শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০১৫

ভাই-বোনে সহবাস, খুন মা-বাবা

পরস্পরের প্রেমে পড়ে সত্‍ ভাই-বোন। তার জেরে বাবা-মা’কে হত্যা করে তাঁদের দেহাংশ বাড়ির পোষা কুকুরকে খাওয়াল প্রণয়ী যুগল। পাশাপাশি সে স্বাদে ভাগ বসাল যুবক নিজেও।
সম্প্রতি আর্জিন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আয়ার্সের কাছে পিলার অঞ্চলে মধ্যবয়সী এক দম্পতির খুন ঘিরে সংবাদমাধ্যমে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। জানা গিয়েছে, হত্যার পর তাঁদের দেহ টুকরো করে বাড়ির পোষা কুকুরকে খাওয়ানো হয়েছে। এর পর শরীরে বাকি অংশ পুড়িয়ে পেলা হয়েছে। গোটা ঘটনার পিছনে নিহত দম্পতির সত্‍ ছেলে-মেয়ের হাত রয়েছে বলে জেরায় জেনেছেন গোয়েন্দারা।

মিরিয়াম কোয়ালচুককে বিয়ে করে একসঙ্গে বসবাস করতে শুরু করেন আর্জেন্টিনার বাসিন্দা রিকার্ডো ক্লেইন। বাবা-মায়ের সূত্রেপরিচিত হয় দুই সত্‍ ভাই-বোন লিয়ান্দ্রো আকোস্তা (২৫) ও ক্যারেন ক্লেইন (২২)। ক্রমে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হলে একসঙ্গে তিন বছর ধরে বসবাস শুরু করে লিয়ান্দ্রো-ক্যারেন।
আইনজীবী মনিকা চিরিভিন জানিয়েছেন, ছোট দুই যমজ ভাইয়ের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই সত্‍ বাবা রিকার্ডোকে খুন করার মতলব এঁটেছিল তাঁর মক্কেল লিয়ান্দ্রো। তার আভিযোগ, ভাইদের উপর অত্যাচার করতেন রিকার্ডো। চিরিভিনের দাবি, সত্‍ বাবাকে খুনের কথা স্বীকার করেছে লিয়ান্দ্রো। শুধু তাই নয়, হত্যার পর তাঁর দেহাংশ নিজেও খেয়েছিল বলে জানিয়েছে সে। দীর্ঘ দিন ধরে পেটের অসুখ ও মনোবিকারের রোগী লিয়ান্দ্রোকে এই কাজে সাহায্য করে প্রেমিকা ক্যারেন।
পুলিশের জেরায় ক্যারেন কবুল করেছে, ভাইয়েরা স্কুলে যাওয়ার পর পরিকল্পনা মতোই সত্‍ বাবা ও নিজের মা’কে গুলি করে খুন করে লিয়ান্দ্রো। এর পর দেহগুলি টুকরো করার সময় প্রেমিকা তথা সত্‍ বোন ক্যারেনের সাহায্য নেয় সে। ঘটনাস্থল থেকে প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টায় এর পর দেহের কিছু অংশ পোষা কুকুরকে খাইয়ে বাকি অংশ পুড়িয়ে ফেলা হয়।
বেশ কয়েক মাস ধরে মিরিয়াম ও রিকার্ডোর হদিশ না পেয়ে তাঁদের খোঁজ নিতে পিলার-এর বাড়িতে হাজির হন এক আত্মীয়। কিন্তু তাঁকে বাড়িতে ঢুকতে দিতে অস্বীকার করে লিয়ান্দ্রো। সন্দেহ হওয়ায় পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন সেই আত্মীয়। তল্লাশিতে বাড়ির ছাদে রাখা বালতিতে মহিলার শ্রোণী খুঁজে পাওয়া যায়। গোয়েন্দাদের অনুমান, তা মিরিয়ামের দেহাংশ। এরপর স্থানীয় জঞ্জালের স্তূপ থেকে উদ্ধার হয় নিহত দম্পতির আধপোড়া দেহাবশেষ।
হত্যা, অপরাধের প্রমাণ লোপের চেষ্টা, অমানবিক আচরণের মতো বেশ কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার হয় লিয়ান্দ্রো ও ক্যারেন। আপাতত আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এই মামলা।
Share:

দালাল ছাড়া মাত্র ৩০ মিনিটে নিজের পাসপোর্ট করবেন যেভাবে -

অনলাইনে পাসপোর্টের ফর্ম পূরণ করে পাসপোর্ট অফিসে ফর্ম জমা দিয়ে ছবি তুলতে সময় লাগে মাত্র ৩০ মিনিট, তাও বিনা ঘুষে। আসুন আমরা জেনে নেই কিভাবে অনলাইনে পাসপোর্ট করা যায়।
১ম ধাপঃ
অনলাইনে ফর্মটি ফিলআপ করুন এবং প্রিন্টআউট নিন।
২য় ধাপঃ
পাসপোর্ট এর ফর্মটি, আপনার ন্যাশনাল আইডি এবং পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এর ফটোকপি (যদি থাকে) সত্যায়িত করে পাসপোর্ট অফিসে চলে যান।
৩য় ধাপঃ
পাসপোর্ট অফিসের পাশে সোনালী ব্যঙ্ক এ । জরুরী পাসপোর্ট করতে চাইলে ৬০০০ টাকা আর সাধারনভাবে করতে চাইলে ৩০০০ টাকা জমা দিন। রশিদটি আঠা দিয়ে ফর্মের উপর সংযজন করুন।
৪র্থ ধাপঃ
এবার পাসপোর্ট অফিসে সরাসরি ফর্ম টি ভেরিফাই করিয়ে নিন। তারা আপনার ফর্ম এর উপর সই করে একটি সিরিয়াল নম্বর লিখে দিবে।
৫ম ধাপঃ
এবার সরাসরি চলে যান উপ কমিশনারের রুমে এবং তাকে দিয়ে ফর্ম টি ভেরিফাই করিয়ে নিন।এখানে থেকে ভেরিফিকেসন করার পর পাঠিয়ে দিবে পাশের কাউন্টারের রুমে ছবি তুলতে।
৬ষ্ঠ ধাপঃ
ছবি তুলতে সোজা এই কাউন্টারে গিয়ে আপনার ফর্মটি জমা দিন। সেখানে অফিসার আপনার ছবি তুলবে, আঙ্গুলের ছাপ ও স্বাক্ষর নিবে এবং তারপর আপনাকে রশিদ ধরিয়ে দিবে। সেটা ভালো মত চেক করে রুম থেকে বেরিয়ে আসুন।
ব্যাস… আপনার ফর্ম জমা দেয়া শেষ। যেদিন পাসপোর্ট দেয়ার ডেট, সেদিন পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে রশিদ দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন।
মনে রাখবেনঃ
অবশ্যই বাসা থেকে সত্যায়িত করে নিয়ে যাবেন।
NID এর সত্যায়িত ফটোকপি এবং পুরানো পাসপোর্টের (যদি থাকে) ফটোকপি নিয়ে যাবেন।
সাদা কাপড় পড়ে ছবি তোলা যাবে না।
অনলাইন পাসপোর্টের অফিসিয়াল নির্দেশনা ২০১৩ অবলম্বনে
অনলাইনে ফর্মটি পাওয়ার জন্য এই পেজ এ যান (Click Here) \
Share:

কপিলকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিলেন ঐশ্বরিয়া

কপিল মানেই জোকস আর মজা। কপিল মানেই বলিপাড়ায় হাসির জোয়ার। সেই তিনি যে এমন একটা কাণ্ড করে বসবেন সত্যিই বিশ্বাস করা যায় না। ঐশ্বরিয়ার অনুমতি ছাড়াই তার ভ্যানিটি ভ্যানে ঢুকে পড়েন কপিল। আর তার কিছু সময়ের মধ্যে দেখা যায় বিশ্বসুন্দরীর দেহরক্ষীরা ঘাড় ধাক্কা দিতে বার করে দিচ্ছেন কপিলকে।
এই ঘটনায় ছিঃ ছিঃ পড়ে গিয়েছে টিনসেলে। তবে কি ঘটেছে সেই সম্পর্কে এখনও কিছুই জানা যায়নি। এমনকি কপিলকে প্রশ্ন করা হলে তিনি এড়িয়ে যায় প্রসঙ্গটি।
কেন কপিল এমন করল? কি এমন করেছে যাতে এমন ব্যবহার করল অ্যাশ? আর সাতপাঁচ ভেবে লাভ নেই। অনেকেই মনে করছেন এটা পাবলিসিটি স্ট্যান্ট। আসলে সামনেই মুক্তি পেতে চলেছে ঐশ্বরিয়ার কামব্যাক ছবি ‘জজবা’।
শোনা যাচ্ছে এই ছবির প্রচারে, 'কমেডি নাইটস উইথ কপিল' এর মঞ্চে আসছেন বিশ্বসুন্দরী। তাই কপিলের অ্যাশের ভ্যানিটি ভ্যানে ঢুকে পড়া, দেহরক্ষী দিয়ে কপিলকে বার করে দেওয়া পুরোটাই সাজানো ড্রামা। তাই এখনও অপেক্ষা সময়ের, দেখা যাক ঘটনাটি সত্য কিনা।
Share:

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

প্রেমিকা অন্যের সাথে সম্পর্ক করেছে কারণ আমার চেহারা তাঁর...

একটি মেয়ের সাথে আমার সম্পর্ক ছিল প্রায় দেড় বছর। সে আমাকে ভালবাসত কিন্তু দেখা করতে চাইত না। একটা ছবিও দেয়নি। আমাকে শুধু মেসেজ করত। মাঝে মাঝে কথা বলত। তখন সে ফেসবুক ব্যবহার করত না। ২০০৮ সাল থেকে তার সাথে আমার পরিচয়। ব্যাপারটা এমন ছিল যে শুরু থেকে দেড় বছর বন্ধুত্ব, এর পর ২ বছর কোন যোগাযোগ ছিল না, এর পর আবার দেড় বছর (তিন মাস বন্ধুত্ব + ১৫ মাস প্রেম)। সর্বশেষ সে নিজ থেকে আমার সাথে যোগাযোগ করে। আমার বন্ধু হিসেবে থাকতে চায়। আমি বলে দেই আমার কোন মেয়ে বন্ধু ছিলনা, নেই, আর নতুন করে মেয়ে বন্ধুর কোন দরকার নেই। আমি তোমাকে ভালবাসি। যদি আমাকে ভালবাস তাহলে যোগাযোগ করো। আর না ভালবাসলে এখন থেকেই শেষ করে দাও।
তারপরও সে আমার সাথে বার বার যোগাযোগ করে। প্রথমে কিছু বলত না। পরে একসময় নিজেই বলত আমাকে ভালবাসে। তার মেসেজগুলো এখনো আমার সংগ্রহে আছে। তার সাথে নীলক্ষেতে শেষ দেখা হয়। দেখা হওয়ার দিনই সে আমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে। খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। এত কষ্ট জীবনে কখনো পাইনি। তখন বুঝতে পারিনি কেন সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। তার প্রতি আমার অনেক রাগ ছিল। কিন্তু সব রাগ-কষ্ট ভেতরে চেপে রেখেছিলাম। স্বপ্ন দেখতাম তাকে ফিরে পাওয়ার। তার কারণে আমার জীবনে এমন কিছু ক্ষতি হয় যা অপূরনীয়। তার কারণে আমার জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময়, বিপুল অর্থ এবং সুযোগ নষ্ট হয়। এসব সে ভাল করেই জানে। আমার জাগায় অন্য কেউ থাকলে আর কিছু করুক বা না করুক উপযুক্ত প্রতিশোধ নিত। (খুব সংক্ষেপে বলেছি)
তিন-চার মাস আগে তার ফেসবুক আইডি খুঁজে পাই। কিছুদিন পর পর ছবি আপলোড দেয়। অথচ আমাকে একটা ছবি দিতে রাজি ছিল না। ফেসবুকে তাকে আমি ম্যাসেজ দিয়ে জানতে চাই কেন সে আমার সাথে এমন ব্যবহার করেছিল এবং সে আমার কি ক্ষতি করেছিল তাও তাকে জানাই। এর একমাস পর সে একটা ফেক আইডি থেকে আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে ম্যাসেজ দেয়। তখন জানতে পারি যে আমাকে শেষবারের দেখায় নাকি তার পছন্দ হয়নি। তাই সম্পর্ক শেষ করে দিয়েছিল। এখন আমি স্বাস্থ্যের আগের চেয়ে অনেক পরিবর্তন এনেছি। কিন্তু, এখন নাকি সে আরেকজনের সাথে প্রেম করে। নতুন প্রেমিক ছাড়া অন্য কাউকে কল্পনা করতে পারবে না। যা রীতিমত আমার মাথায় বাজ পড়ার মত! সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যাথে পড়ে। আর আমি একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করার পথে। সে আমার চেয়ে দুই বছরের জুনিয়র। আমি এখন ফ্রিলান্সিং করি এবং পরিপূর্ণ স্বাবলম্বী। সে আমার জীবনে যে অপূরনীয় ক্ষতি করেছে তা তো আর ফিরে পাবো না। একটা আশা ছিল একদিন তাকে ফিরে পাবো। কিন্তু সে এখন অন্য পুরুষকে মন দিয়ে ফেলেছে। আমাকে এখন আর ভাল লাগে না। এ দিকে আমার অন্য কোন মেয়েকে ভাল লাগে না। তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হবার পর কয়েকজন মেয়ের সাথে সম্পর্ক করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তাকে ছাড়া অন্য কাউকে ভাবতেই অসহ্য মনে হয়েছে। আমার কাছের বন্ধুরা চেয়েছিল তার ভন্ডামি ফাস করে দিতে এবং উপযুক্ত শাস্তি দিতে। কিন্তু আমি তাকে খুব ভালবাসি বলে কিছুই করিনি। তাদেরকেও করতে দেইনি। তাকে কতটা ভালবাসি তা বলে বুঝাতে পারব না। মৃত্যুর আগে তাকে ভুলতে পারবনা। কিন্তু তাকে ফিরে পাওয়ার কোন উপায় নেই। এসব বিষয় মনে আসলে খুব অস্থির হয়ে যাই। সারাজীবন কী দেবদাস হয়ে থাকব? নাকি নিজের ভালবাসা আদায় করে নিব। কিন্তু জোর করে তো ভালবাসা হয় না। কী করব বুঝতে পারিনা
1
0
-1
একটি মেয়ের সাথে আমার সম্পর্ক ছিল প্রায় দেড় বছর। সে আমাকে ভালবাসত কিন্তু দেখা করতে চাইত না। একটা ছবিও দেয়নি। আমাকে শুধু মেসেজ করত। মাঝে মাঝে কথা বলত। তখন সে ফেসবুক ব্যবহার করত না। ২০০৮ সাল থেকে তার সাথে আমার পরিচয়। ব্যাপারটা এমন ছিল যে শুরু থেকে দেড় বছর বন্ধুত্ব, এর পর ২ বছর কোন যোগাযোগ ছিল না, এর পর আবার দেড় বছর (তিন মাস বন্ধুত্ব + ১৫ মাস প্রেম)। সর্বশেষ সে নিজ থেকে আমার সাথে যোগাযোগ করে। আমার বন্ধু হিসেবে থাকতে চায়। আমি বলে দেই আমার কোন মেয়ে বন্ধু ছিলনা, নেই, আর নতুন করে মেয়ে বন্ধুর কোন দরকার নেই। আমি তোমাকে ভালবাসি। যদি আমাকে ভালবাস তাহলে যোগাযোগ করো। আর না ভালবাসলে এখন থেকেই শেষ করে দাও।
তারপরও সে আমার সাথে বার বার যোগাযোগ করে। প্রথমে কিছু বলত না। পরে একসময় নিজেই বলত আমাকে ভালবাসে। তার মেসেজগুলো এখনো আমার সংগ্রহে আছে। তার সাথে নীলক্ষেতে শেষ দেখা হয়। দেখা হওয়ার দিনই সে আমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে। খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। এত কষ্ট জীবনে কখনো পাইনি। তখন বুঝতে পারিনি কেন সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। তার প্রতি আমার অনেক রাগ ছিল। কিন্তু সব রাগ-কষ্ট ভেতরে চেপে রেখেছিলাম। স্বপ্ন দেখতাম তাকে ফিরে পাওয়ার। তার কারণে আমার জীবনে এমন কিছু ক্ষতি হয় যা অপূরনীয়। তার কারণে আমার জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময়, বিপুল অর্থ এবং সুযোগ নষ্ট হয়। এসব সে ভাল করেই জানে। আমার জাগায় অন্য কেউ থাকলে আর কিছু করুক বা না করুক উপযুক্ত প্রতিশোধ নিত। (খুব সংক্ষেপে বলেছি)
তিন-চার মাস আগে তার ফেসবুক আইডি খুঁজে পাই। কিছুদিন পর পর ছবি আপলোড দেয়। অথচ আমাকে একটা ছবি দিতে রাজি ছিল না। ফেসবুকে তাকে আমি ম্যাসেজ দিয়ে জানতে চাই কেন সে আমার সাথে এমন ব্যবহার করেছিল এবং সে আমার কি ক্ষতি করেছিল তাও তাকে জানাই। এর একমাস পর সে একটা ফেক আইডি থেকে আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে ম্যাসেজ দেয়। তখন জানতে পারি যে আমাকে শেষবারের দেখায় নাকি তার পছন্দ হয়নি। তাই সম্পর্ক শেষ করে দিয়েছিল। এখন আমি স্বাস্থ্যের আগের চেয়ে অনেক পরিবর্তন এনেছি। কিন্তু, এখন নাকি সে আরেকজনের সাথে প্রেম করে। নতুন প্রেমিক ছাড়া অন্য কাউকে কল্পনা করতে পারবে না। যা রীতিমত আমার মাথায় বাজ পড়ার মত! সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যাথে পড়ে। আর আমি একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করার পথে। সে আমার চেয়ে দুই বছরের জুনিয়র। আমি এখন ফ্রিলান্সিং করি এবং পরিপূর্ণ স্বাবলম্বী। সে আমার জীবনে যে অপূরনীয় ক্ষতি করেছে তা তো আর ফিরে পাবো না। একটা আশা ছিল একদিন তাকে ফিরে পাবো। কিন্তু সে এখন অন্য পুরুষকে মন দিয়ে ফেলেছে। আমাকে এখন আর ভাল লাগে না। এ দিকে আমার অন্য কোন মেয়েকে ভাল লাগে না। তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হবার পর কয়েকজন মেয়ের সাথে সম্পর্ক করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তাকে ছাড়া অন্য কাউকে ভাবতেই অসহ্য মনে হয়েছে। আমার কাছের বন্ধুরা চেয়েছিল তার ভন্ডামি ফাস করে দিতে এবং উপযুক্ত শাস্তি দিতে। কিন্তু আমি তাকে খুব ভালবাসি বলে কিছুই করিনি। তাদেরকেও করতে দেইনি। তাকে কতটা ভালবাসি তা বলে বুঝাতে পারব না। মৃত্যুর আগে তাকে ভুলতে পারবনা। কিন্তু তাকে ফিরে পাওয়ার কোন উপায় নেই। এসব বিষয় মনে আসলে খুব অস্থির হয়ে যাই। সারাজীবন কী দেবদাস হয়ে থাকব? নাকি নিজের ভালবাসা আদায় করে নিব। কিন্তু জোর করে তো ভালবাসা হয় না। কী করব বুঝতে পারিনা
- See more at: http://answers.priyo.com/question/7652-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0#sthash.P6UPTMTP.dpuf
Share:

জ্যাকলিন মিথিলা মানেই কি অশ্লীলতা?

একটা সময় বাংলা চলচ্চিত্র অশ্লীলতার ছোঁয়ায় ভরে গিয়েছিল। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই সব অশ্লিলতার দৃশ্যে অভিনয় করেছেন নাছরিন, ময়ূরী, মুনমুন, শানুসহ আরও অনেকেই। তবে তারা কিন্তু এখন কেউ মিডিয়াতে নেই। তখনকার সময়ে যে দৃশ্য দেখতে পাওয়া যেত তা ঠিক আছে বলেই উপরোক্ত নায়িকারা মনে করতেন। মুনমুন তো একবার বলেই ফেলেছিলেন তার অভিনীত চলচ্চিত্র ‘নিষিদ্ধ নারী’ নিয়ে। নগ্নতাই অশ্লীলতা নয়।
আসলেও কথাটি ঠিক ছিল। তবে কথা মত কাজটি তিনি আর করতে পারেননি। তিনি যা করেছিলেন তা অশ্লীলতাই ছিল। বিনা কারণে মানুষের শরীরের বস্ত্র খুলে ফেলা মানেই হলো অশ্লীলতা। এটা নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। বর্তমানে বাংলা চলচ্চিত্রে এখন আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। এখন আর অশ্লীল দৃশ্য দেখতে না পাওয়া গেলেও নারীর শরীরকে শিল্পের চোখেই দেখা হয়।

এতে দোষ নেই। বলিউড অথবা হলিউডের দিকে একটু নজর দিলেই দেখতে পাওয়া যায়। একজন নারীর শরীরকে শিল্পের চোখেই দেখা হয়ে থাকে। তবে হলিউডের যা হয় তা তাদেরই সংস্কৃতি। কিন্তু আমাদের দেশে অথবা বলিউডে কি দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়। বলিউড এখন পুরোপুরি হলিউডের পথে রয়েছে। বলিউডের সংস্কৃতি আর আমাদের সংস্কৃতি কিন্তু প্রায় সমানে সমান। তবে আমরা কেন পিছিয়ে। আমরাও যেতে পারি যুগের সাথে তালে তাল মিলিয়ে ছন্দে ছন্দে।
বাংলাদেশের আলোচিত মডেল খোলামেলা জ্যাকলিন মিথিলা। তার ফেসবুকে প্রবেশ করলে তাকে বেশ খোলামেলাই পাওয়া যায়। তবে তার এই খোলামেলা দেহের ছবিতে কোন শিল্পের ছোঁয়া আছে আদ্যে প্রশ্ন করার মত। অনেক জল্পনার কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সম্প্রতি তার প্রথম মিউজিক ভিডিও ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে তার ফেসবুকে দেয়া ছবির সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।
কিন্তু তার ফেসবুকে গুডনাইট আর গুড মর্নিংয়ের যে ছবি গুলো নিয়মিত আপলোড দেন। তা রীতিমত অশ্লীলতার মধ্যেই পড়ে যায়। খোলামেলা ছবি গুলো আপলোড দিয়ে তিনি নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়লেও। পরবর্তীতে সেই ছবি গুলো দেখে তরুণ ছেলেদের ঘুম হারাম হয়ে যায়। কিন্তু আর বলার প্রয়োজন হয় না। এই ধরনের ছবি দিয়ে তিনি কি আবারও প্রমান করতে চান তিনি একজন অশ্লীল মডেল? নাকি তিনি আবারও বাংলা চলচ্চিত্রে ঘটে যাওয়া নায়িকাদের মত অশ্লীল নায়িকা হতে চান?
এ সব প্রশ্নের উত্তর হয়তো সময়ই বলে দিবে। সেই সব নায়িকাদের মত যারা বর্তমান সময়ে নেই।
Share:

খালেদা-আশরাফের বৈঠক গুঞ্জনের শেষ কোথায়?

লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মধ্যে বৈঠক হবার গুঞ্জন উঠেছিল কয়েকদিন আগে। তখন আওয়ামীলীগ ও বিএনপির কয়েকজন নেতার বক্তব্যে এ গুঞ্জন মিথ্যা ও গুঁজবে পরিণত হয়েছিলো। কিন্তু সোমবার গুঞ্জনের সত্যতা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের চুপ থাকা এ গুঞ্জন সত্য হবার দিকে ঝুকছে।
সোমবার লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের মেয়র ও স্পিকারের আমন্ত্রণে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আশরাফ বলেন, ‘এই বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’ এছাড়া আগামী বছরের শুরুতে মধ্যবর্তী নির্বাচন হতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবেও তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো ইনফরমেশন নেই।’
আর সৈয়দ আশরাফের এমন ‘লুকোচুরি’ বক্তব্য নিয়ে গুঞ্জনের মাত্রা এখন আরও বেড়ে চলেছে। অনেকেই মনে করছে, খালেদা জিয়ার সাথে আশরাফের ‘বৈঠকের’ ঘটনাটি সত্য। আর সত্য যদি নাই হবে তাহলে সরাসরি ‘না’ বলতে সমস্যা কি?
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা শামসুজামান দুদু বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমার জানা নেই। আমি কিছু বলতে পারবোনা।’ অন্যদিকে এ বিষয়ে জানতে বিএনপির বর্তমান মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপনেকে ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি।
এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর খালেদা-আশরাফ বৈঠক হবে কিনা জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভকে বলেছেন, ‘এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, এ বৈঠকের কোন ভিত্তিই নেই। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম লন্ডন গেছেন কারণ সেখানে তার পরিবার আছে তাই সেখানে তিনি ঈদ কাটাবেন তবে বৈঠক হওয়ার বিষয়টি একদম ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন তিনি।’
একইদিন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া এবং সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মধ্যে বৈঠক হবে এমন বিষয়টি সম্পূর্ণ আজগবি। খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠকের কোন সম্ভাবনাই নেই, এটা ভিত্তিহীন।’
তেমনি বিএনপির নেতাদের কন্ঠেও প্রায় একই সুর ছিল সেদিন। জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভকে বলেছেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের তেমন কিছু জানা নেই, তবে বৈঠক না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বৈঠক হতে পারে না, তবে তাদের মাঝে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় হতে পারে বলে জানান তিনি।’
ওইদিন বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ও সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভকে বলেছেন, ‘তাদের মাঝে কোন আলোচনার সম্ভাবনা নেই তবে সৈয়দ আশরাফ ভদ্র, উচ্চ শিক্ষিত মানুষ- সেক্ষেত্রে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের সাথে দেখা করতে পারেন। তবে এই মুহুর্তে লন্ডনে বৈঠকের কোন সম্ভাবনা নেই বলেই জানান তিনি।’
Share:

উইন্ডোজ১০–এর পর্দা কালো হলে

অনেক সময় উইন্ডোজ ১০-এর পর্দা হঠাৎ করে কালো হয়ে যায়। কম্পিউটার চালু হওয়ার পর লগ-ইন করলে অনেক সময় পর্দা আর দেখা যায় না। কালো হয়েই থাকে। এমন হলে কার্সর আর কোনো কাজ করে না। এমন সমস্যার সম্মুখীন হলে কিছু কাজ করতে হবে।
লগ-ইন করার পর হলে: উইন্ডোজে পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ-ইন করার পরই কালো পর্দার এই সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এমন হলে কম্পিউটারের সঙ্গে লাগানো সব এক্সটার্নাল যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে পুনরায় চালু (রিস্টার্ট) করুন। যদি পর্দা সচল হয়, তবে জানতে পারবেন এর মাঝে কোন যন্ত্রের জন্য চালু হচ্ছিল না। এভাবে যন্ত্রাংশ খুলে এবং লাগিয়ে পরীক্ষা নিলে, কোন কারণে এমন হচ্ছে তা জানা যাবে। সেই যন্ত্রাংশের জন্য এমন হলে সেটি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। যন্ত্রাংশ খোলায় যদি সমাধান না আসে, তবে কম্পিউটারকে সেফ মুডে চালাতে হবে। রিস্টার্ট চেপে কি-বোডের্র SHIFT চেপে রাখুন। অনেকগুলো অপশনসহ পর্দা আসবে। এখানে Safe mode with Networking নির্বাচন করে এন্টার করুন। উইন্ডোজের পর্দা অন্য কোনো যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত আছে কি না, সেটি দেখতে Control Panel থেকে Display নির্বাচন করুন। ডিসপ্লে উইন্ডোর বাঁ পাশের তালিকা থেকে Project to a Second Display নির্বাচন করুন। একটি সাইডবারে যুক্ত থাকা কম্পিউটার পর্দাগুলো দেখাবে। এখানে PC Screen Only নির্বাচন করে দিন।
 ডিভাইস ম্যানেজার থেকে: কম্পিউটার চালু হলে স্টার্ট মেনুতে গিয়ে devmgmt লিখে এন্টার করুন। ডিভাইস ম্যানেজার খুলে গেলে তালিকার Display Adapters-এর ওপর দুই ক্লিক করে খুলে নিন। Display Adaptor Driver-এ ইনস্টল থাকা যন্ত্রে রাইট ক্লিক করে Uninstall চাপুন। কম্পিউটার পুনরায় চালু করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবার ডিসপ্লে ড্রাইভার সফটওয়্যার ইনস্টল হয়ে যাবে। এটি কালো পর্দা দূর করার অন্যতম মাধ্যম।
Share:

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Recent Posts

Unordered List

Definition List