাকিব-তিশার এ কেমন অন্তরঙ্গতা! (ভিডিও) 

শাকিব খান নামের সাথে জড়িয়ে আছে দেশের চলচ্চিত্রের সন্মান। শাকিব মানেই দর্শক পাগল করা ছবি। শাকিব নিজের নামের সাথে অনেক ছবিও করেছেন। যা এ পযর্ন্ত বাংলা সিনেমায় কেউ করতে পারেনি। এবার শামীম আহমেদ রনীর পরিচালনায় মেন্টাল সিনেমাতে ‍জুটিবদ্ধ হয়েছেন শাকিব খান ও তিশা। আর এ সিনেমাতেই একটি রোমান্টিক দৃশ্যে তাদের দেখা যাবে।
সম্প্রতি ইউটিউবে প্রকাশ পেয়েছে মেন্টাল ছবির ট্রলোর। দৃশ্যে দেখাগেছে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তিশার সাথে রোমান্টিক ভাবে শাকিব খান। দৃশ্যপটে এমন দেখা যাবে, শাকিব-তিশা একে অপরকে ভালবাসেন। আর প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের কিছু উপায় থাকে। এই দৃশ্যটি তেমনই। ভালোবাসার প্রকাশ ঘটাতেই তারা অন্তরঙ্গ হয়েছে। সিনেমাটিতে তিশা অভিনয় করছেন সিমি নামে একজন সাংবাদিকের চরিত্রে।

শাকিব-তিশা ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় নায়িকা আঁচল ও খুদে গানরাজের পড়শি,মিশা সওদাগরসহ আরো অনেকে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন.

Share:

দুর্গাপূজার আনন্দে দেব


দুর্গাপূজার আনন্দে দেব 

দুর্গাপূজার আনন্দে মেতে উঠেছে কোলকাতা। পূজা ঘিরে ছুটির হাওয়া এরই মধ্যে লাগতে শুরু করে দিয়েছে কলকাতার অন্যতম বিনোদনজগৎ টলিপাড়ায়। এবার পূজায় সেলিব্রিটিরা কে কি করছেন? কোথায় থাকছেন? কী ধরনের সাজ পোশাক আর খাওয়াদাওয়া করছেন? সবার মতো মেতে উঠেছেন টলিউডের এই হার্টথ্রব নায়ক দেব।
দেব সম্প্রতি মিডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাতে বলেন, এই বছর মা দুর্গার আশীর্বাদ নিয়ে প্রথম ছবির প্রযোজনায় হাত দিচ্ছি’ বলে জানালেন টলিউডের এই হার্টথ্রব নায়ক। বললেন, প্রথম ছবির প্রযোজনায় হাত দিচ্ছি বলে তাই আপাতত খুব টেনশনে আছি। পূজার পরপরই আমার প্রযোজনার ছবির শুটিং শুরু হবে। তাই ছবির শুটিংয়ের জন্য পূজার ছুটিতে লোকেশন দেখতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গে যাব। তবে আমার ছোটবেলা কেটেছে মুম্বাইতে। ফলে এখনো আমি মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কের দুর্গাপূজাটা খুব মিস করি। সেই সঙ্গে ভীষণভাবে মিস করি মুম্বাইয়ের ডান্ডিয়া নাচ। এবার ইচ্ছে আছে, অন্তত একদিন পূজার সময় মুম্বাইয়ে গিয়ে পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে ডান্ডিয়া নাচে অংশ নেব। তবে জানি না শেষ পর্যন্ত কতদূর কী হবে। ডান্ডিয়া নাচতে গেলে সেখানকার ট্রাডিশনাল পোশাক পরতে হয়। ফলে এবার পূজায় সেই পোশাকই আমার ফ্যাশন করার ইচ্ছে রয়েছে
-
Share:

পুরুষ শাসিত সমাজে সাহসী সালমা


পুরুষ শাসিত সমাজে সাহসী সালমা

মেক্সিকান অভিনেত্রী সালমা হায়েক নিজেকে সাহসী নারী হিসেবে আখ্যায়িত করলেন। পুরুষ শাসিত সমাজ ব্যবস্থায় মেয়েরা প্রতিনিয়ত নিগৃহীত হচ্ছেন। তাই এর বিরুদ্ধে বরাবরই তিনি প্রতিবাদ করে আসছেন। পাশাপাশি তিনি এ বিষয়ে নারীদের আরো সাহসী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ডেইলি মেইলের খবরে জানা গেছে, এ দশকের সবচেয়ে আবেদনময়ী ও সুন্দরী অভিনেত্রী সালমা হায়েক। বর্তমানে তিনি আট বছরের এক কন্যা সন্তানের জননী। তাই কাজের ফাঁকে ফাঁকে তিনি সন্তানের প্রতি বাড়তি নজর রাখছেন। মেয়েরা কীভাবে বড় হবে, তারা কীভাবে নিজস্বতা খুঁজে পাবে সে ব্যাপারেও পরামর্শ দিচ্ছেন। কারণ সালমা তার মেয়েকে নিজের মতোই সাহসী হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছেন।
এ প্রসঙ্গে ৪৮ বছর বয়সী সালমা বলেন, 'মেয়েদের আরো সাহসী হওয়া অত্যাবশক। পুরুষদের থেকে নিজেদের আলাদা হওয়ার সাহসটা তাদের দেখাতেই হবে। প্রত্যেক নারীরই নিজস্ব কিছু গুণ ও বৈশিষ্ট্য আছে। স্বাধীনভাবে সেগুলো চর্চার মাধ্যমে বিকাশ ঘটাতে হবে।' সালমা আরো বলেন, তরুণীদের নিজের প্রতি আরো বেশি সচেতন হতে হবে। পুরুষ শাসিত সমাজে জোর করে নিজেদের খাপ-খাওয়ানোর চেষ্টা বন্ধ করে আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করতে হবে। কারণ তিনি মনে করেন, মেয়েরা সাহসী হলে পৃথিবী বদলে যাবে।

Share:

হঠাৎ যেভাবে দুনিয়ার সবচেয়ে ধনী উর্মিলা!


হঠাৎ যেভাবে দুনিয়ার সবচেয়ে ধনী উর্মিলা! পুরো মাসে কাজ করে উপার্জন তার ৩,০০০ টাকার খুব বেশি হবে না উর্মিলার নামক এক মহিলার। তবে একদিন সকালে আচমকা অ্যাকাউন্টের টাকা দেখে চক্ষু অবাক বনে গেলেন সেই উর্মিলাই। দেখলেন ৯ লাখ কোটি টাকা ঢুকে পড়েছে তার অ্যাকাউন্টে। দুনিয়ার সব থেকে ধনী মহিলা হওয়ার অনুভূতিটা তার পক্ষে বোঝানো সম্ভব ছিল না। কী করবেন কিছু বুঝে ওঠার আগেই আনন্দ শেষ। হ্যাঁ, ভুল করেই অ্যাকাউন্টে চলে এসেছিল এই টাকা। তবে এই বিশাল অংকের টাকা আবার মুহূর্তের মধ্যেই উধাও।
ভারতের কানপুরের এক ছোট গ্রামের বাসিন্দা উর্মিলা। শুক্রবার তিনি তার পাস বুক আপডেট করান। হিসেব অনুযায়ী ৩,০০০ টাকা থাকার কথা সেখানে। আচমকা দেখলেন ১৭ সংখ্যার একটা নম্বর। না, সেটা হিসেব করে উঠতে পারেননি তিনি। এক কর্মীর সাহায্যে জানতে পারলেন, ৯ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা যোগ হয়েছে তার অ্যাকাউন্টে।
২১ জুলাই আসে এই টাকা। এরপর ব্যাংক ওই অ্যাকাউন্ট ‘ফ্রিজ’ করে দেয়া হয়। কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভুল খুঁজতে শুরু করেন সবাই মিলে। ব্যাংকের মূল সার্ভারটি মুম্বাইতে। বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টা-চরিত্র করার সেই টাকা সরানো সম্ভব হয়।
বিল গেটস, মুকেশ অম্বানি ও লক্ষী মিত্তলের সম্পত্তি এক হলে বোধহয় এই ৯ লাখ কোটি টাকা হওয়া সম্ভব। তাই স্বপ্নের দুনিয়ায় কয়েক মুহূর্তে বাঁচার সৌভাগ্য অন্তত হলো এই মহিলার।

Share:

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Recent Posts

Unordered List

Definition List